সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮—আদা - আমদানিকৃত১৬৭—আদা - দেশী১৫৪—আমন চাল - মাঝারি৫৬—আমন চাল - মোটা৪৮—আমন চাল - সরু৭২—আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২—কাঁচা মরিচ২১৮—খামারের মুরগী১৬২—খাসী৯০০—চিনি (দেশী)১৩২—ছোলা - গোটা৮৫—ডিম ফার্ম - লাল৪৭—পেঁয়াজ - দেশী৬০—বোরো চাল - মাঝারি৫৫—বোরো চাল - মোটা৪৭—বোরো চাল - সরু৬৬—মাংসঃ– গরু৭২৯—মুগ ডাল১২২—রসুন - আমদানিকৃত১৯২—রসুন - দেশী১৭৩—সয়াবিন তেল১৬৩—
হালনাগাদ ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ঢাকা৩২°পরিষ্কার আকাশআর্দ্রতা ৬২%বাতাস ১০ কিমি/ঘ

মতামত: বছরে ৩৫ লাখ টন খাবার নষ্ট, অথচ ক্ষুধা মেটেনি

খাদ্য অপচয় ও ক্ষতি বিষয়ক আন্তর্জাতিক সচেতনতা দিবসে গবেষক পাভেল পার্থ লিখেছেন, দেশে বছরে প্রায় ৩৫ লাখ টন খাবার নষ্ট হয়, মাথাপিছু প্রায় ৮২ কেজি; রাষ্ট্রীয় রোডম্যাপ দরকার।

মতামত

প্রতিবেশ ও প্রাণবৈচিত্র্য বিষয়ক গবেষক পাভেল পার্থ ঢাকা পোস্টে লেখা এক কলামে প্রশ্ন তুলেছেন, ক্ষুধার এই দুনিয়ায় এত খাবার নষ্ট হয় কেন। জাতিসংঘের পরিবেশ কর্মসূচির (ইউএনইপি) 'খাদ্য বর্জ্য সূচক প্রতিবেদন ২০২৪' উদ্ধৃত করে তিনি লিখেছেন, দেশে বছরে প্রায় ৩৫ লাখ টন খাদ্য অপচয় বা নষ্ট হয়; ৫০ কেজির বস্তায় তা প্রায় ৭ কোটি বস্তা। মাথাপিছু বার্ষিক অপচয় প্রায় ৮২ কেজি।

বিশ্বব্যাংক ও সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের 'বাংলাদেশ খাদ্য ক্ষয় ও অপচয় ডায়াগনস্টিক' অনুযায়ী দেশের মোট খাদ্যের ৩৪ শতাংশই নষ্ট হয়: চালের ২৩ শতাংশ, মাছের ৩৬ শতাংশ আর আমের ২৯ শতাংশ। এর আর্থিক মূল্য প্রায় ২৪০ কোটি মার্কিন ডলার বলে উল্লেখ করেছেন লেখক।

বৈশ্বিক চিত্রও তিনি তুলে ধরেছেন। এফএও, ইফাদ, ইউনিসেফ, ডব্লিউএফপি ও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ২০২৬ সালের প্রতিবেদনে ২০২৫ সালে প্রায় ৬৪ কোটি মানুষ ক্ষুধার মধ্যে ছিল, যা বিশ্বের জনসংখ্যার প্রায় ৭ শতাংশ। জাতিসংঘের হিসাবে বিশ্বে উৎপাদিত খাদ্যের পাঁচ ভাগের এক ভাগ অপচয় হয়। আর এফএওর প্রতিবেদন বলছে, এ বছরের শেষ দিকে দেশে প্রায় ১ কোটি ৮১ লাখ মানুষ তীব্র খাদ্য নিরাপত্তাহীনতায় পড়তে পারে।

