ভারতের বাজারে প্রধান দুগ্ধপণ্য রপ্তানিতে নিউজিল্যান্ডকে যে দ্বিতীয় সুযোগের প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল, তা সম্ভবত কাজে আসবে না, জানিয়েছে ফার্মার্স উইকলি এনজেড। গত বছরের শেষে দুই দেশের মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত হলে ভারত যেসব দুগ্ধপণ্যে শুল্ক কমায়, তা নিউজিল্যান্ডের বৈশ্বিক দুগ্ধ বাণিজ্যের মাত্র ৩.৮ শতাংশ।
তখন বাণিজ্যমন্ত্রী টড ম্যাকক্লে ও কর্মকর্তারা একটি পার্শ্বচিঠির কথা বলেছিলেন। তাঁদের দাবি ছিল, ভারত যদি ভবিষ্যতে সমতুল্য কোনো দুগ্ধ রপ্তানিকারক দেশের সঙ্গে চুক্তিতে গুঁড়া দুধের মতো প্রধান পণ্য অন্তর্ভুক্ত করে, তবে নিউজিল্যান্ডের সঙ্গে আলোচনা আবার খোলার আইনি বাধ্যবাধকতা থাকবে।
কিন্তু গত সপ্তাহে প্রকাশিত ভারত-ইউরোপীয় ইউনিয়ন চুক্তির বিস্তারিত বলছে, ইউরোপও প্রধান দুগ্ধপণ্যে কোনো সুযোগ পায়নি। নিউজিল্যান্ডের ডেইরি কোম্পানিজ অ্যাসোসিয়েশনের নির্বাহী পরিচালক কিম্বারলি ক্রুথার বলেন, তারাও আমাদের মতো একই বাদ পড়া তালিকা পেয়েছে।
অস্ট্রেলিয়া ও যুক্তরাজ্যের সঙ্গে ভারতের চুক্তি আগেই হয়েছে, ফলে সমতুল্য রপ্তানিকারক হিসেবে বাকি শুধু যুক্তরাষ্ট্র। কিন্তু পার্শ্বচিঠিতে শর্ত আছে, চুক্তিটি বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার সংজ্ঞা অনুযায়ী মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি হতে হবে, আর ক্রুথারের ভাষায় যুক্তরাষ্ট্র এখন সে ধরনের চুক্তি করে না।
তবে ইইউর চুক্তিতে কিছু বিশেষ পণ্যে ইউরোপ বেশি সুবিধা পেয়েছে: দামি মিল্ক অ্যালবুমিনে শুল্ক অর্ধেক এবং ১০ বছর পর কোটা উঠে যাবে, যেখানে নিউজিল্যান্ডের কোটা অনির্দিষ্টকাল থাকবে; আর খুচরা বিক্রির শিশুখাদ্যে শুল্ক কমেছে, যা নিউজিল্যান্ড পায়নি। আগামী অক্টোবরে চুক্তির প্রথম বর্ষপূর্তির পর্যালোচনায় সমান সুযোগ চাইবেন রপ্তানিকারকেরা। চুক্তিটি আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যকর হচ্ছে ২০ অক্টোবর। প্রতিবেদনটি লিখেছেন নাইজেল স্টার্লিং।
ছবি: Dave Young / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY 2.0)
সূত্র: Farmers Weekly NZ





মন্তব্য
(০)