যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধি পরিষদের কৃষি কমিটির চেয়ারম্যান গ্লেন জিটি থম্পসন বলেছেন, আরেকটি সময়সীমা পেরিয়ে গেলেও নতুন ফার্ম বিল বছর শেষের আগেই প্রেসিডেন্টের টেবিলে পৌঁছাবে বলে তিনি আশাবাদী। উইসকনসিনের ম্যাডিসনে ওয়ার্ল্ড ডেইরি এক্সপোতে ফার্ম অ্যান্ড র্যাঞ্চ মিডিয়ার সুজান লিটলফিল্ডকে তিনি এ কথা বলেন, জানিয়েছে আমেরিকান অ্যাগ নেটওয়ার্ক।
থম্পসনের মতে, সিনেটের বিল প্রতিনিধি পরিষদের বিলের খুব কাছাকাছি: ১২টি অধ্যায়ের ১১টিতেই সামান্য সংশোধন ছাড়া একই। মতবিরোধ কেবল পুষ্টি সহায়তা অধ্যায়ে। নির্বাচনের পর সমঝোতা হবে বলে তিনি মনে করেন, আর প্রতিনিধি পরিষদকে বড় ছাড় দিতে হবে না বলেও তাঁর ধারণা।
এক্সপোতে দুগ্ধ খামারিদের সঙ্গে গোলটেবিলে সবার আগে ও সবচেয়ে বেশি উঠেছে জ্বালানির দাম। থম্পসন বলেন, ডিজেলের দাম ভয়াবহ, আর খামারের সব পণ্য খাদ্য সরবরাহ শৃঙ্খলের নানা ধাপে ট্রাকে যায় বলে এর চাপ ভোক্তার ওপরও পড়ে।
দ্বিতীয় বড় বিষয় ছিল শ্রমিক। থম্পসন বলেন, দুগ্ধ খামারে সারা বছর লম্বা সময় কাজ করতে হয়, কারণ গাভির দুধ দোয়ানো বন্ধ রাখা যায় না। খামারের শ্রমিক হতে হবে নির্ভরযোগ্য, বৈধ ও সাশ্রয়ী, আর এর সমাধান হিসেবে তিনি দুই দলের সমর্থনে তৈরি সিকিউরিং অ্যাগ্রিকালচারাল ওয়ার্কফোর্স অ্যাক্টের কথা বলেন। তাঁর ভাষায়, এতে মাংস প্রক্রিয়াজাত কারখানায় জবাইয়ের ধাপ থেকে পেছনের কাজগুলো এইচ-২এ ভিসার যোগ্য হবে, যদিও খাদ্য উৎপাদন ও প্রক্রিয়াজাতকরণের কাজ হবে না।
খামার ও কারখানায় অভিবাসন অভিযান নিয়ে প্রশ্নে থম্পসন বলেন, অপরাধীদের সরানোয় তাঁর আপত্তি নেই, তবে অভিবাসন ও শুল্ক প্রয়োগ সংস্থার সব পদক্ষেপের সঙ্গে তিনি একমত নন; যাঁদের সাময়িক সুরক্ষিত মর্যাদা রাতারাতি বাতিল হয়েছে, তাঁরাও ধরা পড়ছেন। বিষয়টি তিনি স্বরাষ্ট্র নিরাপত্তামন্ত্রীর কাছে তুলেছেন এবং যেসব শ্রমিকের বৈধ মর্যাদার মেয়াদ শেষ হয়েছে, তাঁদের জন্য অন্য বৈধ পথ খুঁজতে নিয়োগকর্তাদের পরামর্শ দিয়েছেন।
ছবি: United States Congress / উইকিমিডিয়া কমন্স (Public domain)
সূত্র: American Ag Network





মন্তব্য
(০)