আফ্রিকার প্রতিষ্ঠানগুলোকে একটি অভিন্ন সমৃদ্ধির লক্ষ্যে সাজাতে হবে, যার মাপকাঠি হবে কৃষি উদ্যোগ লাভবান হচ্ছে কি না, এমন যুক্তি দিয়েছেন আফ্রিকায় কৃষি উন্নয়নে কাজ করা সংস্থা এজিআরএর (AGRA) যোগাযোগ ও প্রচার প্রধান অ্যাগি কন্ডে (Aggie Konde), তাঁর স্বাক্ষরিত "প্রসপেরিটি আর্কিটেকচার" লেখার দ্বিতীয় পর্বে। মতামত লেখকের নিজস্ব।
কন্ডের মতে, কৃষক খাদ্যব্যবস্থার কেবল সুবিধাভোগী নন, বরং প্রথম ও সবচেয়ে বড় ঝুঁকি নেওয়া বিনিয়োগকারী; কোনো প্রক্রিয়াজাতকারী বা ব্যাংক এগোনোর আগেই তিনি জমি, শ্রম, পুঁজি ও সময় ঢেলে দেন, আর আবহাওয়া, উপকরণের দাম ও বাজারের ঝুঁকি বহন করেন।
বিদ্যুৎ, রাস্তা, সেচ, অর্থায়ন, বিমা, মান, গবেষণা ও স্থিতিশীল নীতি, সবই সেই আয় ঠিক করে; অথচ অর্জন এখনো মাপা হয় প্রতিষ্ঠানভেদে, কত কিলোমিটার রাস্তা বা কত বাজেট খরচ হলো তা দিয়ে। তাঁর মতে, অর্থ মন্ত্রণালয়কে আলোচনার কেন্দ্রে আনা দরকার, কারণ বাজেটই দেখায় বিভিন্ন খাতের খরচ মিলে সুসংগত কৌশল হয় কি না। উদাহরণ হিসেবে তিনি কেনিয়ার চা অর্থনীতির কথা বলেন, যেখানে প্রতিষ্ঠানগুলো এমন কাজ করে যা একা কোনো কৃষক পারেন না।
ছবি: bandabarn / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY 2.0)
সূত্র: এজিআরএ





মন্তব্য
(০)