ফলমৌসুম শেষেও বাজারে কাটিমন, কেজি ১৬০ থেকে ৩০০ টাকা; চাষে আগ্রহ বাড়ছে
থাই জাতের বারোমাসি কাটিমন আম বছরে তিন দফা ফল দেয়; ছোট গাছ ঘন করে লাগানো যায়, অফ-সিজনে দাম ভালো, তবে অতিবৃষ্টি ও শীতে মুকুল নষ্টের ঝুঁকি আছে।
ফলথাই জাতের বারোমাসি কাটিমন আম বছরে তিন দফা ফল দেয়; ছোট গাছ ঘন করে লাগানো যায়, অফ-সিজনে দাম ভালো, তবে অতিবৃষ্টি ও শীতে মুকুল নষ্টের ঝুঁকি আছে।
ফলচাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুর উপজেলার রাজারামপুর গ্রামের রফিকুল ইসলাম ২০১২ সালে বারোমাসি আমের চাষ শুরু করেন; ২০২৫ সালের এপ্রিলে তিনি জাগো নিউজকে জানান, তার আম বাগান তখন প্রায় ৮০০ বিঘার।
ভিডিওবরেন্দ্র এমন সবুজ আর সমৃদ্ধ ছিলো না। গত শতাব্দীর সেই আশির দশক থেকে এ অঞ্চলের কৃষি সংস্কৃতির সাথে পরিচয়। বহুবার প্রতিবেদন ধারণ করতে এ অঞ্চলগুলোতে আসা হয়েছে। সে সময় দেখেছি সেচের অভাবে কৃষিকাজ তেমন হতো না। ফলে কর্মহীনতাই ছিলো এখানকার দারিদ্রতার মূল কারণ। বৃষ্টির ওপর নির্ভর করে বছরে একটা ফসল হয়তো ফলানো
এবার বারোমাসি আমের চমক দেখাচ্ছেন চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার গোমস্তাপুরের রফিকুল। ৬৪০ বিঘার বিশাল মিশ্র ফল বাগানের ২৬ বিঘায় এবার বিস্ময়কর ফলন এসেছে কাটিমন আমের।
ঢাকা শহরের শ্যামলী পার্কে কেয়া, রাধাচূড়া, ঝাউগাছের সঙ্গে দেখা গেল চার-পাঁচ ফুট উচ্চতার একটি আমগাছ। একটু খেয়াল করে দেখা গেল, আমগাছটিতে মুকুল ও গুটি এসেছে। কৌতূহলী হয়ে কিছু ছবি ত
ফলবারোমাসি আমের বিশাল বাগান গড়ে তুলেছেন চুয়াডাঙ্গার জীবননগর উপজেলার কৃষি উদ্যোক্তা আবুল কাশেম। হেমন্তের এই সময়ে তার বাগানে গাছ ভরা আম ছড়াচ্ছে আকর্ষণ ও সৌরভ। সুমিষ্ট ওই আম সারাদেশে সম্প্রসারণের আশা সংশ্লিষ্টদের।