সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮আদা - আমদানিকৃত১৬৭আদা - দেশী১৫৪আমন চাল - মাঝারি৫৬আমন চাল - মোটা৪৮আমন চাল - সরু৭২আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২কাঁচা মরিচ২১৮খামারের মুরগী১৬২খাসী৯০০চিনি (দেশী)১৩২ছোলা - গোটা৮৫ডিম ফার্ম - লাল৪৭পেঁয়াজ - দেশী৬০বোরো চাল - মাঝারি৫৫বোরো চাল - মোটা৪৭বোরো চাল - সরু৬৬মাংসঃ– গরু৭২৯মুগ ডাল১২২রসুন - আমদানিকৃত১৯২রসুন - দেশী১৭৩সয়াবিন তেল১৬৩
হালনাগাদ ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ঢাকা২৯°হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনাআর্দ্রতা ৭৮%বাতাস কিমি/ঘবৃষ্টি ০.২ মিমি

বগুড়ায় কোরবানির মাংসের কেজি ৮০০

কোরবানির দিন দুপুরে বগুড়া শহরের রেলঘুমটি, থানা মোড় কিংবা সাতমাথা এলাকায় দেখা মেলে এক ভিন্ন চিত্রের। উৎসবের আমেজের মধ্যেই এসব স্থানে বসে কোরবানির সংগৃহীত মাংসের অস্থায়ী বাজার। প্রতি বছর কোরবানি দিতে না পারা মধ্যবিত্ত ও নিম্ন আয়ের মানুষের জন্য এই বাজার কিছুটা স্বস্তি এনে দিলেও এবার সেই চিত্র ভিন্ন। এব

লাইভস্টক

কোরবানির দিন দুপুরে বগুড়া শহরের রেলঘুমটি, থানা মোড় কিংবা সাতমাথা এলাকায় দেখা মেলে এক ভিন্ন চিত্রের। উৎসবের আমেজের মধ্যেই এসব স্থানে বসে কোরবানির সংগৃহীত মাংসের অস্থায়ী বাজার। প্রতি বছর কোরবানি দিতে না পারা মধ্যবিত্ত ও নিম্ন আয়ের মানুষের জন্য এই বাজার কিছুটা স্বস্তি এনে দিলেও এবার সেই চিত্র ভিন্ন। এবার ৮০০ টাকা কেজিদরে বিক্রি হচ্ছে কোরবানির মাংস, যা অনেকের নাগালের বাইরেই থেকে যাচ্ছে।

জানা গেছে, এই অস্থায়ী বাজারে যারা মাংস বিক্রি করতে এসেছেন, তাদের অধিকাংশই শহরের চকসূত্রাপুর এবং গাবতলী, সোনাতলাসহ আশেপাশের উপজেলার বাসিন্দা। কেউ বিভিন্ন বাড়ি থেকে মাংস সংগ্রহ করে এনেছেন, আবার কেউ কসাইয়ের সহকারী হিসেবে কাজ করে পারিশ্রমিক হিসেবে পাওয়া অতিরিক্ত মাংস এখানে বিক্রি করতে এসেছেন।

রেলঘুমটি এলাকায় মাংসের পসরা নিয়ে বসেছেন ব্যবসায়ী রিপন মণ্ডল। তিনি বলেন, গতবারের মতো এবার ব্যবসা হচ্ছে না। মানুষের কামাই-রুজি কম, তাই কোরবানিও অনেক কম হয়েছে। গতবার ৫০০-৫৫০ টাকায় মাংস কিনে ৭০০ টাকায় বিক্রি করেছি। আর এবার আমাদেরই কিনতে হচ্ছে ৭৫০ টাকায়, খোলা বাজারে বিক্রি করছি ৮০০ টাকায়। চড়া দামের কারণে আমরাই চাহিদামতো মাংস পাচ্ছি না।

