চুয়াডাঙ্গায় আঙুর চাষে কিছু সাফল্য এলেও এর আড়ালে নতুন উদ্যোক্তাদের কাছে চড়া দামে চারা বিক্রি হচ্ছে। জীবননগর উপজেলায় বাঁশের মাচায় থোকা থোকা আঙুর দেখিয়ে কিছু চাষি চারা বিক্রি শুরু করেছেন; অতীতে চায়না কমলায় পুঁজি হারানো কৃষকদের মতো এবারও নতুন চাষিরা ঝুঁকিতে পড়ছেন বলে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।
হাসাদহ গ্রামের দুই ভাই আশরাফুল ইসলাম ও তরিকুল ইসলাম সাড়ে তিন বিঘা জমিতে পার্পেল ও বাইকুনুর জাতের ৭৫০টি চারা লাগিয়ে ফলন পেয়েছেন। প্রায় ৪০০ গাছে ফল এসেছে; বাগান করতে খরচ হয়েছে প্রায় সাত লাখ টাকা। গাছপ্রতি গড়ে ১৫ কেজি ধরলে মোট উৎপাদন প্রায় ১১ হাজার ২৫০ কেজি হবে বলে তাঁদের আশা।
স্থানীয় বাজারে আঙুর পাইকারিতে কেজি ২৫০ থেকে ৩৫০ টাকা এবং খুচরায় ৩০০ থেকে ৪০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। তবে ফলের চেয়ে বেশি লাভ হচ্ছে চারায়; তাঁরা প্রতিটি চারা ৩৫০ থেকে ৪০০ টাকায় বিক্রি করছেন, আর অনেকে এক থেকে দেড় বিঘার জন্য সাড়ে তিনশ পর্যন্ত চারা কিনছেন।
১৫ বছরের বেশি সময় ধরে ড্রাগন, মাল্টা ও পেয়ারা চাষ করা প্রবীণ কৃষক আবুল হোসেন নিজেও এক বিঘায় বাইকুনুর আঙুর ফলিয়েছেন। তিনি নতুনদের সতর্ক করে বলেন, জাত নিশ্চিত না হয়ে হুজুগে নেমে পড়লে কৃষকেরা বড় লোকসানে পড়বেন।
ছবি: Bob Nichols, USDA ARS / উইকিমিডিয়া কমন্স (পাবলিক ডোমেইন)
সূত্র: দিনাজপুর টিভি





মন্তব্য
(০)