দ্রুত বৃদ্ধি, আকর্ষণীয় গড়ন এবং বেশি দুধ ও মাংসের জন্য দেশে জনপ্রিয় হচ্ছে বিটল জাতের ছাগল। ময়মনসিংহ সদর উপজেলায় পেশার পাশাপাশি শখের বশে এক চিকিৎসক গড়ে তুলেছেন বিটল ছাগলের খামার। চার বছর আগে ছোট পরিসরে শুরু হওয়া খামারে এখন ছোট-বড় মিলিয়ে প্রায় ২৫টি বিটল ছাগল আছে।
শুরুতে রোগবালাই, খাদ্যাভ্যাস ও স্বাস্থ্যঝুঁকি বুঝতে তিনি নাটোর থেকে অনলাইনে তিনটি ক্রস জাতের ছাগল কেনেন। দেড় বছর সেগুলো পালন করে চিকিৎসা, টিকা ও পরিচর্যার অভিজ্ঞতা নেওয়ার পর খাঁটি বিটল সংগ্রহ করেন। এখন ভারত ও পাকিস্তান থেকে আনা রক্তধারার পাঁঠা ও পাঁঠি খামারে বংশবৃদ্ধি করছে।
বিটল চেনার উপায় হলো মার্বেলের মতো সাদা চোখ, পেছনে বাঁকানো শিং, ধনুকের মতো বাঁকা রোমান নাক, লম্বা ঝোলানো কান ও উঁচু কাঠামো। প্রাপ্তবয়স্ক বিটলের উচ্চতা সাধারণত ৩৮ ইঞ্চি বা তার বেশি। খামারের ছাগলগুলো দিনে গড়ে প্রায় তিন লিটার পর্যন্ত দুধ দেয়।
দেশি ব্ল্যাক বেঙ্গলের দুধ বাচ্চার চাহিদা মেটানোর পর বাড়তি থাকে না, কিন্তু বিটলের ক্ষেত্রে বাচ্চা বড় হওয়ার পরও প্রচুর দুধ উদ্বৃত্ত থাকে। দেশি ছাগল বছরে দুবার বাচ্চা দিলেও বিটল প্রায় দেড় বছরে দুবার বাচ্চা দেয়; প্রথমবার একটি, পরে সাধারণত দুটি করে। বাচ্চার বৃদ্ধি দ্রুত; আড়াই মাস বয়সী একটি পাঁঠার ওজন এরই মধ্যে ২৫ কেজি।
পুষ্টির জন্য দানাদার খাবারের পাশাপাশি খামারে নিয়মিত খনিজ লবণ ঝুলিয়ে রাখা হয়।
সূত্র: দিনাজপুর টিভি



মন্তব্য
(০)