বহুল ব্যবহৃত আগাছানাশক গ্লাইফোসেটের চলমান পর্যালোচনায় বৈজ্ঞানিক সহযোগিতার জন্য সমঝোতা স্মারক সই করেছে যুক্তরাষ্ট্রের পরিবেশ সুরক্ষা সংস্থা (ইপিএ) ও স্বাস্থ্য ও মানবসেবা বিভাগ (এইচএইচএস)।
চুক্তি অনুযায়ী সংস্থা দুটি বৈজ্ঞানিক তথ্য বিনিময় করবে, অমীমাংসিত গবেষণা প্রশ্ন চিহ্নিত করবে এবং মানবস্বাস্থ্যে সম্ভাব্য প্রভাব নিয়ে বাড়তি গবেষণা সমন্বয় করবে। বালাইনাশক নিবন্ধনের একক দায়িত্ব ইপিএ-রই থাকছে; কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এতে কোনো সংস্থা নতুন আইনি ক্ষমতা পাচ্ছে না, আর পর্যালোচনার ফলও আগে থেকে নির্ধারিত নয়।
ইপিএ প্রশাসক লি জেলডিন বলেন, "এই চুক্তি আমাদের বিজ্ঞানীদের এইচএইচএস-এর গবেষণা সক্ষমতায় প্রবেশাধিকার দেবে, যা তথ্যভান্ডারের সম্ভাব্য ঘাটতি পূরণ করবে।" তিনি জানান, সেই গবেষণার ফল অন্য যেকোনো প্রমাণের মতোই বিবেচনা করা হবে।
একটি কারিগরি কার্যদল গঠিত হবে, যেখানে থাকবেন ইপিএ-র বালাইনাশক কর্মসূচি দপ্তর এবং ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব এনভায়রনমেন্টাল হেলথ সায়েন্সেস, ন্যাশনাল টক্সিকোলজি প্রোগ্রাম, ন্যাশনাল ক্যানসার ইনস্টিটিউট, নিয়োশ, সিডিসি ও এফডিএ-র বিশেষজ্ঞরা।
গবেষণায় থাকবে গ্লাইফোসেটের ফর্মুলেশন ও সারফ্যাক্ট্যান্ট, কর্মক্ষেত্রে সংস্পর্শ, মানবদেহে মাত্রা পরিমাপ, খাদ্যের মাধ্যমে সংস্পর্শ ও বিষবিদ্যা; আগের মূল্যায়নের পর প্রকাশিত গবেষণাপত্রও পর্যালোচনা করবে ইপিএ। হালনাগাদ মূল্যায়নে ক্যানসার, জিনগত ক্ষতি এবং প্রজনন ও বিকাশসংক্রান্ত প্রমাণ বিবেচনা হবে, অণুজীবজগতের (মাইক্রোবায়োম) মতো নতুন প্রশ্নও উঠে আসবে।
কার্যদলের নথি প্রয়োজনমতো ইপিএ-র উন্মুক্ত ডকেটে প্রকাশ করা হবে, সুরক্ষিত তথ্য গোপন থাকবে। আগাছা দমনে বহু চাষির ভরসা এই রাসায়নিকের নিবন্ধন পর্যালোচনার সিদ্ধান্ত ইপিএ-র হাতেই থাকছে।
সূত্র: Farms.com




মন্তব্য
(০)