সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮—আদা - আমদানিকৃত১৬৭—আদা - দেশী১৫৪—আমন চাল - মাঝারি৫৬—আমন চাল - মোটা৪৮—আমন চাল - সরু৭২—আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২—কাঁচা মরিচ২১৮—খামারের মুরগী১৬২—খাসী৯০০—চিনি (দেশী)১৩২—ছোলা - গোটা৮৫—ডিম ফার্ম - লাল৪৭—পেঁয়াজ - দেশী৬০—বোরো চাল - মাঝারি৫৫—বোরো চাল - মোটা৪৭—বোরো চাল - সরু৬৬—মাংসঃ– গরু৭২৯—মুগ ডাল১২২—রসুন - আমদানিকৃত১৯২—রসুন - দেশী১৭৩—সয়াবিন তেল১৬৩—
হালনাগাদ ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ঢাকা৩৫°মেঘলাআর্দ্রতা ৪৪%বাতাস ১১ কিমি/ঘ

দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় পুনরুৎপাদনশীল কৃষির পথে বড় বাধা সমন্বিত ঝুঁকি ব্যবস্থাপনার অভাব

সিঙ্গাপুরের আইসিস-ইউসুফ ইসহাক ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক পল টেং বলেছেন, আসিয়ানের পুনরুৎপাদনশীল কৃষির কাঠামো আছে, কিন্তু ১০ কোটি কৃষকের ফসলহানি, বিমা ও অর্থায়ন এক সুতোয় গাঁথার ব্যবস্থা নেই।

দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় পুনরুৎপাদনশীল কৃষির পথে বড় বাধা সমন্বিত ঝুঁকি ব্যবস্থাপনার অভাব
ফসল

দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় পুনরুৎপাদনশীল কৃষির একটি আঞ্চলিক নীতি কাঠামো আছে, কিন্তু খামারের ঝুঁকি সামলানোর কোনো সমন্বিত ব্যবস্থা নেই, আর এই ঘাটতিই পদ্ধতিটির বিস্তার আটকে রাখছে। এ কথা বলেছেন সিঙ্গাপুরের ISEAS-Yusof Ishak Institute (আইসিস-ইউসুফ ইসহাক ইনস্টিটিউট)-এর ভিজিটিং সিনিয়র ফেলো অধ্যাপক Paul Teng (পল টেং)।

সেপ্টেম্বরে বেইজিংয়ের পিংগুতে ওয়ার্ল্ড এগ্রি ফুড ইনোভেশন সম্মেলনের এক ফোরামে অধ্যাপক টেং বলেন, আসিয়ান উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি করেছে; আঞ্চলিক কাঠামো ও বাস্তবায়ন পরিকল্পনাও তৈরি হয়েছে। কিন্তু বিনিয়োগকারী, নিয়ন্ত্রক সংস্থা, বিমাকারী ও কৃষককে এক টেবিলে আনার প্রাতিষ্ঠানিক ব্যবস্থা এখনো অনুপস্থিত।

তাঁর ভাষায়, ফসলহানি, বিমা, এমন আলাদা আলাদা সমস্যার জন্য আলাদা কৌশল আছে, কিন্তু কোনোটিই অন্যটির সঙ্গে যুক্ত নয়, আর এটিই দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার বাস্তব সমস্যা।

বিশ্ববিদ্যালয় ও কোম্পানিগুলোতে প্রচুর গবেষণা চলছে বলে জানান তিনি। এখন দরকার এমন নীতি, যা পরীক্ষামূলক প্রকল্পের বাইরে বড় পরিসরে নিতে অর্থায়ন ও বিনিয়োগের পথ খুলে দেবে।

