যুক্তরাষ্ট্রের আইওয়া অঙ্গরাজ্যে আবাদি জমির দাম গত ছয় মাসে ০.৬ শতাংশ বেড়েছে। আইওয়া রিয়েলটরস ল্যান্ড ইনস্টিটিউটের বছরে দুবারের জরিপে এ তথ্য মিলেছে; আগের জরিপের বৃদ্ধি যোগ করলে বার্ষিক হিসাবে রাজ্যের গড় দাম বেড়েছে প্রায় ১.৯ শতাংশ।
জরিপ পরিচালনাকারী হার্টজ রিয়েল এস্টেট সার্ভিসেসের ম্যাট ভেগটার বলেন, জরিপের উদ্দেশ্য দাম ঠিক করা নয়, প্রবণতা খোঁজা। নয়টি ফসল-প্রতিবেদন অঞ্চলের সাতটিতে দাম স্থির বা ঊর্ধ্বমুখী থাকায় তাঁর মতে বাজার পাশাপাশি চলছে, তবে ওপরে ওঠার চেষ্টা করছে। ছয়টি অঞ্চলে দাম বেড়েছে, একটিতে অপরিবর্তিত, আর নর্থ সেন্ট্রাল ও নর্থওয়েস্টে সামান্য কমেছে। সবচেয়ে বেশি বেড়েছে ইস্ট সেন্ট্রালে, ২.৫ শতাংশ; সবচেয়ে বেশি কমেছে নর্থ সেন্ট্রালে, ১.৩ শতাংশ। বছরের হিসাবে নর্থ সেন্ট্রালে দাম কমেছে ১.৮ শতাংশ, আর ইস্ট সেন্ট্রালে বেড়েছে ৪.৫ ও নর্থইস্টে ৪.৪ শতাংশ।
ভেগটারের ভাষায়, গত ৬০ দিনে ফসলের দাম বাড়ায় বাজারে আশাবাদ এসেছে, তবে জ্বালানি ও সারের দাম আর সুদের হার বাড়ায় তা কিছুটা চাপা পড়ছে। তিনি বলেন, বাড়তি দামের আয় এখনো মাঠেই, ফসল তোলা হয়নি; সামনের ছয় মাসে বেশ কিছু খামার বিক্রির জন্য বাজারে আসছে।
চারণভূমির দাম ছয় মাসে বেড়েছে ১.৯ শতাংশ; মার্চের জরিপে বেড়েছিল ২.৬ শতাংশ। গবাদিপশুর বাজার ভালো থাকায় খামারিদের কাছ থেকে চারণভূমির চাহিদা জোরালো। ইস্ট সেন্ট্রালে বৃদ্ধি ৫.২ শতাংশ, আর একমাত্র সাউথওয়েস্টে কমেছে ০.৩ শতাংশ। বনভূমি ও বিনোদনের জমির দাম বেড়েছে ২.১ শতাংশ, এখানেও এগিয়ে ইস্ট সেন্ট্রাল, ৬ শতাংশ।
জরিপের ইতিহাস বলছে, ২০২০ সালের ১ সেপ্টেম্বর থেকে ২০২৩ সালের ১ মার্চ পর্যন্ত আবাদি জমির দাম বেড়েছিল ৪৪.৩ শতাংশ; পরে ২০২৩ সালের ১ সেপ্টেম্বর থেকে ২০২৫ সালের ১ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত কমে ১০.৫ শতাংশ। এবার আবার বার্ষিক বৃদ্ধি দেখা গেল। জেমসন অ্যান্ডার্স বলেন, ক্রেতারা এখনো সক্রিয়, তবে কোন খামার কিনবেন তা নিয়ে একটু বেশি বাছবিচার করছেন; ভালো খামারে এখনো ভালো দাম উঠছে। প্রতিবেদনটি লিখেছেন মাইক ওয়ালস্টেন।
ছবি: inkknife_2000 / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY-SA 2.0)
সূত্র: Pro Farmer





মন্তব্য
(০)