সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮+০.০%আদা - আমদানিকৃত১৬৭+০.০%আদা - দেশী১৫৪+০.০%আমন চাল - মাঝারি৫৬+০.০%আমন চাল - মোটা৪৮+০.০%আমন চাল - সরু৭২+০.০%আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২+০.০%কাঁচা মরিচ২১৮+০.০%খামারের মুরগী১৬২+০.০%খাসী৯০০+০.০%চিনি (দেশী)১৩২+০.০%ছোলা - গোটা৮৫+০.০%ডিম ফার্ম - লাল৪৭+০.০%পেঁয়াজ - দেশী৬০+০.০%বোরো চাল - মাঝারি৫৫+০.০%বোরো চাল - মোটা৪৭+০.০%বোরো চাল - সরু৬৬+০.০%মাংসঃ– গরু৭২৯+০.০%মুগ ডাল১২২+০.০%রসুন - আমদানিকৃত১৯২+০.০%রসুন - দেশী১৭৩+০.০%সয়াবিন তেল১৬৩+০.০%
হালনাগাদ ৬ অক্টোবর ২০২৬
ঢাকা৩১°মূলত পরিষ্কারআর্দ্রতা ৬২%বাতাস ৫ কিমি/ঘ

বিশ্বের সবচেয়ে দামী মসলা “জাফরান” চাষ করবেন যেভাবে

জাফরান পৃথিবীর অন্যতম দামী মসলা, আদিস্থান গ্রীস। এটা ‘রেড গোল্ড’ নামেও পরিচিত। আসুন আমরা আজ জানব বিশ্বের সবচেয়ে দামী মসলা “জাফরান” চাষ সম্পর্কে।

জাফরান পৃথিবীর অন্যতম দামী মসলা, আদিস্থান গ্রীস। এটা ‘রেড গোল্ড’ নামেও পরিচিত। আসুন আমরা আজ জানব বিশ্বের সবচেয়ে দামী মসলা “জাফরান” চাষ সম্পর্কে।

প্রাচীন যুগে পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলে জাফরানের সুগন্ধ ও উজ্জ্বল রঙের গুরুত্ব অনুধাবন করে এ জাফরান ব্যবহার সম্ভ্রান্ত পরিবারের মধ্যে ব্যাপক প্রচলন ছিল। জাফরানের জনপ্রিয়তা বৃদ্ধি পাওয়ায় তা ধীরে ধীরে কান্দাহার, খোরাসান, কাশ্মীরের বনেদী মহলে ব্যবহারের প্রয়োজনে ভারত উপমহাদেশে এর বিস্তার ঘটে।

জাফরানের ইংরেজি নাম ‘সাফরন’, ক্রোকোআইডি (Crocoideae) পরিবার ভুক্ত। এর বৈজ্ঞানিক নাম : Crocus sativus এ গাছ লম্বায় প্রায় ৩০ সে.মিটার হয়। প্রতি ফুলে ৩টা স্ত্রী অঙ্গ (Stigma) থাকে, তবে তাতে পুরুষ অঙ্গ (Anther) থাকে মাত্র ৩টা। খাবার সু-স্বাদু করার জন্য বিশেষ করে বিরিয়ানী, কাচ্চী, জর্দা ও কালিয়াসহ নানা পদের দামী খাবার তৈরীতে জাফরান ব্যবহার করা হয়।

ইউরোপিও ইউনিয়নভুক্ত অনেক দেশেই জাফরান চাষ প্রচলন আছে। আফগানিস্থান, ইরান, তুরস্ক, গ্রীস, মিশর, চীন এ সব দেশে কম বেশি জাফরানের চাষ হয়ে থাকে। স্পেন ও ভারতের কোন কোন অংশে বিশেষ করে কাশ্মীরে এ ফসলের চাষ অনেক বেশি। তবে অন্য দেশের তুলনায় স্পেনে জাফরান উৎপাদন পরিমাণ অত্যাধিক।

রপ্তানীকারক অন্যতম দেশ হিসাবেও স্পেন সুপরিচিত। বিশ্বের মোট চাহিদার প্রায় শতকরা ৭০ ভাগ জাফরান স্পেন রপ্তানী করে থাকে। যে সব দেশ স্পেন থেকে জাফরান আমদানী করে তাদের মধ্যে জার্মান, ইতালি, আমেরিকা, সুইজারল্যান্ড, ইউকে ও ফ্রান্স অন্যতম। ফুটন্ত ফুলের গর্ভদন্ড (স্টিগমা) সংগ্রহ করে তা থেকে জাফরান প্রাপ্তি একটা ব্যয় বহুল ও প্রচুর শ্রম নির্ভর (লেবার ইনটেনসিভ) কাজ।

বংশ বিস্তার: গাছের মোথা বা বালব (অনেকটা পেঁয়াজের মত) সংগ্রহ করে তা বংশ বিস্তারের কাজে ব্যবহার করা হয়। এক বছর বয়স্ক গাছ থেকে রোপন উপযোগী মাত্র দু’টা মোথা (ইঁষন) পাওয়া যায়। তবে ৩-৪ বছর পর একেক গাছ থেকে ৫-৭টা মোথা পাওয়া যেতে পারে। নূতন জমিতে রোপন করতে হলে ৩-৪ বছর বয়স্ক গাছ থেকে মোথা সংগ্রহ করে তা জমিতে রোপন করতে হবে। একই জমিতে ৩-৪ বছরের বেশি ফসল রাখা ঠিক নয়। মোথা বা বালব উঠিয়ে নূতন ভাবে চাষ ব্যবস্থা নেয়া প্রয়োজন।

