সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮আদা - আমদানিকৃত১৬৭আদা - দেশী১৫৪আমন চাল - মাঝারি৫৬আমন চাল - মোটা৪৮আমন চাল - সরু৭২আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২কাঁচা মরিচ২১৮খামারের মুরগী১৬২খাসী৯০০চিনি (দেশী)১৩২ছোলা - গোটা৮৫ডিম ফার্ম - লাল৪৭পেঁয়াজ - দেশী৬০বোরো চাল - মাঝারি৫৫বোরো চাল - মোটা৪৭বোরো চাল - সরু৬৬মাংসঃ– গরু৭২৯মুগ ডাল১২২রসুন - আমদানিকৃত১৯২রসুন - দেশী১৭৩সয়াবিন তেল১৬৩
হালনাগাদ ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ঢাকা৩০°আংশিক মেঘলাআর্দ্রতা ৮৫%বাতাস কিমি/ঘ

ইলিশ ও দেশীয় মাছ আমদানি নিয়ন্ত্রণে মৎস্য অধিদপ্তরের দুই চিঠি ফাইলবন্দি মন্ত্রণালয়ে

২০২৫ সালের ১২ অক্টোবর ও ২০২৬ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর মৎস্য অধিদপ্তর রুই, কাতলা, বোয়াল ও ইলিশ আমদানি নিয়ন্ত্রণের সুপারিশ পাঠালেও মন্ত্রণালয়ে কার্যকর উদ্যোগ নেই; বেনাপোল দিয়ে চলতি অর্থবছরে ৪৫০ টন ইলিশ এসেছে, আর ডিজি খালেদ কনক বলছেন শেষ হওয়া ৪৩১ কোটি টাকার ইলিশ প্রকল্পের অনিয়ম খতিয়ে দেখা উচিত।

মৎস্য

ইলিশসহ রুই, কাতলা, আইড় ও বোয়ালের মতো দেশীয় মাছ আমদানি না করে অভ্যন্তরীণ উৎপাদন বাড়ানোর সুপারিশ বারবার মন্ত্রণালয়ে পাঠিয়েছে মৎস্য অধিদপ্তর, কিন্তু কার্যকর কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। ঢাকা পোস্টের প্রতিবেদক মুছা মল্লিকের অনুসন্ধানী প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২৫ সালের ১২ অক্টোবর তৎকালীন মহাপরিচালক আবদুর রউফ স্বাক্ষরিত চিঠিতে দেশীয় মাছের আমদানি নিয়ন্ত্রণ ও ইলিশ উৎপাদন বৃদ্ধির ব্যবস্থা নিতে অনুরোধ করা হয়।

চিঠিতে বলা হয়, ২০২৩-২৪ অর্থবছরে দেশে ৫০ দশমিক ১৮ লাখ টন মাছ উৎপাদিত হয়েছে, যার ৩৭ দশমিক ০৬ শতাংশ (১৮ দশমিক ৬০ লাখ টন) কার্পজাতীয়; ২০২৪-২৫ অর্থবছরে ৯০ হাজার ৬২০ টন মৎস্যপণ্য রপ্তানিতে ৬ হাজার ১৪৪ কোটি টাকা এসেছে এবং জনসংখ্যার প্রায় ১২ শতাংশ এ খাতের ওপর নির্ভরশীল। আমদানি নীতি আদেশে ভারত ও মিয়ানমার থেকে রুই, কাতলা, ভেটকি, বোয়াল ও কাঁচকি আসছে; ঢালাও আমদানি অভ্যন্তরীণ মৎস্যচাষে বিরূপ প্রভাব ফেলবে এবং আমদানি করা মাছে ফরমালিন, ভারী ধাতু, অ্যান্টিবায়োটিক ও হিস্টামিনের ঝুঁকি আছে বলে সতর্ক করা হয়।

চিঠি পাঠানোর তিন মাসের বেশি পর ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি তৎকালীন সচিব আবু তাহের মোহাম্মদ জাবের তা অতিরিক্ত সচিবকে ব্যবস্থার নির্দেশ দিয়ে পাঠান, তবু অগ্রগতি হয়নি; চলতি বছরের ১৫ সেপ্টেম্বর আমদানি-নির্ভরতা কমাতে পাঠানো নতুন চিঠিও ফাইলবন্দি। অতীতে ২০১৬-১৭ অর্থবছরে এক বছরেই ৮ হাজার ১২৫ দশমিক ৬১৭ টন ইলিশ আমদানিতে প্রায় ৬১ লাখ ৬৪ হাজার ডলার ব্যয় হয়েছিল; বেনাপোল দিয়ে ২০২৪-২৫-এ ৫৬৬ টন, ২০২৫-২৬-এ ৭৬৫ টন এবং চলতি অর্থবছরে এ পর্যন্ত ৪৫০ টন এসেছে।

ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে নেওয়া ৪৩১ কোটি টাকার ইলিশ উৎপাদন ও ব্যবস্থাপনা প্রকল্পের মেয়াদ চলতি বছরের ৩০ জুন শেষ হলেও টেকসই কাঠামো তৈরি হয়নি এবং অর্থ ব্যয়ে অনিয়মের অভিযোগ রয়েছে বলে সূত্র জানায়। মৎস্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. মো. খালেদ কনক বলেন, ‘প্রকল্পে কী কী অনিয়ম হয়েছে, সেগুলো খতিয়ে দেখা উচিত’; কারা জড়িত ছিল ও কোন প্রক্রিয়ায় অর্থ বেহাত হয়েছে, গভীর অনুসন্ধানে অনেক কিছু বেরিয়ে আসতে পারে বলে তিনি মন্তব্য করেন। দাম অন্যায্যভাবে বাড়লে প্রতি বছর সীমিত ইলিশ আমদানি করে দাম স্থিতিশীল রাখার চেষ্টা হয়, তবে আমদানি-নির্ভরতা না কমলে বিপুল বৈদেশিক মুদ্রা ব্যয় হবে বলেও তিনি জানান।

প্রতিবেদনে বলা হয়, পুরোপুরি আমদানি বন্ধের প্রধান বাধা বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার গ্যাট চুক্তির ১১ অনুচ্ছেদ, যা শুল্ক ছাড়া কোটা বা লাইসেন্সের মতো পরিমাণগত নিষেধাজ্ঞা নিষিদ্ধ করে; তাই সরবরাহ, ভোক্তার ক্রয়ক্ষমতা, জেলেদের জীবিকা ও মৎস্যসম্পদের ভারসাম্য বিবেচনায় তথ্যভিত্তিক দীর্ঘমেয়াদি নীতি এবং নদী ও অভয়াশ্রম ব্যবস্থাপনা, জাটকা ও মা ইলিশ সংরক্ষণে জোর দেওয়ার কথা বলছেন সংশ্লিষ্টরা।

বিএফআরআইয়ের সাবেক পরিচালক ও ইলিশ গবেষক ড. আনিসুর রহমান বলেন, বিশেষ সংকট না থাকলে দেশে উৎপাদিত মাছ বিদেশ থেকে আমদানির প্রয়োজন তিনি দেখেন না; স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদে ইলিশ উৎপাদন বাড়ানোর পরিকল্পনা নিতে হবে।

সূত্র: ঢাকা পোস্ট — প্রতিবেদন: মুছা মল্লিক

ঢাকা পোস্টদা এগ্রো নিউজ

মৎস্য

সম্পর্কিত খবর

মৎস্য

মৎস্যে পশ্চিমবঙ্গকে স্বনির্ভর করার ডাক শুভেন্দুর, কেন্দ্রের ৯ কোটি রুপির তহবিল

কলকাতায় কেন্দ্রীয় মৎস্যমন্ত্রী রাজীব রঞ্জন সিং ও মুখ্যমন্ত্রীর যৌথ পৌরোহিত্যে রাজ্য মৎস্য দপ্তরের পর্যালোচনা বৈঠকে উৎপাদন বৃদ্ধি, অ্যাকোয়াকালচার সম্প্রসারণ ও বাজার সংযোগ নিয়ে আলোচনা; চার মাসে পোর্টালে ২.৮ লাখ আবেদন, ১.২ লাখ মৎস্যজীবীর রেজিস্ট্রেশন, বাঁকুড়া-পুরুলিয়ায় ছয়টি অমৃত সরোবর অনুমোদন।

ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস বাংলা২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
মৎস্য

রোমে ইতালির সঙ্গে মৎস্য-প্রাণিসম্পদ সমঝোতায় আগ্রহ, খামারিরা আসবেন কৃষক কার্ডে

রোমে এফএও সদর দপ্তরের অনুষ্ঠানের সাইডলাইনে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু ও ইতালির কৃষি মন্ত্রণালয়ের আন্ডারসেক্রেটারি লুইজি দে’এরামোর বৈঠকে মৎস্য চাষ, প্রাণিসম্পদ, সামুদ্রিক মৎস্য ও ব্লু ইকোনমিতে সহযোগিতা বাড়াতে সমঝোতা স্মারকের বিষয়ে দুই পক্ষ আগ্রহ জানিয়েছে।

কৃষি সংবাদ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
গ্যালারি

ঐতিহ্যবাহী দেশীয় মাছ

আমাদের দেশের অধিকাংশ ঐতিহ্যবাহী দেশীয় মাছ বিলুপ্ত হয়ে যাচ্ছে। কিছু টিকে আছে আমাদের মাছ চাষিদের কল্যাণে। আসুন ছবির মাধ্যমে আজ আমরা কিছু ঐতিহ্যবাহী দেশীয় মাছ দেখে নেই।

তানিয়া চৌধুরী২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬১ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

()