ফলচাঁপাইনবাবগঞ্জে বারোমাসি কাটিমন আমের চমক
এবার বারোমাসি আমের চমক দেখাচ্ছেন চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার গোমস্তাপুরের রফিকুল। ৬৪০ বিঘার বিশাল মিশ্র ফল বাগানের ২৬ বিঘায় এবার বিস্ময়কর ফলন এসেছে কাটিমন আমের।
ফলএবার বারোমাসি আমের চমক দেখাচ্ছেন চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার গোমস্তাপুরের রফিকুল। ৬৪০ বিঘার বিশাল মিশ্র ফল বাগানের ২৬ বিঘায় এবার বিস্ময়কর ফলন এসেছে কাটিমন আমের।
ফলমোটামুটি মার্চ মাসেই আম গাছে মুকুল আসতে থাকে। এ মুকুলের মধ্যে থাকে হাজার হাজার ফুল। তা থেকে জন্ম নেয় আমের গুটি। কিন্তু গাছে গুটি আসার পর নানা কারণে তা ঝরে যায়। তাই এসব কারণ ও প্র
সারা দেশের প্রকৃতি এখন ছেয়ে আছে আম ও লিচুর মুকুলে। ফাল্গুনী হাওয়ার সঙ্গে যোগ হয়েছে আমের মুকুল। গাছের শাখে শাখে আগুনরঙা ফুল। চারিদিকে স্বর্ণালী শোভা। যেমন তার সৌন্দর্য, তেমনি তার
‘গুটি (আটি) আম এক সময় ফেলে দিতাম। তেমন দাম ছিল না। সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম আটি আমের সমস্ত গাছ কেটে জমিতে অন্য কিছু করব। তা আর করতে হয়নি। এই আমে যে এত মধু আছে, তা আগে জানতাম না। প্রা
ঢাকা শহরের শ্যামলী পার্কে কেয়া, রাধাচূড়া, ঝাউগাছের সঙ্গে দেখা গেল চার-পাঁচ ফুট উচ্চতার একটি আমগাছ। একটু খেয়াল করে দেখা গেল, আমগাছটিতে মুকুল ও গুটি এসেছে। কৌতূহলী হয়ে কিছু ছবি ত
এই আম হিমসাগর নামেও পরিচিত।
ফলবারোমাসি আমের বিশাল বাগান গড়ে তুলেছেন চুয়াডাঙ্গার জীবননগর উপজেলার কৃষি উদ্যোক্তা আবুল কাশেম। হেমন্তের এই সময়ে তার বাগানে গাছ ভরা আম ছড়াচ্ছে আকর্ষণ ও সৌরভ। সুমিষ্ট ওই আম সারাদেশে সম্প্রসারণের আশা সংশ্লিষ্টদের।
ফলমুন্সীগঞ্জের লৌহজংয়ের প্রত্যন্ত গ্রাম মাধাইসুরে সমৃদ্ধ এক আমবাগান গড়ে তুলেছেন প্রতিষ্ঠিত এক ব্যবসায়ী। পৈত্রিক ভিটার সঙ্গে যোগাযোগ রাখা ও পরিবারে বিশুদ্ধ ফলের চাহিদা পুরণের লক্ষ্য থেকেই তিনি গড়েছেন বাগানটি। এ বছর বাগানটি পূর্ণ হয়ে উঠেছে আমে।
মুকুল থেকে গুটি হয়ে আম পূর্ণাঙ্গ আকার নিতে শুরু করলেই শুরু হয় রোগ-বালাই পোকামাকড়ের উপদ্রব। বাগানমালিক ও চাষীর দাবি আমকে পোকা ও ছত্রাকের হাত থেকে বাঁচাতে অনেক আগেই থেকেই প্রয়োগ করতে হয় নানা কীটনাশক ওষুধ।
দেশে সব ফলেরই উৎপাদন বেড়েছে। এই দৌড়ে সব চেয়ে এগিয়ে আছে আম। মৌসুমী এই ফলের উৎপাদন ও বাণিজ্যের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন লাখ লাখ মানুষ। সম্পর্ক গড়ে উঠেছে হাজার হাজার কোটি টাকার। কিন্তু ফল বাণিজ্যের এই বিশাল ক্ষেত্র নিয়ে সরকারি প্রস্তুতি ও তৎপরতা না থাকায় ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন চাষী ও বাগানমালিকরা।
এবারই প্রথম গাছ থেকে আম ভাঙার তারিখ নির্ধারণ করে দেয় প্রশাসন। কিন্তু বিষয়টি সুপরিকল্পিত নয় বলে অভিযোগ রয়েছে চাষী ও বাগান মালিকদের। আবার কারো কারো মতে, বাগানমালিকদের ঢালাও অভিযোগও গ্রহণযোগ্য নয়। কিন্তু তারিখ নিয়েও রয়েছে নানা রকম বিভ্রান্তি যা কাটিয়ে তোলা দরকার বলেও মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
এবারই প্রথম গাছ থেকে আম ভাঙার তারিখ নির্ধারণ করে দেয় প্রশাসন। কিন্তু বিষয়টি সুপরিকল্পিত নয় বলে অভিযোগ রয়েছে চাষী ও বাগান মালিকদের। আবার কারো কারো মতে, বাগানমালিকদের ঢালাও অভিযো
সারাদেশের বাজারে আমের ব্যাপক সমারোহ থাকলেও এবার কাঙ্খিত দাম পাওয়া যাচ্ছে না বলে জানিয়েছেন চাষী, বাগান মালিক ও ব্যবসায়ীরা। এই লোকসানের পেছনে প্রশাসনের হস্তক্ষেপকে আংশিক দায়ী করছেন তারা। তবে আমে এবার ক্ষতিকর কোনো রাসায়নিক ব্যবহার হয়নি বলে জোর দাবি তাদের।