সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮—আদা - আমদানিকৃত১৬৭—আদা - দেশী১৫৪—আমন চাল - মাঝারি৫৬—আমন চাল - মোটা৪৮—আমন চাল - সরু৭২—আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২—কাঁচা মরিচ২১৮—খামারের মুরগী১৬২—খাসী৯০০—চিনি (দেশী)১৩২—ছোলা - গোটা৮৫—ডিম ফার্ম - লাল৪৭—পেঁয়াজ - দেশী৬০—বোরো চাল - মাঝারি৫৫—বোরো চাল - মোটা৪৭—বোরো চাল - সরু৬৬—মাংসঃ– গরু৭২৯—মুগ ডাল১২২—রসুন - আমদানিকৃত১৯২—রসুন - দেশী১৭৩—সয়াবিন তেল১৬৩—
হালনাগাদ ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ঢাকা৩০°আংশিক মেঘলাআর্দ্রতা ৭১%বাতাস ৪ কিমি/ঘ

চট্টগ্রাম অঞ্চলের ৫৫ হাজার একর বনভূমি বেদখলে, একজন বনরক্ষীর পাহারায় প্রায় দেড় হাজার একর

চট্টগ্রাম, কক্সবাজার ও বান্দরবানের প্রায় ৫৫ হাজার ১২৩ একর বনভূমি বেদখলে; ৮ লাখ ৫৫ হাজার একর বন পাহারায় আছেন মাত্র ৫৭২ জন বনরক্ষী।

পরিবেশ

চট্টগ্রাম, কক্সবাজার ও বান্দরবান নিয়ে গঠিত চট্টগ্রাম বন অঞ্চলের প্রায় ৫৫ হাজার ১২৩ একর বনভূমি এখন বেদখলে। চট্টগ্রাম বন সংরক্ষক কার্যালয়ের তথ্য বলছে, অঞ্চলের মোট ৮ লাখ ৫৫ হাজার ৯৬৮ একর বনভূমির মধ্যে ৬ লাখ ৫ হাজার ৩০৫ একর, অর্থাৎ ৭০ দশমিক ৭২ শতাংশ সংরক্ষিত বন এবং ১ লাখ ১০ হাজার ৭০৭ একর রক্ষিত বন।

জেলাভিত্তিক হিসাবে চট্টগ্রামের ৩ লাখ ৭০ হাজার ৯১ একর বনভূমির মধ্যে বেদখল ৩৩ হাজার ৬২০ একর। কক্সবাজারের দুই বন বিভাগের ২ লাখ ১১ হাজার ৮৫৪ একরের মধ্যে বেদখল ১৯ হাজার ৮৬২ একর। বান্দরবান ও লামার তিন বন বিভাগের ২ লাখ ৭২ হাজার ২৭ একরের মধ্যে বেদখল ১ হাজার ৬০২ একর।

বন গবেষকেরা বলছেন, দখলের পাশাপাশি নির্বিচারে গাছ কাটা, পাহাড়ে কৃষি সম্প্রসারণ ও অবকাঠামো নির্মাণে বন্যপ্রাণীর আবাসস্থল সংকুচিত হচ্ছে, কমছে দেশি উদ্ভিদ প্রজাতি। মায়া হরিণ, সাম্বার হরিণ, উল্লুক, মুখপোড়া হনুমান, বনরুই, লজ্জাবতী বানর, মেছো বিড়াল, রাজ গোখরা, বার্মিজ অজগর ও হলুদ পাহাড়ি কচ্ছপের মতো প্রাণী এখন ঝুঁকিতে। আইইউসিএনের ২০১৬ সালের হিসাবে দেশে মহাবিপন্ন এশিয়ান হাতি ছিল ২৬৮টি।

