নিউইয়র্ক জলবায়ু সপ্তাহ ২০২৬-এ খাদ্য আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি গুরুত্ব পেয়েছে, যদিও নিঃসরণে প্রাণিসম্পদের ভাগের তুলনায় তা এখনো কম, গ্রিন কুইনে এক কলামে লিখেছেন গবেষণাভিত্তিক অলাভজনক সংস্থা মাদ্রে ব্রাভার প্রধান নির্বাহী ভিকি বন্ড। মতামত লেখকের নিজস্ব।
তাঁর যুক্তি, দোকানে খাবার বাছাইয়ের সময় জলবায়ু বিবেচনা বিক্রি বাড়ায় না, জেতে স্বাদ আর দাম। তাই মাংসের সঙ্গে উদ্ভিজ্জ উপাদান মেশানো সুষম প্রোটিন পণ্য এবং ডাল-শিমের পুনর্জাগরণকে তিনি ভোক্তার অভ্যাসে বিপ্লব না ঘটিয়েই মাংসের জলবায়ু প্রভাব কমানোর উপায় মনে করেন, কারণ এগুলো প্রায়ই সস্তা এবং সমান সুস্বাদু।
উদাহরণ হিসেবে তিনি নেদারল্যান্ডসের কথা বলেন, যেখানে প্রায় সব খুচরা বিক্রেতা এখন মিশ্র পণ্য রাখে এবং ফুড ভ্যালির এক গবেষণায় দেখা গেছে, এগুলো মিশ্রণহীন পণ্যের চেয়ে গড়ে ৪.৪ শতাংশ সস্তা। যুক্তরাজ্যে শিমজাতীয় খাবারের ফিরে আসা এবং যুক্তরাষ্ট্রে মুরগির মাংসে সবজি মেশানো পারডিউর চিকেন প্লাস পণ্য ও বিশ্ববিদ্যালয়-হাসপাতালে কাজ করা গ্রিনার বাই ডিফল্ট কর্মসূচির কথাও উল্লেখ করেন তিনি।
বন্ডের মতে, সাশ্রয় ও স্বাস্থ্যের আলোচনার কেন্দ্রে খাদ্য রয়েছে, আর মিশ্র প্রোটিনের মতো বাস্তব সমাধান খাদ্যসেবা প্রতিষ্ঠানগুলোকে সাংস্কৃতিক বিতর্কে না জড়িয়েই নিঃসরণ কমানোর সুযোগ দেয়।
সূত্র: Green Queen


মন্তব্য
(০)