সবুজ বাংলাদেশ গড়তে পরিবেশ সুরক্ষার বিকল্প নেই
ড. সৈয়দ হুমায়ুন কবির
ড. সৈয়দ হুমায়ুন কবির
চা ছাড়া আমাদের একটিদিনও কাটানো সম্ভব না, সেই সকালে ঘুম ভাঙার পর থেকে রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগ পর্যন্ত ৭-৮ কাপ চা খান অনেকে। অনেকে এর চেয়েও বেশি। তবে আমরা বেশিরভাগ সময় খেয়ে থাকি লাল চা, দুধ চা, মসলা চা কিংবা স্বাস্থ্য সচেতন যারা তারা গ্রিন টি। ৫-১০টাকায় এক কাপ চা খাওয়া যায় অনায়াশে। তবে যদি বলি এমন অনেক
'জান দেব তো, ধান দেবো না,' 'আধি নাই তে-ভাগা চাই,' 'লাঙ্গল যার জমি তার,' 'তেভাগা'র চেতনা ভুলিনাই ভুলবনা' এমন স্লোগানে প্রকম্পিত করে ৪ জানুয়ারি রোববার দিনাজপুরে পালিত হচ্ছে ঐতিহাসিক তেভাগা দিবস। দিবসটি স্মরণে তেভাগা আন্দোলনে ব্রিটিশ পুলিশ বাহিনীর গুলিতে প্রথম শহীদ শিবরাম মাঝি ও সমিরুদ্দিনের শহীদ হওয়ার
'প্রকৃতির সঙ্গে সামঞ্জস্য এবং টেকসই উন্নয়ন'এ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে আজ পালিত হচ্ছে, জাতীয় জীববৈচিত্র্য দিবস। প্রতিপাদ্যের মূল লক্ষ্য হলো জীববৈচিত্র‍্য সংরক্ষণ এবং টেকসই উন্নয়নের লক্ষ্যের মধ্যেকার সংযোগকে তুলে ধরা, যাতে সবাই একসঙ্গে প্রকৃতির সুরক্ষায় কাজ করতে পারে।
মেক্সিকোর ঐতিহ্যবাহী শহর ওয়াক্সাকায় প্রতি বছর ডিসেম্বরের শেষ দিকে আয়োজিত হয় ব্যতিক্রমী ও বর্ণিল উৎসব 'নাইট অন দ্য র‍্যাডিশেস', যা বাংলায় পরিচিত 'মুলার রাত' নামে। এই উৎসবের কেন্দ্রবিন্দুতে থাকে সাধারণ একটি সবজি 'মুলা'। তবে এখানে মুলা আর রান্নাঘরের উপকরণ থাকে না, বরং শিল্পীদের হাতে তা রূপ নেয় অসাধ
ফসল২০২৫ সালের ১৬ অক্টোবর ঢাকায় বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিলে বিশ্ব খাদ্য দিবসের আলোচনা সভায় খাদ্য সচিব মো. মাসুদুল হাসান খাদ্য নিরাপত্তার জন্য কৃষি গবেষণার ওপর জোর দেন এবং গবেষণার ফল কৃষকের কাছে পৌঁছে দেওয়ার আহ্বান জানান।
পোষা প্রাণীর মধ্যে বিড়াল সবচেয়ে আদুরে এবং প্রিয় সবার কাছে। মানুষ এবং বিড়ালের এই সুসম্পর্ক আজ থেকে নয়। বিড়াল মানুষের ইতিহাসের সঙ্গে মিশে আছে কোটি কোটি বছর ধরে। তবে মানুষ এবং বিড়ালের মধ্যে অনেক দীর্ঘ এবং কখনো কখনো জটিল সম্পর্ক রয়েছে। মিশরীয় আমলে বিড়ালের পূজা করা থেকে শুরু করে মধ্যযুগে তাদের ভয় কর
প্রাণী বাঁচান, গ্রহ বাঁচান (সেভ অ্যানিম্যালস, সেভ দ্য প্ল্যানেট) প্রতিপাদ্যে আজ বিশ্ব প্রাণী দিবসের ১০০তম বার্ষিকী উদযাপিত হচ্ছে। পৃথিবীজুরে প্রাণীদের অধিকার নিশ্চিত করার জন্য প্রতিবছর ৪ অক্টোবর দিবসটি পালিত হয়। পুরো পৃথিবীর প্রাকৃতিক ভারসাম্য ঠিক রাখতে সৃষ্টিকর্তা মানুষের পাশাপাশি প্রাণীকুল সৃষ্টি
ফাহিম হাসনাতআজ ৪ অক্টোবর, শততম বিশ্ব প্রাণী দিবস। কিন্তু এই দিবসটি উদযাপনের চেয়ে জরুরি হলো পৃথিবীতে প্রাণের অস্তিত্বের ওপর নেমে আসা ঘোর বিপদ নিয়ে আলোচনা করা। বিজ্ঞানীরা পৃথিবীর প্রথম প্রাণী হিসেবে জলজ জেলিফিশ আবিষ্কার করেছিলেন।
ছোট্ট রিশান হাত ধরে বাবার সঙ্গে ঢুকেছে চিড়িয়াখানায়। কৌতূহলী চোখে চারপাশ দেখছে সে। খাঁচার ভেতর এক কোণে বসে আছে এক বানর। চুপচাপ, একেবারে নীরব। রিশান বিস্ময়ে তাকিয়ে থাকে। কিন্তু পাশে দাঁড়ানো কয়েকজন তরুণ পাথর কুড়িয়ে বানরের দিকে ছুড়ে মারে। কেউ আবার পানির বোতল ছুড়ে দিয়ে হেসে ওঠে। ভয় পেয়ে বানরটা আচমকা লাফি
কংক্রিটের শহরে ছাদ বাগানের জনপ্রিয়তা বাড়ছে। নগরবাসী নিজেদের ছাদে সবজি, ফল, ফুল ও নানা ধরনের গাছ লাগাচ্ছেন। একদিকে যেমন তারা তাজা খাদ্য পাচ্ছেন, অন্যদিকে ছাদের তাপমাত্রায়ও ধীরে ধীরে পরিবর্তন আসছে। প্রশ্ন উঠতে পারে, ছাদের বাগানগুলো কি সত্যিই ওজোন স্তর রক্ষায় কোনো ভূমিকা রাখে?
বাস্তুতন্ত্রের ভারসাম্য নষ্ট হচ্ছে সুন্দরবনে। জলবায়ু পরিবর্তন, খাদ্য সংকট ও চোরাশিকারিদের কারণে হুমকির মুখে পড়েছে বিপন্ন প্রাণী বাঘ। প্রাকৃতিক বাসস্থান সংকুচিত হওয়ার পাশাপাশি খাদ্যের ঘাটতি বাঘের অস্তিত্বকে মারাত্মকভাবে ঝুঁকির মধ্যে ফেলেছে। ফলে বাঘের টিকে থাকা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
বাঘের সংখ্যা বেড়েছে। এটি নিঃসন্দেহে এক ধরনের আশার বার্তা। কিন্তু সুন্দরবনের গভীরে যাদের প্রতিদিন যাওয়া হয়, যারা বনের ভেতর মাছ ধরেন, মধু সংগ্রহ করেন কিংবা গাছের পাতা কেটে আনেন; তারা কি বাঘকে আগের মতো ভয় পান! নাকি ভয়টা এখন অন্যকিছু? এ প্রশ্নটা এখন খুব জরুরি। বিশেষ করে যখন 'বিশ্ব বাঘ দিবসে' বলে উঠি 'বা