ড্রাগন চাষে নতুন স্বপ্ন বুনছেন আশরাফুল
বেকার আশরাফুল এক সময় ড্রাগন ফল চিনতেনই না। পরে বিভিন্ন মানুষের কাছে ও অনলাইনে দেখে শুরু করে ড্রাগন চাষ। স্বাবলম্বী হতে নিজে স্বপ্ন দেখেন অন্যকে স্বপ্ন দেখান। বাজারে ড্রাগনের দাম শ
বেকার আশরাফুল এক সময় ড্রাগন ফল চিনতেনই না। পরে বিভিন্ন মানুষের কাছে ও অনলাইনে দেখে শুরু করে ড্রাগন চাষ। স্বাবলম্বী হতে নিজে স্বপ্ন দেখেন অন্যকে স্বপ্ন দেখান। বাজারে ড্রাগনের দাম শুনে চোখ কপালে উঠে আশরাফুলের। কেজি প্রতি সাড়ে পাঁচশ টাকা! তখন চিন্তা করলেন এই ফলের চাষ তিনিও তো করতে পারেন। এ ভাবনা থেকেই তিনি শুরু করেন ড্রাগন ফলের চাষ।
আশরাফুল ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলার শ্যামগ্রাম ইউনিয়নের শ্রীঘর বগাহানী গ্রামের মজিবুর রহমানের ২য় ছেলে। পরীক্ষামূলকভাবে ৬ মাস আগে ৬ শতাংশ জায়গায় লক্ষাধিক টাকা ব্যয় করে ড্রাগন গাছ লাগিয়ে ৩৭৫টি পিলার তৈরি করে। সেই পিলারে এখন ড্রাগনের গাছগুলোতে ফলের অপেক্ষায় আশরাফুল।
ড্রাগন ফলের বাগান ছাড়াও তার রয়েছে আরও অনেক পরিকল্পনা। ড্রাগন ফল বিক্রির বার্ষিক আয় ৬০ হাজার টাকা লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছেন তিনি। যা দিনে দিনে আরও বাড়বে বলে আশা তার।
আশরাফুল বলেন, চাকুরী বা প্রবাসে যাওয়ার আশায় সময় নষ্ট করে দেয় কিন্তু আমি এসব বাদ দিয়ে পেশা হিসেবে নিয়েছি এই কৃষিকেই। গ্রামের মানুষের কৌতূহল কি হবে এসব করে। মানুষের কৌতূহলকে বাস্তবে রূপ দিতে এবং অন্যরাও যাহাতে এই কাজ করতে উদ্বুদ্ধ হয় সেই পরিকল্পনায় এগিয়ে চলছি। নিজের সাধ্য দিয়ে এই পরিকল্পনা শুরু করেছি তবে কৃষি বিভাগ থেকে সহযোগিতা করলে আরো এগিয়ে যেতে পারবো।
নবীনগর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা রফিকুল ইসলাম বলেন, আমি নতুন যোগদান করেছি। বর্তমানে নবীনগরে ড্রাগন ফল চাষের তথ্য আমার কাছে নেই। কৃষি বিভাগ থেকে ড্রাগনের উপর কোন প্রণোদনা নেই তবে কেউ সহযোগিতা চাইলে কৃষি বিভাগ থেকে প্রশিক্ষণ এবং কারিগরি সহায়তা প্রদান করা হবে।



