এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের খাদ্যব্যবস্থাকে ভবিষ্যতের ধাক্কার জন্য তৈরি করার খরচ কোনো একটি পক্ষ একা বইতে পারে না, এজিনেভিগেটরকে এ কথা বলেছেন এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের (এডিবি) বেসরকারি খাত কার্যক্রমের মহাপরিচালক ইসাবেল চ্যাটারটন (Isabel Chatterton)। তাঁর ভাষায়, সক্ষমতার খরচ সবার দায়িত্ব, তবে প্রাথমিক বিনিয়োগ করবে তারাই, যারা সেটি সবচেয়ে ভালো সামলাতে পারে।
তিনি বলেন, সেচ, বন্দর, গ্রামীণ সড়ক, গুদাম ও জরুরি পরিবহনের মতো অবকাঠামো এবং খাদ্য নিরাপত্তা নিয়ন্ত্রণ, বাজারতথ্য ও লক্ষ্যভিত্তিক সামাজিক সুরক্ষার মতো জনসেবার খরচ সরকারের। এতে পুরো ব্যবস্থার ঝুঁকি কমে, বেসরকারি বিনিয়োগ আসে এবং নিম্ন আয়ের ভোক্তারা সুরক্ষা পান।
বেসরকারি কোম্পানির উচিত সরবরাহকারী বৈচিত্র্য, উৎস শনাক্তের ব্যবস্থা, জলবায়ু-সহিষ্ণু সংগ্রহ, পরিবহন ও প্রক্রিয়াজাতকরণ সক্ষমতায় বিনিয়োগ করা। ভোক্তা দাম বা করের মাধ্যমে কিছু খরচ বহন করতে পারেন, তবে ভালো বিনিয়োগে দামের ওঠানামা ও দীর্ঘমেয়াদি ক্ষতি কমবে বলে মনে করেন তিনি।
বহুপক্ষীয় উন্নয়ন ব্যাংক ঝুঁকি ভাগাভাগি করে এবং বাজারে চাপের সময়ও অর্থায়ন চালু রেখে সরকারি ও বেসরকারি স্বার্থ মেলায়। চ্যাটারটন বাণিজ্য অর্থায়নের উদাহরণ দেন, যা বন্দর বা গুদামের মতো চোখে পড়ে না, কিন্তু তারল্য সংকটেও লাভজনক লেনদেন চালু রাখে। এডিবির ট্রেড অ্যান্ড সাপ্লাই চেইন ফাইন্যান্স প্রোগ্রাম ২০২৫ সালে ৫৭০ কোটি ডলারের বাণিজ্যে সহায়তা দিয়েছে, যার ১৭০ কোটি ডলার খাদ্য নিরাপত্তার সঙ্গে যুক্ত।
কোভিড-১৯ মহামারি, ইউক্রেনে রাশিয়ার যুদ্ধ আর মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনা অঞ্চলটির খাদ্য নিরাপত্তার দুর্বলতা দেখিয়ে দেওয়ার পর প্রশ্নটি আরও জরুরি হয়েছে। ২৭-২৯ অক্টোবর সিঙ্গাপুরে এপ্যাক এগ্রি-ফুড ইনোভেশন সামিটে চ্যাটারটনের বক্তব্য দেওয়ার কথা। প্রতিবেদনটি করেছেন আমান্ডা লিম।
ছবি: Eugene Alvin Villar (seav) / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY-SA 4.0)
সূত্র: AgNavigator





মন্তব্য
(০)