লেখকের মতে, অপচয়ের বড় অংশ কাঠামোগত: দুর্বল সংরক্ষণ ও প্রক্রিয়াজাতকরণের অভাবে মাঠেই ফসল নষ্ট হয়, মৌসুমে দাম না পেয়ে কৃষক দুধ ঢেলে বা টমেটো-পেঁয়াজ নষ্ট করে প্রতিবাদ জানান, আর পাহাড়, মধুপুর, উপকূলের আম, আনারস, পেঁপে, পেয়ারা সংরক্ষণাগারের অভাবে নষ্ট হয়। শহরের অনুষ্ঠান, হোটেল-রেস্তোরাঁ ও বুফেতে পারিবারিক অপচয়ও বাড়ছে। ক্ষুধা ও অভাবে মৃত্যুর কয়েকটি ঘটনাও মনে করিয়ে দিয়েছেন তিনি।

২০১৯ সালে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ ২৯ সেপ্টেম্বরকে খাদ্য অপচয় ও ক্ষতি হ্রাস বিষয়ক আন্তর্জাতিক সচেতনতা দিবস ঘোষণা করে। টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা ১২.৩-এ ২০৩০ সালের মধ্যে খাদ্য অপচয় অর্ধেকে নামানোর অঙ্গীকার আছে, আর 'জাতীয় খাদ্য ও পুষ্টি নিরাপত্তা নীতি ২০২০'-এ বহুমুখী উদ্যোগের কথা বলা হয়েছে।

লেখক খাদ্য অপচয় রোধে একটি জাতীয় রোডম্যাপ, শৈশব থেকে খাবার না নষ্ট করার শিক্ষা এবং সরকারি ও সামাজিক অনুষ্ঠানে দায়িত্বশীল পরিকল্পনার আহ্বান জানিয়েছেন। মতামত লেখকের নিজস্ব।

ছবি: Muu-karhu / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY-SA 3.0)

সূত্র: ঢাকা পোস্ট

ঢাকা পোস্টদা এগ্রো নিউজ

মতামত

সম্পর্কিত খবর

মতামত

মতামত: আয়ারল্যান্ডের সাকলার গাভীর পাল বাড়াতে সরকারি সহায়তা চাই

এগ্রিল্যান্ডের কলাম লেখক রিচার্ড হ্যালেরন লিখেছেন, বিফ ওয়েলফেয়ার স্কিম আইরিশ বাছুরের মান বদলে দিয়েছে; এখন সরকারের উচিত সাকলার গাভীর সংখ্যা ধরে রেখে ধীরে ধীরে বাড়াতে সাহায্য করা।

Agriland২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬১ মিনিটের পড়া
মতামত

মতামত: পুরস্কারের চেয়ে বড় প্রদর্শনী মাঠের চারপাশের মানুষ

এজিডেইলির সহযোগী সম্পাদক হেইডি ক্রনকোভিচ লিখেছেন, কাউন্টি মেলার গবাদিপশু প্রদর্শনী শিশুদের দায়িত্ববোধ ও সৌজন্য শেখায়, তাই নিয়ম আর ফলাফল নিয়ে বিবাদে জড়ানো বড়দের মনে রাখা দরকার শিশুরা দেখছে।

AGDAILY২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬১ মিনিটের পড়া
মতামত

মতামত: কৃষি গবেষণার ডিজিটাল রূপান্তর মানে বিদ্যমান প্রযুক্তিকে জোড়া লাগানো

ইক্রিস্যাট ও ইরি ঘুরে সিজিআইএআরের ডিজিটাল ট্রান্সফরমেশন অ্যাক্সিলারেটরের পরিচালক রাম কিরণ ধুলিপালা লিখেছেন, গবেষণাকেন্দ্রগুলোতে ডিজিটাল টুলের অভাব নেই, এখন দরকার সেগুলো জোড়া লাগানোর অভিন্ন অবকাঠামো ও মানদণ্ড।

CGIAR২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬২ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

(০)
মতামত: বছরে ৩৫ লাখ টন খাবার নষ্ট, অথচ ক্ষুধা মেটেনি | দা এগ্রো নিউজ