দুই প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী ব্রাজিল ও অস্ট্রেলিয়ার সরবরাহ সাময়িকভাবে শুকিয়ে যাওয়ায় চীনে গরুর মাংস বিক্রিতে অল্প সময়ের জন্য হঠাৎ উল্লম্ফন দেখতে পারে আর্জেন্টিনা—রয়টার্সের বরাতে রোসারিও শস্য এক্সচেঞ্জের এক প্রতিবেদনে এ কথা বলা হয়েছে। চীন বিশ্বের বৃহত্তম গরুর মাংস আমদানিকারক, আর আগামী কয়েক সপ্তাহ সেখানে আর্জেন্টিনা ও উরুগুয়ে স্বাভাবিকের চেয়ে অনেক কম প্রতিযোগিতার মুখে পড়বে: অস্ট্রেলিয়ার রপ্তানি কোটা ফুরিয়ে গেছে, ব্রাজিল চালান তীব্রভাবে কমিয়েছে।
আর্জেন্টিনার গবাদিপশুর বাজারে প্রভাব এরই মধ্যে দৃশ্যমান। জবাইয়ের জন্য বিক্রি হওয়া বেশির ভাগ পশুর দাম স্থির থাকলেও রপ্তানিতে সাধারণত ব্যবহৃত গাভির দাম বেড়েছে। সরবরাহও কমছে: প্রাণিস্বাস্থ্য সংস্থার তথ্যে জানুয়ারি–আগস্টে জবাইয়ে পাঠানো গাভির সংখ্যা গত বছরের চেয়ে ১৩ শতাংশ কমে ১৬ লাখে নেমেছে, আর সেপ্টেম্বরের প্রথম দুই সপ্তাহে চালান ২০২৫ সালের একই সময়ের চেয়ে আরও ১৫ শতাংশ কম।
চীনা ক্রেতাদের দেওয়া দাম বাড়ছে। এক্সচেঞ্জের হিসাবে চীনে পাঠানো গরুর মাংসের শ্যাংক ও ফোরকোয়ার্টার কাটের রপ্তানি দাম টনপ্রতি ৭,৭০০ ডলারে উঠেছে—এক মাস আগে ৭,২০০ আর এক বছর আগে ৫,৪০০ ডলার। ব্রাজিল ও অস্ট্রেলিয়া জায়গা ফিরে পাওয়ার আগে এই সুযোগ ৬০ দিনের বেশি টিকবে না বলে এক্সচেঞ্জের ধারণা। দ্য ক্যাটল সাইট, রয়টার্সের বরাতে।
ছবি: Beatrice Murch / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY 2.0)
সূত্র: The Cattle Site





মন্তব্য
(০)