বালাইনাশক প্রতিষ্ঠান এফএমসি করপোরেশন ব্রাজিলের নিয়ন্ত্রক সংস্থার কাছে রিমিসক্সাফেন (rimisoxafen) আগাছানাশকের নিবন্ধন নথি জমা দিয়েছে; যুক্তরাষ্ট্রের পরিবেশ সুরক্ষা সংস্থার পর এটি দ্বিতীয় আবেদন। এফএমসির দাবি, এটি প্রথম ও একমাত্র দ্বৈত কার্যপদ্ধতির আগাছানাশক; হার্বিসাইড রেজিস্ট্যান্স অ্যাকশন কমিটির শ্রেণিবিন্যাসে এটি গ্রুপ ১২ ও ৩২-এর।
ব্রাজিলে প্রায় ৫ কোটি হেক্টরে সয়াবিন ও ২ কোটি হেক্টরের বেশি জমিতে ভুট্টা চাষ হয়, আর চাষিরা গ্লাইফোসেট ও এএলএস প্রতিরোধী অ্যামারান্থাস হাইব্রিডাস এবং অ্যামারান্থাস পামেরির মতো চওড়া পাতার আগাছার সমস্যায় ভুগছেন। প্রতিষ্ঠানের মাঠ পরীক্ষায় অন্য আগাছানাশক-প্রতিরোধী ছোট বীজের চওড়া পাতার আগাছার বিরুদ্ধেও এটি কার্যকর দেখা গেছে বলে এফএমসির দাবি।
এফএমসির ভাইস প্রেসিডেন্ট লিওনার্দো বাস্তোস বলেন, ব্রাজিলের চাষিরা জটিল আগাছা প্রতিরোধের সমস্যায় আছেন, যার জন্য নতুন সমাধান দরকার। ব্রাজিলে এটি এফএমসির তৃতীয় নতুন আগাছানাশক উপাদানের আবেদন। কোথাও এখনো এটি বিক্রি বা ব্যবহারের অনুমোদন পায়নি।
ছবি: Yercaud-elango / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY-SA 4.0)
সূত্র: AgroPages





মন্তব্য
(০)