পশুখাদ্যের চাহিদা কম আর সয়াবিন মাড়াইয়ে লোকসানের কারণে সামনের মাসগুলোয় চীনের সয়াবিন কেনা কমতে পারে, ফলে মার্কিন চালানের সুযোগ সামান্য, রয়টার্সের বরাত দিয়ে জানিয়েছে দ্য পোলট্রি সাইট। গত সপ্তাহে প্রেসিডেন্ট সি চিন পিং ও ডোনাল্ড ট্রাম্পের বৈঠকের পর চীন যেসব মার্কিন কৃষিপণ্যে শুল্ক কমাতে যাচ্ছে, সেই তালিকায় যুক্তরাষ্ট্র থেকে চীনের সবচেয়ে বড় কৃষি আমদানি সয়াবিন নেই।
বেসরকারি তেলবীজ প্রক্রিয়াজাতকারীরা ব্রাজিল, আর্জেন্টিনা ও রাষ্ট্রীয় মজুত থেকে ফেব্রুয়ারির শুরুর চান্দ্র নববর্ষ পর্যন্ত প্রয়োজনের বেশির ভাগ কিনে রেখেছে। এক চীনা মাড়াইকলের জ্যেষ্ঠ নির্বাহী জানান, অক্টোবরের পুরোটা ও নভেম্বরের বেশির ভাগ চালান ব্রাজিল ও আর্জেন্টিনা থেকে বুক করা হয়েছে; আরও কিনলে লোকসান হবে।
এশিয়াভিত্তিক তিন ব্যবসায়ীর তথ্যমতে, মে মাসের বাণিজ্য চুক্তির পর চীনের রাষ্ট্রায়ত্ত কোম্পানিগুলো প্রায় ১ কোটি ৩৭ লাখ টন মার্কিন সয়াবিন কিনেছে, কিন্তু বেসরকারি মাড়াইকলগুলো নিয়েছে শুধু দক্ষিণ আমেরিকার চালান। বাণিজ্যযুদ্ধের শুরু থেকে মার্কিন সয়াবিনে বাড়তি ১০ শতাংশ শুল্ক থাকায় বাণিজ্যিক ক্রেতাদের কাছে তা লাভজনক নয়।
শুল্ক বাদে ব্রাজিল ও যুক্তরাষ্ট্রের সয়াবিনের দাম প্রায় সমান, খরচ ও ভাড়াসহ টনপ্রতি প্রায় ৫৯০ ডলার; ব্রাজিলের সয়াবিনে তেল বেশি থাকায় মাড়াইকলগুলোর পছন্দও সেটি। সাংহাই জেসি ইন্টেলিজেন্সের বিশ্লেষক রোজা ওয়াং জানান, নভেম্বরে পাঠানো মার্কিন সয়াবিন মাড়াইয়ে টনপ্রতি ১২০ থেকে ২০০ ইউয়ান লোকসান, ব্রাজিলের সয়াবিনে প্রায় ১২০ ইউয়ান। শূকরের পাল ছোট হওয়ায় খাদ্যের চাহিদাও দুর্বল; যুক্তরাষ্ট্রে ফসল তোলা বাড়তে থাকায় শিকাগোর সয়াবিন ফিউচার্স এ সপ্তাহে ১.৫ শতাংশ কমেছে। প্রতিবেদনটি করেছেন মেলানি এপ।
ছবি: United Soybean Board / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY 2.0)
সূত্র: The Poultry Site





মন্তব্য
(০)