সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮—আদা - আমদানিকৃত১৬৭—আদা - দেশী১৫৪—আমন চাল - মাঝারি৫৬—আমন চাল - মোটা৪৮—আমন চাল - সরু৭২—আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২—কাঁচা মরিচ২১৮—খামারের মুরগী১৬২—খাসী৯০০—চিনি (দেশী)১৩২—ছোলা - গোটা৮৫—ডিম ফার্ম - লাল৪৭—পেঁয়াজ - দেশী৬০—বোরো চাল - মাঝারি৫৫—বোরো চাল - মোটা৪৭—বোরো চাল - সরু৬৬—মাংসঃ– গরু৭২৯—মুগ ডাল১২২—রসুন - আমদানিকৃত১৯২—রসুন - দেশী১৭৩—সয়াবিন তেল১৬৩—
হালনাগাদ ১৪ অক্টোবর ২০২৬
ঢাকা৩১°পরিষ্কার আকাশআর্দ্রতা ৫৭%বাতাস ৮ কিমি/ঘ

ই-বর্জ্যের ৯৭ শতাংশ যায় অনানুষ্ঠানিক খাতে, নিবন্ধিত প্রতিষ্ঠান মাত্র সাতটি

আন্তর্জাতিক ই-বর্জ্য দিবসে টিআইবির গবেষণা বলছে, ভোক্তা পর্যায়ে ই-বর্জ্য সংগ্রহের প্রায় ৯৭ শতাংশ অনানুষ্ঠানিক খাতে, পরিবেশ অধিদপ্তরে নিবন্ধিত প্রতিষ্ঠান সাতটি; সিসা, পারদ ও ক্যাডমিয়াম মিশছে মাটি, পানি ও বাতাসে।

ই-বর্জ্যের ৯৭ শতাংশ যায় অনানুষ্ঠানিক খাতে, নিবন্ধিত প্রতিষ্ঠান মাত্র সাতটি
পরিবেশ

অকেজো মোবাইল ফোন, কম্পিউটার, টেলিভিশন, ফ্রিজ আর ব্যাটারি কোথাও ঘরে পড়ে থাকে, কোথাও ভাঙারির দোকানে যায়, কোথাও তামা বের করতে পোড়ানো হয় তার ও প্লাস্টিক। এতে সিসা, পারদ ও ক্যাডমিয়াম ছড়াচ্ছে মাটি, পানি ও বাতাসে। ১৪ অক্টোবর আন্তর্জাতিক ই-বর্জ্য দিবসে সমকাল জানিয়েছে, দেশে ই-বর্জ্য সংগ্রহ, নিরাপদ প্রক্রিয়াজাত ও পুনর্ব্যবহারের সমন্বিত ব্যবস্থা এখনো গড়ে ওঠেনি।

ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের (টিআইবি) ২০২৫ সালজুড়ে করা গবেষণা, প্রকাশ ৩০ ডিসেম্বর, বলছে ভোক্তা পর্যায়ে ই-বর্জ্য সংগ্রহের প্রায় ৯৭ শতাংশ হয় অনানুষ্ঠানিক খাতে; এ কাজে পরিবেশ অধিদপ্তরে নিবন্ধিত প্রতিষ্ঠান মাত্র সাতটি। বিটিআরসিতে নিবন্ধিত ১৪টির সাতটিই পরিবেশ অধিদপ্তরে নিবন্ধিত নয়। ২০২১ সালে বিধিমালা হলেও সংগ্রহকেন্দ্র নেই, সিটি করপোরেশন বা পৌরসভায় জমা দেওয়ার নির্দিষ্ট জায়গাও নেই।

টিআইবির ৬৭৫ জনের অনলাইন জরিপে ৮৮ শতাংশ বলেছেন, অকেজো পণ্য নিরাপদে ফেলার কোনো নির্দেশনা পান না; ৭২ শতাংশের ঘরে এমন পণ্য পড়ে আছে, ৭৩ শতাংশ কখনো ফেরত নেওয়ার প্রস্তাব পাননি। কাস্টমসের তথ্যে ২০২২ থেকে ২০২৪ সালে ১৪,৯৮৫ টন ই-বর্জ্য উপাদান আমদানি আর ৪,০৪০ টন রপ্তানি হয়েছে; কিছু পাইকার নজরদারি ছাড়াই সার্কিট বোর্ড বিদেশে পাঠাচ্ছেন, আর কিছু নিবন্ধিত প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে বাসেল কনভেনশনের অনুমোদনের চেয়ে বেশি রপ্তানির অভিযোগ আছে।