পাহারার জনবলও কম। অঞ্চলের ৭১টি রেঞ্জ ও ১৭০টি বিটে ২ হাজার ২৮৪টি পদের বিপরীতে কর্মরত ১ হাজার ১৮৪ জন; শূন্য ১ হাজার ১০০টি পদ। বনরক্ষীর ৮০২টি পদের ২৩০টি খালি, কাজ করছেন ৫৭২ জন। গড়ে একজন বনরক্ষীকে পাহারা দিতে হচ্ছে ১ হাজার ৪৯৭ একর বন।

চট্টগ্রাম অঞ্চলের বন সংরক্ষক মিহির কুমার দো বলেন, তিন জেলায় প্রায় ৫৫ হাজার ১২৩ একর বনভূমি এখনো জবরদখলে আছে, তবে মোট বনভূমির প্রায় ৮৩ দশমিক ৬৬ শতাংশ সংরক্ষিত ও রক্ষিত। হাজারীখিল বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য, মেধাকচ্ছপিয়া, সাংগু-মাতামুহুরী সংরক্ষিত বন, ধোয়াপালং-হেমছড়ি জাতীয় উদ্যান ও জাহাজপুরা-শিলখালীর মতো বনে দুর্লভ গাছ, বাঁশ ও বন্যপ্রাণী আছে, তাই এ অঞ্চলের বন রক্ষা জরুরি বলে জানান তিনি।

পাহাড়ি বন, ঝরনা, নদী ও সমুদ্র ঘিরে এ অঞ্চলে ইকোট্যুরিজমও বাড়ছে। বেদখল জমি উদ্ধার না হলে বনের জীববৈচিত্র্যের সঙ্গে সেই পর্যটনের ভবিষ্যৎও ঝুঁকিতে পড়বে বলে আশঙ্কা সংশ্লিষ্টদের।

প্রতিবেদনটি কৃষি সময়ের চট্টগ্রাম সংবাদদাতার।

সূত্র: কৃষি সময়

কৃষি সময়দা এগ্রো নিউজ

পরিবেশ

সম্পর্কিত খবর

পরিবেশ

২০৩০ সালের মধ্যে ৩০ শতাংশ প্রকৃতি সংরক্ষণের লক্ষ্যে পিছিয়ে উত্তর আয়ারল্যান্ড

নর্দার্ন আয়ারল্যান্ড এনভায়রনমেন্ট লিংক বলছে, সুরক্ষিত এলাকা স্থল ও মিঠাপানির মাত্র ০.৩৮ শতাংশ হতে পারে, আর অগ্রগতি মাপার কাঠামো এখনো প্রকাশ করেনি কৃষি ও পরিবেশ বিভাগ।

Agriland২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬১ মিনিটের পড়া
পরিবেশ

খাদ্যের অপচয় কমালে বনের ওপর চাপ কমবে, খাদ্য অপচয় সচেতনতা দিবসে এফএও প্রধান

এফএওর হিসাবে প্রায় ১৪০ কোটি হেক্টর জমিতে এমন খাদ্য উৎপাদন হয় যা কেউ খায় না; ২০১৫ সালের পর খাদ্য অপচয় কমানোয় বিশ্বের দৃশ্যমান অগ্রগতি নেই। প্রকাশ হয়েছে নতুন ফুড লস ইনডেক্স মানচিত্র।

এফএও নিউজরুম২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
মতামত

মতামত: খাদ্যের ক্ষতি শুরু খামারেই, শহর পারে অপচয়কে আবার সম্পদে ফেরাতে

সিজিআইএআরের শহুরে খাদ্য ব্যবস্থা বিভাগের প্রধান ড. মুকানি মোয়ো ভিয়েতনামের কম্পোস্ট, নাইরোবির স্কুলে পোকার খাদ্য আর লিমার খাদ্য উদ্ধারের উদাহরণ দিয়ে বলেছেন, শুধু প্রযুক্তিতে সমাধান হবে না। মতামত লেখকের নিজস্ব।

CGIAR২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬২ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

(০)
চট্টগ্রাম অঞ্চলের ৫৫ হাজার একর বনভূমি বেদখলে, একজন বনরক্ষীর পাহারায় প্রায় দেড় হাজার একর | দা এগ্রো নিউজ