২০২৬ সালের জুন থেকে আগস্ট, বর্ষার ৯২ দিনে ৫৭৬.৯ মিলিমিটার বৃষ্টি হলেও দিল্লিতে ‘ভালো’ মানের বাতাস ছিল মাত্র এক দিন। ৩০ সেপ্টেম্বর নয়াদিল্লির সেন্টার ফর সায়েন্স অ্যান্ড এনভায়রনমেন্ট (সিএসই) এক বিশ্লেষণে এ তথ্য দিয়েছে। সেই দিনটি ছিল ৯ জুলাই, যখন সফদরজং ও পালাম কেন্দ্রে গড়ে ৬৭.৭৫ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়। মৌসুমের সবচেয়ে বেশি বৃষ্টির দিন ৮ আগস্ট (১০১.০৫ মিলিমিটার) বাতাস ছিল কেবল ‘সন্তোষজনক’।
গড় পিএম২.৫ গ্রীষ্মের (এপ্রিল-মে) প্রতি ঘনমিটারে ৬০.২ মাইক্রোগ্রাম থেকে বর্ষায় ৪০.২-এ নেমেছে, অর্থাৎ প্রায় ৩৩ শতাংশ কম। তবু বর্ষার মাঝেও এক দিনে পিএম২.৫ উঠেছে ৬৪.৫ পর্যন্ত, বায়ুমান সূচক ২৬১, যা ‘খারাপ’ শ্রেণির।
বর্ষার ছয়টি আলাদা বৃষ্টির ঘটনায় বৃষ্টির আগে পিএম২.৫ গড়ে ছিল ৪০.৬, বৃষ্টির সময় নেমে আসে ৩২.৭-এ, প্রায় ১৯.৫ শতাংশ কম। কিন্তু এক দিন পর তা ৩৬.২ আর ৪৮ ঘণ্টা পর ৪৫.১-এ ওঠে, বৃষ্টির আগের চেয়েও ১১.১ শতাংশ বেশি। সিএসই জানিয়েছে, বিশ্লেষণটি পরিসংখ্যানগত সম্পর্ক দেখায়; বাতাস, আর্দ্রতা বা নিঃসরণের পরিবর্তন থেকে বৃষ্টির প্রভাব আলাদা করে না।
সিএসইর গবেষণা ও অ্যাডভোকেসি বিভাগের নির্বাহী পরিচালক অনুমিতা রায়চৌধুরী বলেন, বর্ষার বৃষ্টি সাময়িক স্বস্তি দেয়, কিন্তু মূল সংকট ঢেকে রাখে; শীত শুরু হবে উঁচু দূষণ থেকেই। তিনি বর্ষার বৃষ্টি বা শীতের জরুরি নিষেধাজ্ঞার ওপর ভরসা না করে জাতীয় রাজধানী অঞ্চলজুড়ে সারা বছর সব খাতে উৎসেই নিঃসরণ কমানোর আহ্বান জানান।
ছবি: wili hybrid / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY-SA 3.0)
সূত্র: ডাউন টু আর্থ





মন্তব্য
(০)