পাবনার ঈশ্বরদী পৌর এলাকার বাসিন্দা জান্নাতুল ফেরদৌস যুথির শখের ছাদবাগান এখন তাঁর আয়ের উৎস। দেশি-বিদেশি ক্যাকটাস ও সাকুলেন্টের চারা অনলাইন ও অফলাইনে বিক্রি করে প্রতি মাসে ১৫ থেকে ২০ হাজার টাকা আয় করছেন এই নারী উদ্যোক্তা।
করোনার সময়, ২০১৯ সালে, নিজের বাড়ির ছাদে কয়েকটি টবে চারা লাগিয়ে বাগান শুরু করেছিলেন গৃহিণী যুথি। সাত বছরে সেই শখ দাঁড়িয়েছে তিন শতাধিক প্রজাতির ক্যাকটাস ও সাকুলেন্টের সংগ্রহে। ঈশ্বরদী পৌরসভার পেছনে তাঁর ছাদে আছে এঞ্জেল উইং, ক্রিসমাস, লেডিফিঙ্গার, প্যারোডিয়া, ব্যারেল, অ্যালো, ঘৃতকুমারী, ঘৃতকাঞ্চন, জেব্রা প্ল্যান্ট, এচিভেরিয়া, এয়ার প্ল্যান্ট, স্যানসেভিরিয়া ও পাথরকুচির মতো গাছ।
শুরুতে ছাদের সৌন্দর্য বাড়াতেই অল্প কিছু চারা সংগ্রহ করেছিলেন তিনি; সময়ের সঙ্গে ঝোঁক ও বিনিয়োগ দুটোই বেড়েছে। এখন ঘরে বসেই চারা বিক্রি হচ্ছে বাণিজ্যিকভাবে।
এ কাজে পাশে আছেন তাঁর স্বামী এনামুল হক বাবু। দেশের নানা প্রান্ত থেকে দুর্লভ প্রজাতির চারা সংগ্রহে তিনি সাহায্য করেন, আর দূরের ক্রেতাদের অনলাইন অর্ডার নেওয়া ও কুরিয়ারে চারা পাঠানোর দায়িত্বও সামলান।
যুথি বলেন, ‘ঘরে বসে যারা নিজে কিছু করতে চান, এই উদ্যোগ তাদের উৎসাহ জোগাবে।’ তাঁর মতে, অনেক নারীর বাইরে গিয়ে কাজ করার সুযোগ থাকে না, সেখানে ছাদবাগান ঘরে বসে স্বাবলম্বী হওয়ার একটি পথ।
ঈশ্বরদী উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আব্দুল মোমিন জানান, কৃষি অফিসের কর্মকর্তারা বাগানটির নিয়মিত খোঁজখবর রাখেন এবং প্রয়োজনে পরামর্শ দেন।
প্রতিবেদন: পাবনা সংবাদদাতা, কৃষি সময়।
সূত্র: কৃষি সময়





মন্তব্য
(০)