দ্রুত বাড়ে ও বাজারে ভালো দাম পায়—এমন মিঠাপানির মাছ শোল (Channa striata)-এর মহারাষ্ট্রের প্রথম হ্যাচারি চালু হয়েছে পুনে জেলার আম্বেগাঁও তালুকের কানাসে, ভীমাশঙ্কর ফিশারিজে। খবরটি দিয়েছে ভারতীয় কৃষি গবেষণা পরিষদ (আইসিএআর)।
শোল মাছের প্রজনন ও চাষ নিয়ে এক সচেতনতা অনুষ্ঠানে হ্যাচারিটি উদ্বোধন করেন মুম্বাইয়ের আইসিএআর-কেন্দ্রীয় মৎস্য শিক্ষা ইনস্টিটিউটের (সিআইএফই) পরিচালক এন পি সাহু। সিআইএফইর কারিগরি নির্দেশনায় মহারাষ্ট্রের মৎস্য বিভাগের সঙ্গে যৌথভাবে এটি গড়া হয়েছে।
এনএএসএফ-সিসিএফ তরুণ বিজ্ঞানী প্রকল্পের আওতায় সিআইএফইর একটি দল ২০২৬ সালের জুলাই-আগস্টে কৃত্রিম প্রজননের জন্য উন্নত পেপটাইডভিত্তিক হরমোন প্রয়োগ করে প্রজনন ও পোনা উৎপাদনের পরীক্ষা চালায়; তাতে প্রায় আড়াই লাখ রেণু ও ৪৫ হাজার পোনা পাওয়া গেছে। আরও প্রজনন পরীক্ষা চলছে।
স্থানীয় ঘাটতি মেটাতেই এ হ্যাচারি। পুনে অঞ্চলের খামারের পুকুর থাকা ৫০ থেকে ৬০ জন কৃষক বারবার শোলের পোনা চাইলেও না পাওয়ায় তাঁদের পুকুর অব্যবহৃত থাকছিল। মানসম্পন্ন পোনার নিয়মিত সরবরাহ পেলে তাঁরা পুরো পুকুর কাজে লাগিয়ে মাছের উৎপাদন বাড়াতে পারবেন।
সাহু রাজ্য মৎস্য বিভাগের সঙ্গে মিলে পুনে অঞ্চলে শোল মাছ চাষের একটি ক্লাস্টার গড়ার পরামর্শ দেন এবং কৃষক ও উদ্যোক্তাদের প্রযুক্তি হস্তান্তর ও প্রশিক্ষণে সিআইএফইর ভূমিকার কথা বলেন। দ্রুত বৃদ্ধি, ভোক্তার চাহিদা ও উঁচু বাজারদরের কারণে মাছ চাষে বৈচিত্র্য আনতে শোলকে সম্ভাবনাময় প্রজাতি হিসেবে তুলে ধরা হয় অনুষ্ঠানে।
ছবি: Nilesh Heda / উইকিমিডিয়া কমন্স (পাবলিক ডোমেইন)
সূত্র: আইসিএআর





মন্তব্য
(০)