আফ্রিকার কৃষি-খাদ্যব্যবস্থায় কতজন তরুণ কাজ করছেন কেবল তা নয়, সেই কাজ মর্যাদাপূর্ণ কি না তা মাপতে হবে, এক স্বাক্ষরিত মতামত লেখায় এমন যুক্তি দিয়েছেন এজিআরএর প্রেসিডেন্ট অ্যালিস রুহওয়েজা (Alice Ruhweza) ও আন্তর্জাতিক খাদ্যনীতি গবেষণা প্রতিষ্ঠান ইফপ্রির মহাপরিচালক ইয়োহান সুইনেন (Johan Swinnen)। মতামত লেখকদের নিজস্ব।
তাঁরা আফ্রিকান ইউনিয়নের উদ্যোগে, এজিআরএ ও ইফপ্রিসহ অংশীদারদের সহায়তায় জুলাইয়ে নবম আফ্রিকা কৃষি বিজ্ঞান সপ্তাহে চালু হওয়া ইয়ুথ ইন অ্যাগ্রিফুড সিস্টেমস পারফরম্যান্স ইনডেক্সের (ইয়াপি) কথা বলেন, যা দেখায় তরুণেরা যুক্ত হচ্ছেন কি না, ক্ষমতায়িত হচ্ছেন কি না এবং টেকসই উদ্যোগ গড়তে পারছেন কি না।
ক্যামেরুন, আইভরি কোস্ট, মিসর, এসওয়াতিনি, গাম্বিয়া, কেনিয়া, মালাউই, মরক্কো, নাইজেরিয়া, তিউনিসিয়া ও উগান্ডা, এই ১১টি দেশের পাইলটে সামগ্রিক স্কোর এসেছে ৫-এর মধ্যে মাত্র ১.৫৫, যা মানসম্পন্ন কর্মসংস্থানের পথে কাঠামোগত বাধা এবং সুযোগ, শাসন ও সহনশীলতার তথ্যে বড় ঘাটতি দেখায়।
লেখকদের মতে, কেবল তরুণ জনসংখ্যা থাকলেই জনমিতিক সুফল আসবে না; তরুণেরা যখন জীবিকা গড়ার সক্ষমতা, সম্পদ, বাজার ও কণ্ঠস্বর পাবেন তখনই আসবে, আর সৎভাবে তা মাপা এখন উন্নয়নের অপরিহার্য শর্ত।
ছবি: Ji-Elle / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY-SA 3.0)
সূত্র: এজিআরএ





মন্তব্য
(০)