যুক্তরাজ্যের ফুড স্ট্যান্ডার্ডস এজেন্সি (এফএসএ) ফুড স্ট্যান্ডার্ডস স্কটল্যান্ডের সঙ্গে মিলে ল্যাবে কোষ থেকে তৈরি মাংস বা কালচার্ড মাংস উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য তৃতীয় দফা নির্দেশিকা প্রকাশ করেছে, জানিয়েছে গ্রিন কুইন। এবারের বিষয় নিয়ন্ত্রক অনুমোদন এবং কোষ বাড়ানোর পুষ্টিমাধ্যমের মূল্যায়ন। ২০২৭ সালের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত চলা একটি পরীক্ষামূলক নিয়ন্ত্রক কর্মসূচি থেকে এসব নির্দেশিকা এসেছে।
পুষ্টিমাধ্যম ও বিষক্রিয়া বিষয়ক নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, কোষ যে মাধ্যমে বাড়ে তার প্রতিটি উপাদানের তালিকা, মজুতের নথি এবং জিনগত ক্ষতিসহ বিষক্রিয়ার বিশ্লেষণ দিতে হবে। অনুমোদন নির্দেশিকায় যাচাই ও ঝুঁকি মূল্যায়ন থেকে জনমত গ্রহণ ও মন্ত্রীর অনুমোদন পর্যন্ত ছয় ধাপের প্রক্রিয়া বর্ণনা করা হয়েছে; অনুমোদনের পর উৎপাদন বাড়াতে গিয়ে প্রক্রিয়ায় শর্তের বাইরে বদল হলে নতুন আবেদন লাগবে।
এফএসএর উপ-উদ্ভাবন পরিচালক টমাস ভিনসেন্ট বলেন, প্রতিটি দফার নির্দেশিকা কোষভিত্তিক পণ্যের বাজারে আসার পথ আরও স্পষ্ট ও পূর্বানুমেয় করছে, আর ভোক্তার নিরাপত্তা থাকছে সবকিছুর কেন্দ্রে। ডিসেম্বর থেকে সংস্থাটি এমন আটটি নথি প্রকাশ করেছে।
তবে ২০২৭ সালের মাঝামাঝি কার্যকর হতে যাওয়া ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে স্বাস্থ্য ও উদ্ভিদ-স্বাস্থ্য বিষয়ক চুক্তি এ অগ্রগতিতে ছায়া ফেলছে, কারণ এতে প্রতিষ্ঠানগুলোকে ইইউর দীর্ঘ নতুন খাদ্য অনুমোদন প্রক্রিয়ায় যেতে হতে পারে। খবর অনুযায়ী, এফএসএ প্রায় ৬০০ অনুমোদনধারীকে সতর্ক করেছে যে যুক্তরাজ্যের অনুমোদন বাতিল হয়ে যেতে পারে; চেক প্রতিষ্ঠান বেনেমিট যুক্তরাজ্যে তাদের পরিকল্পনা স্থগিত করেছে। এখন পর্যন্ত যুক্তরাজ্যে শুধু মিটলি পোষা প্রাণীর খাবারের জন্য অনুমোদন পেয়েছে; মানুষের খাবারের অনুমোদন চেয়েছে আলেফ ফার্মস, আইভি ফার্ম, মোসা মিট, বেনেমিট, গুরমে ও ভাইটাল মিট।
ছবি: World Economic Forum / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY 3.0)
সূত্র: Green Queen





মন্তব্য
(০)