সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮—আদা - আমদানিকৃত১৬৭—আদা - দেশী১৫৪—আমন চাল - মাঝারি৫৬—আমন চাল - মোটা৪৮—আমন চাল - সরু৭২—আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২—কাঁচা মরিচ২১৮—খামারের মুরগী১৬২—খাসী৯০০—চিনি (দেশী)১৩২—ছোলা - গোটা৮৫—ডিম ফার্ম - লাল৪৭—পেঁয়াজ - দেশী৬০—বোরো চাল - মাঝারি৫৫—বোরো চাল - মোটা৪৭—বোরো চাল - সরু৬৬—মাংসঃ– গরু৭২৯—মুগ ডাল১২২—রসুন - আমদানিকৃত১৯২—রসুন - দেশী১৭৩—সয়াবিন তেল১৬৩—
হালনাগাদ ২ অক্টোবর ২০২৬
ঢাকা৩০°পরিষ্কার আকাশআর্দ্রতা ৭৩%বাতাস ৭ কিমি/ঘ

কার্বন বাজারে খাদ্যব্যবস্থার দাপট, অথচ খামারের বড় নিঃসরণ বাইরে

৯,২৫৪টি ক্রেডিটপ্রাপ্ত প্রকল্প বিশ্লেষণ করে সিআইএফওআর-আইসিআরএএফ দেখেছে, খাদ্যব্যবস্থার কার্বন ক্রেডিটের প্রায় অর্ধেক আসে হিমায়ন ও রেড প্লাস প্রকল্প থেকে। কৃষির ভাগ মাত্র ২.৮ শতাংশ, আর গবাদিপশুর মিথেন, গোবর ব্যবস্থাপনা ও ধানচাষের নিঃসরণ প্রায় অনুপস্থিত।

কার্বন বাজারে খাদ্যব্যবস্থার দাপট, অথচ খামারের বড় নিঃসরণ বাইরে
পরিবেশ

বিশ্বের কার্বন বাজারের বড় একটি অংশ এখন খাদ্যব্যবস্থার দখলে, কিন্তু ক্রেডিট আসছে হাতে গোনা কয়েক ধরনের প্রকল্প থেকে। খামার পর্যায়ের সবচেয়ে বড় কয়েকটি নিঃসরণের উৎস সেখানে প্রায় জায়গাই পায়নি। সিআইএফওআর-আইসিআরএএফের গবেষক ক্রিস্টোফার মার্টিয়াস ও নাতানায়েল পাঙ্গোর নতুন বিশ্লেষণে এ চিত্র উঠে এসেছে, যা প্রকাশ করেছে সিজিআইএআর।

গবেষণায় জাতিসংঘের জলবায়ু কাঠামো সনদের (ইউএনএফসিসিসি) ব্যবস্থা ও প্রধান স্বতন্ত্র মানদণ্ডের অধীনে ক্রেডিট পাওয়া ৯,২৫৪টি প্রকল্প একসঙ্গে দেখা হয়েছে, যাদের ইস্যু করা ক্রেডিটের পরিমাণ ৪৯০ কোটি টন কার্বন ডাই-অক্সাইডের সমতুল্য। শুধু কৃষি ও ভূমি ব্যবহার নয়, খাদ্যের মূল্যশৃঙ্খলে জড়িত জ্বালানি, হিমায়ন ও বর্জ্যও হিসাবে ধরা হয়েছে।

ক্লিন ডেভেলপমেন্ট মেকানিজমে (সিডিএম) নিবন্ধিত প্রকল্পের ২৩.৩ শতাংশ এবং ইস্যু করা ক্রেডিটের ৩৫.৯ শতাংশ খাদ্যব্যবস্থার। বার্কলে কার্বন ট্রেডিং প্রজেক্টের তথ্যভান্ডারে থাকা স্বতন্ত্র ব্যবস্থাগুলোতে এই ভাগ আরও বেশি: প্রকল্পের ৬১.৩ শতাংশ এবং ক্রেডিটের ৫৮.৬ শতাংশ।

এর বেশির ভাগ আসে দুই ধরনের কাজ থেকে। খাদ্যব্যবস্থার সঙ্গে পুরোপুরি যুক্ত ৪,২৫৮টি প্রকল্পের মধ্যে হিমায়নে ব্যবহৃত ওজোনক্ষয়ী গ্যাস নিয়ে কাজ করা প্রকল্প দিয়েছে ক্রেডিটের ২৫.২ শতাংশ, আর বন উজাড় রোধের রেড প্লাস প্রকল্প ২৩.৫ শতাংশ, দুটি মিলে ৪৮.৬ শতাংশ। খাদ্যব্যবস্থার কেন্দ্রে থেকেও কৃষির ভাগ মাত্র ২.৮ শতাংশ। কারণ অংশত প্রকল্পের আকার: খামারের কাজ ছোট, কিন্তু নকশা, নিবন্ধন ও পর্যবেক্ষণের খরচ প্রায় একই।

