সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮+০.০%আদা - আমদানিকৃত১৬৭+০.০%আদা - দেশী১৫৪+০.০%আমন চাল - মাঝারি৫৬+০.০%আমন চাল - মোটা৪৮+০.০%আমন চাল - সরু৭২+০.০%আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২+০.০%কাঁচা মরিচ২১৮+০.০%খামারের মুরগী১৬২+০.০%খাসী৯০০+০.০%চিনি (দেশী)১৩২+০.০%ছোলা - গোটা৮৫+০.০%ডিম ফার্ম - লাল৪৭+০.০%পেঁয়াজ - দেশী৬০+০.০%বোরো চাল - মাঝারি৫৫+০.০%বোরো চাল - মোটা৪৭+০.০%বোরো চাল - সরু৬৬+০.০%মাংসঃ– গরু৭২৯+০.০%মুগ ডাল১২২+০.০%রসুন - আমদানিকৃত১৯২+০.০%রসুন - দেশী১৭৩+০.০%সয়াবিন তেল১৬৩+০.০%
হালনাগাদ ৬ অক্টোবর ২০২৬
ঢাকা৩১°মূলত পরিষ্কারআর্দ্রতা ৬২%বাতাস ৫ কিমি/ঘ

পশ্চিম আফ্রিকার ধানি উপত্যকায় পানির পরিকল্পনা করছেন ব্যবহারকারীরাই

মালি, নাইজার ও নাইজেরিয়ার ২১৮টি উপত্যকায় ১,৭৮৯ জনকে নিয়ে তৈরি ১২ ধাপের ‘স্মার্ট ভ্যালিজ’ কাঠামোতে বাঁধ বা নালা তৈরির আগে কৃষকেরা পানির গতিপথ ও জমির দাবি মানচিত্রে আঁকেন।

নিচু উপত্যকায় পানি জমে বলে ধান চাষের জন্য তা উপযোগী, আবার সেই পানিই ব্যবস্থাপনাকে কঠিন করে: এক জমির আইল বা নির্গমপথ পাশের জমির নিষ্কাশন বদলে দিতে পারে, আর পানি নিয়ন্ত্রণ ভালো হলে জমির দামও বাড়ে। সিজিআইএআরের ক্লাইমেট অ্যাকশন কর্মসূচির আওতায় তৈরি নতুন ১২ ধাপের একটি কাঠামো দেখাচ্ছে, কিছু নির্মাণের আগেই কৃষক ও উপত্যকার অন্য ব্যবহারকারীরা কীভাবে একসঙ্গে পানির পরিকল্পনা করবেন।

কাঠামোটি তৈরি হয়েছে মালি, নাইজার ও নাইজেরিয়ার ২১৮টি উপত্যকায় ১,৭৮৯ জন অংশগ্রহণকারীর সঙ্গে কাজ এবং আফ্রিকারাইস ও সহযোগীদের দুই দশকের ‘স্মার্ট ভ্যালিজ’ গবেষণার ভিত্তিতে। এতে কৃষক, পশুপালক, প্রক্রিয়াজাতকারী, ব্যবসায়ী, জমির মালিক ও বর্গাচাষি সবাই থাকেন; নারী ও তরুণেরাও একই আলোচনায় অংশ নেন।

আইল, নালা, প্রবেশপথ বা নির্গমপথ তৈরির আগে অংশগ্রহণকারীরা মানচিত্রে আঁকেন উপত্যকায় পানি কোন পথে যায় আর সেই জমিতে কার কী দাবি, তারপর জলবায়ু ঝুঁকি ও পরস্পরবিরোধী দাবির সঙ্গে মিলিয়ে দেখেন। প্রস্তাবিত কাঠামো রঙিন খুঁটি দিয়ে চিহ্নিত করা হয়, স্থানীয় ব্যবহারকারীরাই নির্মাণ করেন, আর কোথায় পানি জমে বা ভালো নিষ্কাশন হয় দেখে নকশা বদলানো হয়। কাঠামো ব্যবহারের নিয়ম এবং কে নির্মাণ ও রক্ষণাবেক্ষণ করবেন, তা-ও তাঁরা ঠিক করেন।