এই বাজারে মাংসের ক্রেতাদের একটা বড় অংশই শহরের মধ্যবিত্ত ও চাকরিজীবী পরিবার, যারা নানা সংকটে এবার কোরবানি দিতে পারেননি। এমন একজন বেসরকারি চাকরিজীবী আরিফ হাসান ঈদের ছুটিতে বাড়ি যেতে পারেননি। আশেপাশে আত্মীয়-স্বজন না থাকায় বন্ধু-বান্ধব বা অফিসের কলিগদের একটু আপ্যায়ন করার তাগিদেই এসেছেন মাংস কিনতে।

ব্যবসায়ী শেখ মো. তৌহিদুল ইসলাম বলেন, যারা মাংস কিনতে আসছেন তারা মূলত মধ্যবিত্ত চাকরিজীবী। আমরা কেজিতে ২০-৩০ টাকা লাভে ৮০০ টাকা দরে মাংস বিক্রি করে দিচ্ছি। এতে তাদেরও সুবিধা হচ্ছে, আবার যারা বিক্রি করছে তাদেরও উৎসবের দিনে কিছু বাড়তি টাকা আসছে।

এদিকে মাংসের এই দামে ক্ষুব্ধ ও হতাশ ক্রেতারা। বাজারে মাংস কিনতে আসা শামিম আহম্মেদ নামের এক ক্রেতা বলেন, এখানে মাংসের কেজি সরাসরি ৮০০ টাকা চাচ্ছে। এত দামে মাংস কেনা আমাদের পক্ষে সম্ভব না। এর চেয়ে কসাইয়ের দোকান থেকে ৭৫০ টাকা কেজি দরে মাংস কেনা অনেক ভালো।

আরেক ক্রেতা আজিজার বলেন, অন্যান্য দিন যে মাংস ৭০০-৭৫০ টাকায় পাওয়া যায়, আজ অস্থায়ী হাটে তা কিনতে হচ্ছে ৮০০ টাকায়। মাংসের দাম তো বেশিই, তার ওপর চাহিদামতো পাওয়াও যাচ্ছে না। যারা নিয়মিত কেনা-বেচা করে, সব মাংস তারাই আগেভাগে নিয়ে নিচ্ছে। আমাদের মতো সাধারণ ক্রেতারা খালি হাতে ফিরছে।

এলবি/এনএইচআর/জেআইএম

জাগো নিউজ ২৪দা এগ্রো নিউজ

লাইভস্টক

সম্পর্কিত খবর

বাজার ব্যবস্থাপনা

ঢাকার বাজারে আটা-ময়দার দাম বাড়ল, মুরগি ও ডিম এখনো চড়া

এক মাসে খোলা আটার কেজিতে ৫ টাকা ও ময়দায় ১০ টাকা বেড়েছে; ব্রয়লার মুরগি ১৯০–২০০ টাকা কেজি আর ডিম ডজন ১৫০ টাকায় আটকে আছে দেড় মাস ধরে।

প্রথম আলো১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
লাইভস্টক

দুগ্ধ চেকঅফের অর্থ আর ইএসজি কর্মসূচিতে ব্যয় করা যাবে না, ঘোষণা ইউএসডিএর

যুক্তরাষ্ট্রের কৃষি বিভাগ দুগ্ধ চেকঅফ তহবিল থেকে পরিবেশ, সামাজিক ও সুশাসন (ইএসজি) উদ্যোগে অর্থায়ন বন্ধ করেছে এবং অন্য সব পণ্যের চেকঅফেও একই নিয়ম প্রয়োগের নির্দেশ দিয়েছে।

usda১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
ফসল

খাদ্য সংকটে হাইতির ১৩ হাজার পরিবারে পৌঁছাচ্ছে বীজ ও ছোট গবাদিপশু

আঞ্চলিক মানবিক তহবিলের অর্থায়নে এফএওর জরুরি খাদ্য উৎপাদন কর্মসূচি হাইতির তিনটি সবচেয়ে সংকটাপন্ন বিভাগে ২০৫ টনের বেশি বীজ ও ১ লাখ ৬০ হাজারের বেশি ছোট প্রাণী বিতরণ করছে।

এফএও নিউজরুম১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬২ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

()