মার্কিন কৃষি বিভাগের Foreign Agricultural Service (ফরেন অ্যাগ্রিকালচারাল সার্ভিস)-এর প্রতিবেদনে ২০২৭ সালে কানাডার মুরগির মাংস উৎপাদন ২.০ শতাংশ বেড়ে ১৫ লাখ ১৫ হাজার টনে পৌঁছানোর পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে—খুচরা ও ফুডসার্ভিসের দৃঢ় চাহিদার জোরে; জনসংখ্যা বৃদ্ধি মন্থর হলেও অন্য প্রাণিজ প্রোটিনের তুলনায় মুরগির দাম প্রতিযোগিতামূলক। কুইক-সার্ভিস খাত চাহিদার চালিকা থাকবে বলে আশা।
এফএএস/কানাডার হিসাবে ২০২৬ সালের উৎপাদন ১৪ লাখ ৮৫ হাজার টন, ২০২৫-এর চেয়ে ২.৪ শতাংশ বেশি; কিন্তু উচ্চ সংক্রামক বার্ড ফ্লুর প্রকোপে ডিমের কম হ্যাচেবিলিটি ও একদিনের বাচ্চার বেশি মৃত্যুতে বাচ্চার ঘাটতি দেখা দেওয়ায় খাতটি সারা বছর লক্ষ্যমাত্রার নিচে থেকেছে। ফলে কোটায় বরাদ্দ পরিমাণের চেয়ে উৎপাদন কম হয়েছে—যদিও উচ্চাভিলাষী কোটা উৎপাদন বাড়ানোর অভিপ্রায়ই দেখিয়েছিল।
কানাডার মুরগির মাংসের বাজারের ৯৭ শতাংশের বেশি ব্রয়লার, বাকিটা মূলত বাতিল মুরগি (স্পেন্ট ফাউল)। সরবরাহ-ব্যবস্থাপনা পদ্ধতিতে পোলট্রি খামারিরা প্রক্রিয়াকরণে যুক্ত নন; অনেক স্বাধীন, প্রায়ই ছোট পারিবারিক খামার প্রক্রিয়াজাতকারীদের জীবন্ত মুরগি সরবরাহ করে। উৎপাদন কঠোরভাবে কোটায় নিয়ন্ত্রিত—প্রতি আট সপ্তাহের চক্রে Chicken Farmers of Canada (চিকেন ফার্মার্স অব কানাডা) প্রক্রিয়াজাতকারী, পরবর্তী-প্রক্রিয়াজাতকারী ও ফুডসার্ভিসের সঙ্গে আমদানি, মজুত, বিক্রি, দাম, খাদ্যের দাম, বিনিময় হার ও সামষ্টিক অর্থনীতি বিবেচনা করে জাতীয় বরাদ্দ ঠিক করে।
প্রক্রিয়াজাতকারীরা খামারিদের যে দাম দেন, তা প্রদেশভেদে আলাদা এবং সাধারণত উৎপাদন-খরচের সূত্রে নির্ধারিত—খাদ্য ও একদিনের বাচ্চাই দুই বৃহত্তম উপকরণ খরচ; ব্যবস্থাটি খামারিদের উপকরণ-খরচের ওঠানামা থেকে আড়াল করে আয় স্থিতিশীল রাখার জন্য তৈরি।
ছবি: Chicken Farmers of Canada / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY 2.0)
সূত্র: The Poultry Site





মন্তব্য
(০)