অতিরিক্ত গরমে দিনাজপুরের গ্রীষ্মকালীন টমেটোর বাজারে ধস
প্রচণ্ড গরম ও তীব্র দাবদাহে দিনাজপুরে গ্রীষ্মকালীন টমেটো বাজারে ধস নেমেছে। শুরুতে বিক্রি হওয়া ১১০০ টাকা মণের টমেটো এখন বিক্রি হচ্ছে ৩০০ থেকে ৩৫০ টাকা মণ হিসেবে।
প্রচণ্ড গরম ও তীব্র দাবদাহে দিনাজপুরে গ্রীষ্মকালীন টমেটো বাজারে ধস নেমেছে। শুরুতে বিক্রি হওয়া ১১০০ টাকা মণের টমেটো এখন বিক্রি হচ্ছে ৩০০ থেকে ৩৫০ টাকা মণ হিসেবে।
যে টমেটো গত বছর জমিতে বিক্রি হয়েছে ২০ থেকে ২৫ টাকা কেজি দরে। এবার সেই টমেটো চাষিরা বিক্রি করছেন মাত্র ৩ থেকে ৫ টাকায়। ভরা মৌসুমে টমেটো ভালো দামে বিক্রি করতে পারলেও শেষ সময়ে মাথায় হাত উঠেছে কৃষকের।
চাঁদপুরে গত কয়েকদিনের টানা দাবদাহে মৌসুমী সবজির ক্ষতির আশঙ্কা করছেন কৃষকরা। সবজির আবাদ টিকিয়ে রাখতে এরইমধ্যে ওষুধসহ বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়েছেন তারা। তবে সবজি ভালো রাখতে কৃষকদের সার্বিক পরামর্শের আশ্বাস দিচ্ছে কৃষি বিভাগ।
রমজানে শসার বাজার চড়া থাকলেও বর্তমানে দাম নিয়ে বিপাকে পড়েছেন চাষিরা। এ অবস্থায় চাষিদের কাছ থেকে 'ন্যায্যমূল্যে' শসা কিনে নিচ্ছে বলে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে রিটেইল চেইন সুপারশপ 'স্বপ্ন'।
আধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে কৃষি উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় জৈবিক কৃষি ও জৈবিক বালাই ব্যবস্থাপনায় লাউ চাষ শুরু করেন ৩ ভাই। লাউ চাষে রোগবালাই কম ও ঝুঁকি না থাকায় তারা সফল হয়েছেন। বিষ দিতে হয়নি বলে এ লাউ খেতেও খুব সুস্বাদু। তবে ৩ ভাইয়ের সফলতা দেখে স্থানীয় কৃষকেরাও এখন লাউ চাষে আগ্রহী হচ্ছেন।
লেটুস পাতা চাষে অভাবনীয় সাফল্য অর্জন করেছেন যশোরের শার্শার চাষিরা। উপজেলার সদর ও উলাশী ইউনিয়নের কয়েকটি এলাকায় এ বছর চাষ হয়েছে বিদেশি এই লেটুস পাতা।
চট্টগ্রামের মিরসরাই উপজেলায় মিষ্টি আলু চাষে লাভবান হচ্ছেন কৃষকেরা। ফলে দিন দিন এই আলু চাষে আগ্রহী হয়ে উঠছেন তারা। বিস্তীর্ণ চরে বিশেষ করে বালু চরে ফসলটি বেশি আবাদ হচ্ছে। পাশাপাশি অন্যান্য জমিতেও আবাদ জমির পরিমাণ বেড়ে চলেছে। উপজেলা কৃষি অফিসের পরামর্শে কৃষকরা অল্প পুঁজি বিনিয়োগ করেই লাভের মুখ দেখছে।
দিনাজপুরের বিরামপুরে মৌসুমের শেষ ভাগে পাঁচ টাকায় মিলছে বাঁধাকপি। এতে লোকসান গুনছেন কৃষকরা। তবে দাম কম হওয়ায় সাধারণ ক্রেতাদের মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে।
ভোলার বিচ্ছিন্ন চরাঞ্চলে কৃষকরা এ বছর লাভজনক ফসল ক্যাপসিকাম চাষে ঝুঁকছেন। জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে বিভিন্ন ধরনের সবজি চাষে তেমন লাভবান না হওয়ায় এবার কৃষকরা ক্যাপসিকাম চাষে ঝুঁকেছেন বলে দাবি করেন। তারা জানান, ক্যাপসিকাম ক্ষেতে পোকা-মাকড়ের তেমন আক্রমণ না হওয়ায় তেমন পরিশ্রমও করতে হয়না। কম খরচে অধিক লাভজ
সিদ্ধিরগঞ্জের মিনজার হোসেন লাউ চাষ করে পরিবারের পুষ্টি চাহিদা মেটানোর পাশাপাশি বাজারে বিক্রি করে আর্থিকভাবে লাভবান হচ্ছেন। এবার লাউয়ের ভালো ফলন হওয়ায় ভীষণ খুশি তিনি। তার আশেপাশের বিভিন্ন বাসাবাড়ি, প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠলেও চাষাবাদের জন্য জমিটি অক্ষুণ্ন রেখেছেন। এতে লাভ কম হলেও লাউ চাষ করে তিনি সন্তুষ্ট।
জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে বৃষ্টি, জোয়ারের পানি ও লবণাক্ত পানিতে প্রতি বছরই ক্ষতিগ্রস্ত হতো ভোলার চরাঞ্চলের কৃষকদের সবজি। তবে এ বছর কৃষকেরা ক্ষতি থেকে ফসলকে রক্ষার জন্য দলবদ্ধ হয়ে মাচা পদ্ধতিতে সবজি চাষ করে তাক লাগিয়ে দিয়েছেন। নতুন এ পদ্ধতিতে সবজির ক্ষেতে সব রকমের বিপদের পাশাপাশি রোগ ও পোকামাকড়ের আক্রমণ
১ বিঘা পতিত জমিতে পরীক্ষামূলক খিরার চাষ করে লাভবান হয়েছেন ফেনীর সোনাগাজী উপজেলার দক্ষিণ চর চান্দিয়ার একরামুল হক। মাত্র ৭ হাজার টাকা পুঁজিতে তিনি ২ লাখ টাকার খিরা বিক্রি করেছেন। এছাড়া সব সময় খিরার চাহিদা থাকায় কৃষকেরাও এটি চাষ করে বেশ লাভবান হচ্ছেন। উপজেলার চর চান্দিয়া ইউনিয়নের দক্ষিণ ও উত্তর চর চান্
সিয়াম মাহমুদ