অঞ্চলটির কৃষির কাঠামো কাজটিকে আরও কঠিন করেছে। টেংয়ের হিসাবে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় প্রায় ১০ কোটি কৃষক, যাঁদের বেশির ভাগই ক্ষুদ্র চাষি। তাঁদের ভূদৃশ্য বা বাস্তুতন্ত্র পর্যায়ে সংগঠিত করাই স্বাভাবিক সমাধান, কিন্তু এর জন্য উপযুক্ত নীতি বা আর্থিক প্রণোদনার উদাহরণ খুব কম।

নিয়মকানুনও বাধা। টেং জানান, অঞ্চলের বেশির ভাগ দেশে জৈব উপকরণ ব্যবহারের কোনো বিধিমালা নেই; জীবন্ত অণুজীব থাকায় কাঁচা গোবর সার পর্যন্ত সীমান্তের এপার-ওপার নেওয়া যায় না। তাঁর মতে, সমস্যা একটি নয়, অনেকগুলোর মিশ্রণ।

উন্নয়নশীল দেশে সরকারকেই প্রথম পদক্ষেপ নিতে হবে, কারণ সরকারের নীতিই বাকি সবকিছুর ভিত্তি তৈরি করে, বলেন টেং। কোটি কোটি ক্ষুদ্র কৃষক, বিচ্ছিন্ন ঝুঁকি-ব্যবস্থা আর জৈব উপকরণ নিয়ে অস্পষ্ট নিয়ম, তাঁর বর্ণিত এই চিত্র দক্ষিণ এশিয়ার কৃষিনীতির সামনেও রয়েছে।

প্রতিবেদনটি এজিনেভিগেটরের জন্য লিখেছেন অ্যামান্ডা লিম।

ছবি: Dragfyre / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY-SA 3.0)

সূত্র: AgNavigator

AgNavigatorসূত্র

ফসল

সম্পর্কিত খবর

ফসল

কৃষক, প্রজননবিদ ও সিজিআইএআরকে নিয়ে বীজ ও কৌলিসম্পদ আইন নতুন করে লিখছে কেনিয়া

কেনিয়ার কৃষি মন্ত্রণালয় বীজ ও উদ্ভিদ জাত বিল ২০২৬ এবং উদ্ভিদ কৌলিসম্পদ ইনস্টিটিউট বিল ২০২৬ সংশোধন করছে; কৃষক, বীজ কোম্পানি, প্রজননবিদ ও সিজিআইএআরের সাতটি কেন্দ্র এতে মত দিয়েছে।

ILRI৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
বিশ্ব

এল নিনোর খরা-বন্যায় ঝুঁকিতে লাতিন আমেরিকার আড়াই কোটির বেশি শিশু: ইউনিসেফ

রেকর্ড শক্তিশালী হতে যাওয়া এল নিনোর খরা ও বন্যায় লাতিন আমেরিকার ২ কোটি ৫৮ লাখ শিশু, অর্থাৎ প্রতি সাতজনে একজন, বাড়তি ঝুঁকিতে; মধ্য আমেরিকায় ফসলহানিতে অপুষ্টির শঙ্কা, বলছে ইউনিসেফ।

বাসস৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
বাংলাদেশ

সক্রিয় তিস্তা প্লাবনভূমি (AEZ-2): তিস্তার চর, বন্যা আর কৃষকের জীবন

তিস্তা, ধরলা ও দুধকুমার নদীর সক্রিয় প্লাবনভূমি নিয়ে দেশের দ্বিতীয় কৃষি-পরিবেশ অঞ্চল। এখানে নদী নতুন জমি গড়ে, আবার পুরোনো জমি কেড়ে নেয়। সেই চরেই কৃষক ভুট্টা, আলু, মরিচ, গাজর ফলান। এই অঞ্চলকে বুঝতে দরকার গ্রাম আর মাঠের দীর্ঘমেয়াদি তথ্য; উপগ্রহচিত্র আর মেশিন লার্নিংও কাজে আসবে, যদি তা কৃষকের জমিতে যাচাই হয়।

তানিয়া চৌধুরী৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬১২ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

(০)