২৮ সেপ্টেম্বর উপস্থাপিত দিল্লির ২০২৬-২৭ শীতকালীন বায়ুদূষণ কর্মপরিকল্পনায় শিল্পকারখানার নির্গমনে বেশি জোর দেওয়া হয়েছে। চিহ্নিত ২,৩৫৪টি শিল্পকে অনলাইন অবিরাম নির্গমন নজরদারি ব্যবস্থা (ওসিইএমএস) বসিয়ে সংযুক্ত করতে হবে, আর প্রয়োজনে দূষণ নিয়ন্ত্রণ যন্ত্র (এপিসিডি) বসাতে বা উন্নত করতে হবে।
কর্মকর্তারা জানান, এর মধ্যে ২,১৯৭টি বা প্রায় ৯৭.৩ শতাংশ শিল্প ওসিইএমএস বসিয়েছে, যার তথ্য সরাসরি কেন্দ্রীয় দূষণ নিয়ন্ত্রণ বোর্ডে যায়; যে ৫৭টি বসায়নি, সেগুলো বন্ধ করা হয়েছে এবং যন্ত্র বসানোর পরই খুলতে পারবে। বায়ুমান ব্যবস্থাপনা কমিশন ১ অক্টোবর থেকে এসব শিল্পে ধূলিকণা নির্গমনের সীমা প্রতি ঘনমিটারে ৮০ থেকে কমিয়ে ৫০ মিলিগ্রাম করেছে।
আইআইটি কানপুরের সঙ্গে চিহ্নিত এই তালিকায় আছে ১৭ ধরনের অতি দূষণকারী শিল্প এবং বস্ত্র, খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ ও ধাতু খাত। কাউন্সিল অন এনার্জি, এনভায়রনমেন্ট অ্যান্ড ওয়াটারের গবেষণায় ভারতের বায়ুদূষণের ২১ থেকে ৩৮ শতাংশের জন্য শিল্পকে দায়ী করা হয়েছে। প্রায় ৫৫০টি দূষণ নিয়ন্ত্রণ যন্ত্রের কাজ বিভিন্ন পর্যায়ে রয়েছে।
ছবি: Saurabh Kumar / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY-SA 4.0)
সূত্র: ডাউন টু আর্থ





মন্তব্য
(০)