দেশে বছরে কত ই-বর্জ্য তৈরি হয়, তার পূর্ণ হিসাব নেই। এক সমীক্ষায় ২০১৬ সালে ৩ লাখ ১০ হাজার টন, ২০১৮ সালে ৪ লাখ টন; বছরে প্রায় ২০ শতাংশ বৃদ্ধি ধরলে ২০৩৫ সালে তা ৪৬ লাখ টনে পৌঁছাতে পারে। সংগ্রহকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর হিসাবে বছরে ২৮ থেকে ৩০ লাখ টন, সম্ভাব্য বাজারমূল্য ৫,৫০০ থেকে ৬,০০০ কোটি টাকা। জাতিসংঘের গ্লোবাল ই-ওয়েস্ট মনিটর ২০২৪ অনুযায়ী, ২০২২ সালে বিশ্বে ৬ কোটি ২০ লাখ টন ই-বর্জ্য তৈরি হয়েছে।

স্বাস্থ্যবিদদের মতে সিসা শিশুর মস্তিষ্ক ও স্নায়ুর বিকাশে বাধা দেয়, পারদ স্নায়ুতন্ত্রের ক্ষতি করে, ক্যাডমিয়াম কিডনি ও হাড়ের। সবচেয়ে ঝুঁকিতে গ্লাভস ও মাস্ক ছাড়া কাজ করা শ্রমিক আর আশপাশের বাসিন্দারা; বিষাক্ত উপাদান মাটি-পানিতে মিশে কর্মস্থলের বাইরেও ছড়ায়। অথচ ই-বর্জ্যে আছে তামা, সোনা, রুপা, অ্যালুমিনিয়াম ও প্যালাডিয়াম: টিআইবির হিসাবে ঢাকার অনানুষ্ঠানিক সংগ্রহস্থলের বছরে ১,১৭৩ টন থেকেই প্রায় ৩১ টন তামা, যার দাম সাড়ে ৩ কোটি টাকার বেশি, উদ্ধার সম্ভব। প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞ সুমন আহমেদ সাবির বলেন, বিষাক্ত অংশ আলাদা নিষ্পত্তি, শ্রমিকের সুরক্ষা আর উৎপাদক ও আমদানিকারকের জবাবদিহি ছাড়া এ সম্ভাবনা কাজে লাগানো যাবে না।

ছবি: Umbrela Verde / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY 2.0); ইলেকট্রনিক বর্জ্যের প্রতীকী ছবি

সূত্র: সমকাল

সমকালসূত্র

পরিবেশ

সম্পর্কিত খবর

মতামত

নিঃসরণ ০.০৫ শতাংশ, ক্ষতি পাহাড়সম: নেপালের শিক্ষায় অনুদানভিত্তিক জলবায়ু অর্থায়ন চান রাকিব হোসেন

খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতির পিএইচডি গবেষক রাকিব হোসেন লিখেছেন, বিশ্বের কার্বন নিঃসরণে মাত্র ০.০৫ শতাংশ অবদানের নেপাল যেমন বারবার দুর্যোগের দাম দিচ্ছে, বাংলাদেশও তেমনি; তাই ঋণ নয়, অনুদানভিত্তিক জলবায়ু অর্থায়ন দরকার।

ঢাকা পোস্ট১৪ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
পরিবেশ

সিসামুক্ত বাংলাদেশের ১০ বছরের কৌশল অনুমোদিত, এবার বাস্তবায়নের তাগিদ; আসছে ব্যাটারির ইপিআর

পরিবেশমন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু বলেছেন, মন্ত্রিসভায় অনুমোদিত ‘সিসামুক্ত বাংলাদেশ বিনির্মাণে জাতীয় কৌশল ও কর্মপরিকল্পনা ২০২৬-২০৩৫’ এখন বাস্তবায়নের পালা; সিসা-অ্যাসিড ব্যাটারির জন্য উৎপাদক দায়বদ্ধতা কাঠামো তৈরি হচ্ছে।

দেশ রূপান্তর১৪ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
আঙিনা কৃষি

বসতবাড়ির গাছের কার্বন বেচে কৃষকের আয়: গাকৃবির ‘কার্বোডিট’ উদ্ভাবন এশিয়ায় রানার্সআপ

গাজীপুর কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের দল কার্বোডিট বসতবাড়ি ও কৃষি বনায়নের গাছের কার্বন মজুত মেপে ক্ষুদ্র কৃষককে কার্বন ক্রেডিটের বাজারে আনার মডেল দিয়ে কলম্বোয় সিরডাপের আঞ্চলিক উদ্ভাবন প্রতিযোগিতায় ১৮৭ প্রস্তাবের মধ্যে রানার্সআপ হয়েছে।

সমকাল১৪ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

(০)