ঢাকার চারপাশের পাঁচটি নদী এবং দুই সিটি করপোরেশনের ৫৫টি খাল পরিষ্কার করে পানিপ্রবাহ সচল, নদীর পাড় সংরক্ষণ ও নৌচলাচলের উপযোগী করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম। খালের দুই পাড়ে গাইডওয়াল ও রিটার্নিং ওয়াল, বৃক্ষরোপণ এবং হাঁটার পথ তৈরির পরিকল্পনাও রয়েছে।
রোববার ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের জিরানি খাল পরিদর্শন শেষে তিনি এ কথা বলেন। প্রতিনিধিদল মান্ডা, জিরানি, কালুনগর ও শ্যামপুর খালের কাজ দেখে। শুষ্ক মৌসুমের মধ্যেই খালগুলোর কাজ দৃশ্যমান পর্যায়ে নেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হবে বলে জানান প্রতিমন্ত্রী।
দক্ষিণ সিটির ২৬টি ও উত্তর সিটির ২৯টি খাল পরিষ্কার করে গাইডওয়াল, রিটার্নিং ওয়াল, ওয়াকওয়ে ও নেটিং দিয়ে পানিপ্রবাহ সচল করা হবে। নদীগুলোকে ৪০ থেকে ৫০ বছর আগের মতো সচল করে নৌযান চলাচলের উপযোগী করার লক্ষ্যও রয়েছে।
ঢাকার স্যুয়ারেজ লাইন শহরের বাইরে নিয়ে দাসেরকান্দি, পাগলা, মিরপুর, উত্তরা ও রায়েরবাজার-মাদানীসহ নির্ধারিত স্থানে পয়ঃশোধনাগারে (এসটিপি) পরিশোধন করে নদীতে পরিষ্কার পানি ফেলার পরিকল্পনাও নেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।
প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব এ বি এম আব্দুস সাত্তার বলেন, নদী, খাল ও জলাশয়ের পাড় গাইডওয়াল দিয়ে বাঁধাই এবং বৃক্ষরোপণের পাশাপাশি নদীতে যাতে ময়লা-আবর্জনা ফেলা না হয় সে ব্যবস্থা করা হবে; বর্জ্য সংগ্রহ করে নির্দিষ্ট প্রক্রিয়ায় পরিশোধন করা হবে। প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ হাবিব জানান, দখলমুক্ত করে খালগুলোর উন্নয়ন করা হবে এবং বাঁশের সাঁকোগুলো আরসিসি সেতুতে রূপান্তরের কাজ চলছে।
সূত্র: ডেইলি অবজারভার





মন্তব্য
(০)