খামারে সবচেয়ে বড় নিঃসরণ গবাদিপশুর হজমপ্রক্রিয়ায় তৈরি মিথেন, এর পরেই গোবর ব্যবস্থাপনা ও ধানচাষ। এফএওস্ট্যাটের তথ্যের সঙ্গে তুলনায় দেখা গেছে, নিঃসরণের তুলনায় এই তিনটি কার্বন প্রকল্পে খুবই কম। খাদ্যের অপচয়, রান্নার জ্বালানি ও নিরাপদ পানির ক্ষেত্রেও একই ফাঁক রয়ে গেছে।

ভৌগোলিক বণ্টনও অসম। সিডিএমের কাজের বড় অংশ চীন, ভারত ও ব্রাজিলে, আর স্বতন্ত্র তথ্যভান্ডারের প্রায় অর্ধেক ক্রেডিট যুক্তরাষ্ট্র, ভারত ও চীনের। আফ্রিকার ভাগ সিডিএমে ৩.৭ শতাংশ এবং স্বতন্ত্র ব্যবস্থায় ১৪.৩ শতাংশ।

লেখকদের সতর্কবার্তা, প্রকল্প বাড়লেই জলবায়ুর উপকার বাড়ে না, ক্রেডিটের বিশ্বাসযোগ্যতা নির্ভর করে প্রকৃত নিঃসরণ হ্রাসের ওপর। এক প্রকল্পে হাজারো ক্ষুদ্র কৃষক থাকলে অনেক ছোট কাজ একটি কর্মসূচির আওতায় এনে নিবন্ধন, পর্যবেক্ষণ ও যাচাইয়ের খরচ ভাগ করার এবং নিবন্ধনব্যবস্থাগুলোর মধ্যে সামঞ্জস্যপূর্ণ হিসাবপদ্ধতির পরামর্শ দিয়েছেন তাঁরা। কিছু ক্ষেত্রে কার্বন বাজারের চেয়ে নিয়ন্ত্রণ, সরকারি বিনিয়োগ বা অন্য জলবায়ু অর্থায়ন বেশি কার্যকর হতে পারে বলেও মনে করেন তাঁরা।

ছবি: Schnobby / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY-SA 3.0)

সূত্র: CGIAR

CGIARসূত্র

পরিবেশ

সম্পর্কিত খবর

পরিবেশ

রেকর্ড এল নিনোর অতিবৃষ্টিতে থমকে যুক্তরাষ্ট্রের ফসল কাটা

নিউট্রিয়েন অ্যাগ সলিউশনসের আবহাওয়াবিদ এরিক স্নডগ্রাস বলছেন, ২০১৫ সালের রেকর্ড ছাড়িয়ে যাওয়া এল নিনোর প্রভাবে আগস্ট-সেপ্টেম্বরে কর্ন বেল্টের কিছু এলাকায় ৩০ ইঞ্চি পর্যন্ত বৃষ্টি হয়েছে। সামনে শুকনো কিছুদিন আর উত্তরে উষ্ণ শীতের আভাস।

Pro Farmer২ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
পরিবেশ

বনায়নের লক্ষ্যে পৌঁছাতে আয়ারল্যান্ডের লাগবে অন্তত ৫০ বছর: নিরীক্ষা প্রতিবেদন

কম্পট্রোলার অ্যান্ড অডিটর জেনারেল বলছে, ২০১৫ সালের পর প্রতিবছরই গাছ লাগানো লক্ষ্যের চেয়ে অনেক কম; ২০২৫ সালে ৮,০০০ হেক্টরের লক্ষ্যে লাগানো হয়েছে মাত্র ২,৫২৭ হেক্টর, যদিও বনায়ন প্রকল্পে খরচ হয়েছে প্রায় ৯৪ কোটি ৬০ লাখ ইউরো।

Agriland২ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
পরিবেশ

ক্ষুদ্র ট্র্যাকিং ট্রান্সমিটারে খুঁজে বের করা হলো এশীয় ভিমরুলের বাসা

ভিমরুলের গায়ে ছোট্ট ট্রান্সমিটার লাগিয়ে কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই আয়ারল্যান্ডের কর্কে পরাগায়নকারী পতঙ্গের শত্রু এই আগ্রাসী প্রজাতির বাসা খুঁজে পেয়েছে দেশটির জাতীয় উদ্যান ও বন্যপ্রাণী সেবা।

Agriland২ অক্টোবর ২০২৬১ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

(০)