সুইডেনের কোম্পানি আরেভো (Arevo) তাদের বীজ শোধন পণ্য আর্জিনেক্স কর্ন (Arginex Corn)-এর মাঠ পরীক্ষার ফল প্রকাশ করেছে। ২০২৪ ও ২০২৫ সালে ফ্রান্স, জার্মানি, ইতালি, স্পেন, পোল্যান্ড ও ব্রাজিলে ভিন্ন ভিন্ন পিএইচ ও বুনটের মাটিতে স্বাধীন চুক্তিভিত্তিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান পরীক্ষাগুলো চালায়।
২০২৫ সালের ইউরোপের এক পরীক্ষায় প্রচলিত নাইট্রোজেন সার ৩০ শতাংশ কমিয়েও আর্জিনেক্স দেওয়া ভুট্টায় দানা ৪.৩ শতাংশ পর্যন্ত বেশি হয়েছে, যা পূর্ণ মাত্রার সারের তুলনায় পরিসংখ্যানগতভাবে তাৎপর্যপূর্ণ। অন্য পরীক্ষায় ৩০ শতাংশ কম নাইট্রোজেনে পূর্ণ মাত্রার সমান ফলন এসেছে। দক্ষিণ আমেরিকার তিনটি স্থানে নাইট্রোজেন ও ফসফরাস ৪০ শতাংশ কমিয়েও পূর্ণ সারের সমান ফলন মিলেছে।
পূর্ণ মাত্রার সারের সঙ্গে ব্যবহার করলে গড়ে ৩.৪ শতাংশ, এক জায়গায় ৩.৮ শতাংশ পর্যন্ত বেশি ফলন হয়েছে। সাইলেজ ভুট্টায় ২৫ শতাংশ কম নাইট্রোজেনে পুরো গাছের জৈববস্তু ৪.৭ শতাংশ পর্যন্ত বেড়েছে; অঙ্কুরোদ্গমে প্রভাব পড়েনি, গাছের উচ্চতা বেড়েছে ৮ শতাংশ পর্যন্ত।
আর্জিনেক্সে অ্যামিনো অ্যাসিড আর্জিনিন আর ফসফেট মিলে ধীরে ছাড়া হওয়া একটি যৌগ তৈরি হয়। আরেভোর দাবি, খনিজে ভাঙার আগেই গাছ এটি নিতে পারে; এটি জীবাণুহীন, দীর্ঘদিন ভালো থাকে এবং প্রচলিত বীজ শোধনের সঙ্গে ব্যবহার করা যায়। আর্জিনিন মাইকোরাইজা ছত্রাকের মতো মাটির জীবন ও শুরুর দিকে শিকড় বৃদ্ধিতে সাহায্য করে বলেও দাবি কোম্পানির।
প্রধান নির্বাহী নিকলাস অ্যাস্ট্রম বলেন, এটি জীবাণুহীন একক যৌগ, তাই প্রতিটি ব্যাচে হুবহু একই অণু থাকে। ফলাফলগুলো কোম্পানি প্রকাশ করেছে; পিয়ার-রিভিউ হয়েছে বলে জানানো হয়নি।
ছবি: Lotus Head / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY-SA 3.0)
সূত্র: গ্লোবাল এগ্রিকালচার





মন্তব্য
(০)