জমি নির্বাচন: প্রায় সব ধরনের জমিতে জাফরান ফলানো যায়। তবে বেলে-দোঁআশ মাটি এ ফসল চাষে বেশি উপযোগী। এঁটেল মাটিতে জাফরানের বাড় বাড়ন্ত ভাল হয় না, তবে এ ধরনের মাটিতে কিছু পরিমান বালু ও বেশি পরিমাণ জৈব সার মিশিয়ে এ মাটিকে উপযোগী করা যায়। জলাবদ্ধ সহনশীলতা এ ফসলের একেবারেই নেই।

এ জন্য পানি নিষ্কাশন সুবিধাযুক্ত উঁচু বা মাঝারী উঁচু জমি এ ফসল চাষের জন্য নির্বাচনে প্রাধান্য দেয়া প্রয়োজন। মাটির পি এইচ ৬-৮ হলে বেশি ভাল হয়। ছায়া বা আধা ছায়ায় এ ফসল ভাল হয় না। পর্যাপ্ত রোদ ও আলো-বাতাস প্রাপ্তি সুবিধা আছে এমন স্থানে এ ফসল আবাদ ব্যবস্থা নিতে হবে।

পরিবারিক প্রয়োজন মেটাতে সাধারণত বাগানের বর্ডার এলাকাতে এ ফসল চাষ প্রচলন আছে। অনেকে ছাদে, পটে বা ছোট ‘বেড’ তৈরী করে নিয়েও সেখানে সীমিত আকারে জাফরান চাষ করে পরিবারের চাহিদা পূরণ করে থাকে। অনেকে এক মিটার চওড়া ও তিন মিটার লম্বা এবং ১৫ সে.মিটার উঁচু বীজতলা তৈরী করে নিয়ে তাতে জাফরান চাষ করে থাকে। এ ব্যবস্থায় পরিচর্যা গ্রহন ও ফুল থেকে স্টিগমা (গর্ভদন্ড) সংগ্রহ করা সুবিধা হয়। বাণিজ্যিকভাবে চাষের ক্ষেত্রে বীজতলার আকার লম্বায় ৮-১০ মিটার করা হয়।

চাষ পদ্ধতি: তৈরী বীজ তলা সরেজমিন হতে প্রায় ১৫ সে.মিটার উঁচু হবে। প্রতিটা জাফরানের বালব বা মোথা ১০-১২ সে.মিটার দূরত্বে ছোট গর্ত তৈরী করে তা ১২-১৫ সে.মিটার গভীরতায় রোপন করতে হবে। তাতে এ মাপের বীজ তলার জন্য প্রায় ১৫০টা জাফরানের মোথার প্রয়োজন হয়। বর্ষা শেষ হওয়ার পূর্বক্ষণে জুলাই- আগষ্ট মাসে এ ফসলের মোথা বা বালব (ইঁষন) রোপন করা হয়।

নিজস্ব প্রতিনিধিদা এগ্রো নিউজ

ফসল

সম্পর্কিত খবর

এগ্রোবিজ

ইন্দোনেশিয়ার বাজারে বাংলাদেশি আলু ও পাটের ব্যাগ ঢোকার সুযোগ চাইল ঢাকা

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির ও ইন্দোনেশিয়ার পররাষ্ট্র উপমন্ত্রী আনিস মাত্তার বৈঠকে বাংলাদেশ আলুর বাজার প্রবেশাধিকার, সরকারি ক্রয়ে পাটের ব্যাগ, ওষুধ রপ্তানি ও হালাল খাতে সহযোগিতার প্রস্তাব দিয়েছে।

জাগো নিউজ ২৪৬ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
মতামত

ধান উৎপাদনে খরচ বাড়ছে, কৃষকের ন্যায্যমূল্য কোথায়: প্রদীপ রায় জিতুর বিশ্লেষণ

জাগো নিউজে প্রকাশিত কলামে প্রদীপ রায় জিতু লিখেছেন, ভালো ফলনেও খরচ না উঠলে তা সাফল্য নয়; তিনি সময়মতো সরকারি সংগ্রহ, গ্রামে শুকানো ও গুদামের সুবিধা এবং কৃষকের মোবাইলে বাজারদর পৌঁছানোর কথা বলেছেন।

জাগো নিউজ ২৪৬ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
ফসল

সরকার সরে যাওয়ায় গমের নতুন জাত উদ্ভাবনে নিজেরাই সংস্থা গড়ার কথা ভাবছেন কানাডার কৃষকেরা

কানাডার কৃষি বিভাগ জাত উদ্ভাবনের শুধু প্রাথমিক ধাপে মনোযোগ দেওয়ায় গম ও বার্লি গবেষণা জোট হাত মিলিয়েছে; নতুন জাতের ধারা চালু রাখতে কৃষক পরিচালিত একটি সংস্থার কথা ভাবছে তারা।

Manitoba Co-operator৬ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

(০)