কর্টেভা (Corteva) জানিয়েছে, ১ অক্টোবর আলাদা হতে যাওয়া তাদের বীজ ও জেনেটিকস প্রতিষ্ঠান ভাইলরের (Vylor) হাইব্রিড গম তৈরির পদ্ধতি 'এক্সপেডাইট' (Xpedite) ২০২৭ সালের শেষ দিকে বাজারে আসবে। বহু বছরের মাঠ পরীক্ষায় রোগ ও খরার মধ্যেও ভালো ও স্থিতিশীল ফলন দেখা গেছে বলে দাবি প্রতিষ্ঠানটির।
প্রতিষ্ঠানের পরীক্ষায় জিনগতভাবে পরিবর্তিত নয় (নন-জিএমও) এমন এই হাইব্রিড গম একই জমি ও সম্পদে ফলন-সম্ভাবনা ১০ শতাংশ বাড়িয়েছে, আর পানির ঘাটতির পরিবেশে সেরা প্রচলিত জাতের চেয়ে ২০ শতাংশ পর্যন্ত বেশি ফলন দিয়েছে। প্রচলিত প্রজননে তৈরি বলে উত্তর আমেরিকায় বাজারজাতে নিয়ন্ত্রক অনুমোদন লাগবে না।
কর্টেভার দাবি, কয়েক দশক ধরে জানা অন্য হাইব্রিডকরণ পদ্ধতির বিপরীতে ভাইলরের প্রযুক্তি পরীক্ষিত গমের সব জার্মপ্লাজমেই কাজ করেছে, ফলে দ্রুত জেনেটিক উন্নতি ও বাণিজ্যিক মাত্রায় বীজ উৎপাদন সম্ভব। ২০৪০ সালের মধ্যে প্রচলিত গমের তুলনায় বার্ষিক জেনেটিক উন্নতির হার দ্বিগুণ হবে বলে আশা করছে প্রতিষ্ঠানটি।
এই গমের দানার মান প্রচলিত জাতের মতোই, বিশেষ যন্ত্র বা ব্যবস্থাপনাও লাগবে না। প্রথমে ২০২৭ সালে আসবে হার্ড রেড উইন্টার গম, ২০২৯ সালে সফট রেড উইন্টার এবং ২০৩০ সালে হার্ড রেড স্প্রিং; নিজস্ব ব্র্যান্ড, লাইসেন্স ও অংশীদারত্বের মাধ্যমে অন্য অঞ্চলেও সম্প্রসারণের পরিকল্পনা আছে।
ভাইলরের প্রত্যাশা, হাইব্রিড গম থেকে ২০৩৫ সালের মধ্যে ৫০ কোটি ডলার এবং ২০৪০ সালের মধ্যে ১০০ কোটি ডলার আয় হবে, যা ভুট্টা ও সয়াবিনের পাশাপাশি গমকে প্রতিষ্ঠানটির তৃতীয় স্তম্ভ বানাবে।
ছবি: John Shea, FEMA / উইকিমিডিয়া কমন্স (পাবলিক ডোমেইন)
সূত্র: Michigan Farm News





মন্তব্য
(০)