১,৬০০ হেক্টর ঢেউখেলানো পাহাড়ি জমি পায়ে হেঁটে জরিপ করা যায়, তবে আকাশ থেকে অনেক সহজ। ব্যাংকস পেনিনসুলা কনজারভেশন ট্রাস্টের (BPCT) খামার-জীববৈচিত্র্য দলের জেমস রাইট (James Wright) আরএনজেডের ‘কান্ট্রি লাইফ’-কে বলেন, তাঁদের নতুন ড্রোনটি খামারে ব্যবহার হয় ‘ওপর থেকে দেশি জীববৈচিত্র্য ধরার’ কাজে—তিনি উড়াচ্ছিলেন পোর্ট লেভিতে টিম কুপের (Tim Coop) বিশাল ভেড়া ও গরুর খামারের ওপর।
কুপের খামারে টিকে আছে আদি দেশি উদ্ভিদের অবশেষ, যার মধ্যে এক ঢালে পুরোনো তোতারা গাছের সারি—কুপের ভাষায় ‘শেষ কয়েকটি দৈত্য’, যা যতটা সম্ভব রক্ষা করতে চান তিনি। রাইট ড্রোন চালান, সহকর্মী জশ ফস্টার (Josh Foster) দূরবীনে নজর রাখেন কোনো পাখি তেড়ে আসে কি না; ছবির সঙ্গে পায়ে হেঁটে জরিপ ও ই-ডিএনএ পরীক্ষা মিলিয়ে ট্রাস্ট প্রতিটি কৃষককে জানায় তাঁর জমিতে কী কী প্রাণ আছে।
নিজের জমিতে চতুর্থ প্রজন্মের কৃষক কুপ বলেন, খামারের গাছপালার মিশ্রণ বোঝার ‘প্রাথমিক পর্যায়ে’ আছেন তিনি: ‘ওপর থেকে না দেখলে বোঝাই যায় না কতটা ফিরে আসে।’
একই পদ্ধতিতে নথিবদ্ধ হচ্ছে তে আহু পাতিকির পুনরুদ্ধার—৫০০ হেক্টরের সাবেক খামার, এখন জনসাধারণের পার্ক ও দেশি উদ্ভিদ পুনর্বাসন প্রকল্প, যা উপদ্বীপের সর্বোচ্চ চূড়া থেকে মাউন্ট ব্র্যাডলি পর্যন্ত বিস্তৃত। ফেব্রুয়ারির মাঝামাঝি ভারী বন্যা পার্কের কিছু অংশে ‘নখের আঁচড়ের’ মতো দাগ কাটার দুই সপ্তাহ আগে ট্রাস্ট এলাকাটি জরিপ করেছিল; সমন্বয়ক সারা অ্যান্ডারসন (Sarah Anderson) বলেন, এখন কয়েক বছর পরপর ফিরে এসে খালি জমি থেকে দেশি গাছ কীভাবে ফেরে তার মানচিত্র করা যাবে।
খামার-জীববৈচিত্র্য কর্মসূচি শুরু ২০২৩ সালে, তবে ট্রাস্টটি ২০০১ সালে একদল কৃষকের হাতে গড়া, এ বছর ২৫ বছর পূর্ণ করছে। ফস্টার বলেন, কৃষকের সঙ্গে সমান তলে কথা বলার সহযোগী ধরনই ব্যক্তিগত জমিতে দীর্ঘমেয়াদি অগ্রগতি সম্ভব করে। কুপের কথায়, ‘সম্পর্কটা খুবই শ্রদ্ধার। লাঠি কখনো নয়—লাঠিতে কাজ হয় না, গাজরেই হয়।’ প্রতিবেদনটি প্রথম প্রকাশ করে আরএনজেড, লিখেছেন অনিশা সত্য (Anisha Satya)।
সূত্র: Farmers Weekly NZ

মন্তব্য
(০)