দেশভেদে ব্যবস্থা আলাদা। মালিতে ১৩টি সমবায় কৃষকদের প্রক্রিয়াজাতকারী ও ব্যবসায়ীদের সঙ্গে যুক্ত করে। নাইজারে উপত্যকার ব্যবহারকারীদের অর্ধেকের কিছু বেশি নারী, পরিচালনায় তাঁদের ভূমিকা কেন্দ্রীয়। নাইজেরিয়ার বাণিজ্যিক উপত্যকাগুলোতে মাঠের ধান চাষে নারীরা কম যুক্ত, সেখানে প্রক্রিয়াজাতকরণ ও ব্যবসা তাঁদের সুযোগ। ব্যবহারকারী কমিটি স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে কাজ করে, আর বহুপক্ষীয় ‘লিভিং ল্যাব’ তাদের জাতীয় ও আঞ্চলিক পর্যায়ের সঙ্গে যুক্ত করে।

উৎপাদনের প্রমাণ আগে থেকেই আছে: পশ্চিম আফ্রিকার সাতটি দেশে গবেষণায় দেখা গেছে, উন্নয়ন করা উপত্যকায় ধানের ফলন হেক্টরপ্রতি গড়ে ২.৫ টন থেকে বেড়ে ৪.৮ টন হয়েছে। তবে সব উপত্যকা উপযোগী নয়; মাটি, নিষ্কাশন, শ্রম, জমির মালিকানা, বাজার আর কৃষক সংগঠনের শক্তির ওপর গ্রহণযোগ্যতা নির্ভর করে, আর স্মার্ট ভ্যালিজ পূর্ণ সেচ নয়, আংশিক ও পরিবর্তনযোগ্য পানি নিয়ন্ত্রণ দেয়।

নতুন কাঠামোর কার্যকারিতা এখনো প্রমাণের অপেক্ষায়। পরিকল্পনা তৈরি হয়েছে, কয়েকটি স্থানে বাস্তবায়ন শুরু হচ্ছে। প্রতিবেদন চূড়ান্ত হওয়ার সময় তিনটি লিভিং ল্যাবের কোনোটিতে ব্যাংক, ক্ষুদ্রঋণ প্রতিষ্ঠান বা বিমা প্রতিষ্ঠান ছিল না। গবেষকদের মতে, সফলতা শুধু ফলন বা কত উপত্যকায় পৌঁছানো গেল দিয়ে নয়, কারা অংশ নিচ্ছেন, কার প্রস্তাবে নকশা হচ্ছে আর সুফল কীভাবে ভাগ হচ্ছে, তা দিয়েও মাপতে হবে।

ছবি: আফ্রিকারাইস

সূত্র: সিজিআইএআর (CGIAR)

CGIARসূত্র

ফসল

সম্পর্কিত খবর

গ্যালারি

একঝলকে ৬ অক্টোবর: ধানের শিশির, নদী-খালে মাছ ধরা, পাট ছাড়ানো আর জলাভূমিতে মহিষ

প্রথম আলোর আলোকচিত্রীদের ৬ অক্টোবরের দিনভর ছবির মধ্যে দেশজুড়ে মাঠ, নদী আর প্রকৃতির দৃশ্যগুলোর বর্ণনা; পাশাপাশি ধানখেতে ইঁদুরের ফাঁদ আর খালে নিষিদ্ধ চায়না দুয়ারি জাল।

প্রথম আলো৬ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
এগ্রোবিজ

ইন্দোনেশিয়ার বাজারে বাংলাদেশি আলু ও পাটের ব্যাগ ঢোকার সুযোগ চাইল ঢাকা

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির ও ইন্দোনেশিয়ার পররাষ্ট্র উপমন্ত্রী আনিস মাত্তার বৈঠকে বাংলাদেশ আলুর বাজার প্রবেশাধিকার, সরকারি ক্রয়ে পাটের ব্যাগ, ওষুধ রপ্তানি ও হালাল খাতে সহযোগিতার প্রস্তাব দিয়েছে।

জাগো নিউজ ২৪৬ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
মতামত

ধান উৎপাদনে খরচ বাড়ছে, কৃষকের ন্যায্যমূল্য কোথায়: প্রদীপ রায় জিতুর বিশ্লেষণ

জাগো নিউজে প্রকাশিত কলামে প্রদীপ রায় জিতু লিখেছেন, ভালো ফলনেও খরচ না উঠলে তা সাফল্য নয়; তিনি সময়মতো সরকারি সংগ্রহ, গ্রামে শুকানো ও গুদামের সুবিধা এবং কৃষকের মোবাইলে বাজারদর পৌঁছানোর কথা বলেছেন।

জাগো নিউজ ২৪৬ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

(০)