মেঘলা বিকেলে চায়ের সঙ্গী পাকোড়া, এক নজরে ৩ রেসিপি
মেঘলা আকাশ, হালকা বৃষ্টি আর এক কাপ গরম চা - এই সময়টাতে মন চায় একটু মুখরোচক কিছু। এমন আবহাওয়ায় ভাজাপোড়া খাবারের প্রতি আকর্ষণ যেন আরও বেড়ে যায়।
মেঘলা আকাশ, হালকা বৃষ্টি আর এক কাপ গরম চা - এই সময়টাতে মন চায় একটু মুখরোচক কিছু। এমন আবহাওয়ায় ভাজাপোড়া খাবারের প্রতি আকর্ষণ যেন আরও বেড়ে যায়।
মৌসুমের শুরুতেই শিলাবৃষ্টির কবলে পড়েছে চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা। হঠাৎ এই দুর্যোগে সবচেয়ে বেশি দুশ্চিন্তায় পড়েছেন আমচাষিরা। ঝড়ো হাওয়া ও শিলার আঘাতে আমসহ অন্যান্য ফসলের ক্ষতির আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
কৃষক আব্দুল হাই (৫৯)। পুরো পরিবারের খাওয়াদাওয়া, বাচ্চাদের লেখাপড়াসহ সব খরচই আসে ধান থেকে। শ্রমে-ঘামে ফলানো সেই ধান এবার পাকার দুই সপ্তাহ আগেই তলিয়ে গেছে পানিতে। সামনে একটা বছর কীভাবে যাবে, এই চিন্তায় দিশাহারা তিনি।
ফসল২০২৬ সালের ২৪ মার্চ বিকেল ও রাতে দুই দফা শিলাবৃষ্টিতে কিশোরগঞ্জের প্রায় চার হাজার হেক্টর জমির বোরো ধান ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে জেলা কৃষি বিভাগের প্রাথমিক হিসাবে জানা গেছে; সবচেয়ে বেশি ক্ষতি মিঠামইনসহ হাওরাঞ্চলে।
বৃষ্টি মৌসুমের শুরুতেই শিলাবৃষ্টিতে আক্রান্ত উত্তরের জেলা পাবনা। ঝড়ো হাওয়া ও ভারী বৃষ্টির সঙ্গে দীর্ঘ সময় শিলার আঘাতে দুশ্চিন্তায় পড়েছেন জেলার লিচু ও আম চাষিরা। ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা অন্যান্য ফসল নিয়েও। বুধবার (১৮ মার্চ) রাত সাড়ে ৮টায় শুরু হয়ে দীর্ঘ এক ঘণ্টারও বেশি সময় বর্ষিত হয় এ বৃষ্টি।
সম্প্রতি দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে শিলাবৃষ্টি ও আকস্মিক বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষকে চলমান ছুটির মধ্যে সহায়তার জন্য কৃষি এবং দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ত্রাণ মন্ত্রণালয়কে নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
ফল২০২৬ সালের ১৫ মার্চ রোববার রাত ১০টার দিকে মুকুলে ভরা চাঁপাইনবাবগঞ্জের আমবাগানে মুষলধারে বৃষ্টি হয়। এতে মুকুল ও গুটি নষ্ট হওয়ার আশঙ্কার কথা জাগো নিউজকে জানান চাষিরা; জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর বলেছে, চাষিদের সতর্ক করা হয়েছে।
ফসল২০২৬ সালের ১৪ মার্চ রাতে শেরপুরের শ্রীবরদী ও ঝিনাইগাতী উপজেলায় ঝড়-বৃষ্টির সঙ্গে হঠাৎ শিলাবৃষ্টি হয়। ধান ও কলাচাষিরা ক্ষতির আশঙ্কা করছিলেন; প্রশাসন ও কৃষি বিভাগ ক্ষয়ক্ষতির তথ্য সংগ্রহ শুরু করে।
টানা তিন মাসের ভারী বৃষ্টিতে যশোরের চৌগাছা উপজেলার নারানপুর ইউনিয়নের প্রায় ৪ হাজার বিঘা কৃষি জমি তলিয়ে গেছে। এতে অন্তত ১০ হাজার পরিবার সরাসরি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। অথচ মাত্র আধা কিলোমিটার ড্রেন নির্মাণ করলেই ওই পানি নিষ্কাশন সম্ভব।
আষাঢ় শেষে এখন শ্রাবণ। কিন্তু দিনাজপুরে কাঙ্ক্ষিত বৃষ্টির দেখা মেলেনি। খাল-বিল, ডোবা অথবা বাড়ির পাশে নিচু জমি কোথাও পানি নেই। ফলে পাট জাগ দিতে না পেরে দুশ্চিন্তায় পড়েছেন দিনাজপুরের পাটচাষিরা। এতে কষ্টের ফসল সোনালি আঁশ এখন কৃষকের গলার ফাঁস হয়ে দাঁড়িয়েছে।
বর্ষাকাল মানেই বৃষ্টির ধারা, জমে থাকা পানি, আর কিছুটা বিপদের আশঙ্কা। বিশেষ করে বাড়ির আশেপাশে পানি জমে থাকলে সাপের উপদ্রব বেড়ে যাওয়ার ভয় থাকে।
গত কয়েক দিনের টানা বর্ষণে দেশের ২১টি জেলায় মাঠে থাকা আউশ, আমন বীজতলা, বোনা আমন, পাট, শাক-সবজি, ফলের বাগান, পান, তরমুজ পানিতে নিমজ্জিত হয়েছে। বন্যার পানিতে শুধু কৃষকের ফসল আর ঘর-বাড়ি নয়; ভেসে যায় মানুষের জীবন, স্বপ্ন আর ভবিষ্যৎ! এ যেন এক নিষ্ঠুর পুনরাবৃত্তি। বছরের পর বছর একই দৃশ্য। তবে নেই কোনো প্
একটা সময় ছিল, যখন গ্রামের সকালে কিংবা দুপুরের বৃষ্টিভেজা বাতাসে হঠাৎ করেই কোথা থেকে যেন এক মিষ্টি অথচ রহস্যময় সুরে ভেসে আসতো—কুপ-কুপ-কুপ। সেই সুরে যেন প্রকৃতি নিজেই ডাকে; কারও মনোযোগ চায়। আশপাশের বড়রা তখন বলতেন, 'দেখিস, কানাকুয়া ডাকছে, এখনই বৃষ্টি নামবে!' যেন পাখির ডাকেই প্রকৃতি সাড়া দেয়। এ ব