মৎস্যছুটির দিনে রাঁধুন ইলিশ বিরিয়ানি
ইলিশ মাছের যে কোনো পদই স্বাদে অনন্য। তবে ইলিশ দিয়ে যদি বিশেষ কোনো পদ রাঁধতে চান তাহলে সেরা বিকল্প হতে পারে ইলিশের বিরিয়ানি। একবার খেলে বারবার খেতে ইচ্ছে করবে এই পদ।
মৎস্যইলিশ মাছের যে কোনো পদই স্বাদে অনন্য। তবে ইলিশ দিয়ে যদি বিশেষ কোনো পদ রাঁধতে চান তাহলে সেরা বিকল্প হতে পারে ইলিশের বিরিয়ানি। একবার খেলে বারবার খেতে ইচ্ছে করবে এই পদ।
মৎস্যচট্টগ্রামের মিরসরাই উপজেলার সীমান্ত এলাকা দিয়ে ভারতে পাচারের সময় ১৮ পিস ইলিশ মাছ জব্দ করেছে বিজিবি।
মৎস্যমাছের বাজার এখন অনেকটাই ইলিশের দখলে। ভরা মৌসুমে বাজারে ইলিশের এমন উপস্থিতি সবার নজর কাড়ছে। তবে স্বাদ ও সাধ্যের মধ্যে ব্যবধান তৈরি করছে ইলিশের আকাশছোঁয়া দাম। আগ্রহ নিয়ে ইলিশের দাম জিজ্ঞেস করলেও অধিকাংশ ক্রেতাই ফিরে যাচ্ছেন হতাশ হয়ে।
মৎস্যইলিশ মাছের স্বাদ নেওয়ার উপযুক্ত সময় হলো বর্ষাকাল। ঝিরিঝিরি বৃষ্টির দুপুরে ধোঁয়া ওঠা গরম খিচুড়ির সঙ্গে ইলিশ ভাজা কিংবা গরম ভাতের সঙ্গে ইলিশের নানা পদ দারুণ মানিয়ে যায়।
মৎস্যভরা মৌসুমেও ইলিশের দামে আগুন। সিন্ডিকেটের কারণেই মূলত ইলিশ সাধারণের নাগালের বাইরে। একই অবস্থা ফরিদপুরেও। খবর পেয়ে অভিযান চালিয়েছে জেলা ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর। অভিযানের সময় ইলিশের দাম কমে যায় কেজিতে ২০০-৩০০ টাকা।
মৎস্যমৌসুমের শেষ সময়ে দেশের অন্যতম মৎস্য অবতরণ কেন্দ্র চাঁদপুর বড়স্টেশন মাছঘাটে বেড়েছে ইলিশের সরবরাহ। তবে প্রভাব পড়েনি দামে। চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে সুস্বাদু ইলিশ। ব্যবসায়ীরা বলছেন, ক্রেতাদের চাহিদার বিপরীতে সরবরাহ কম। এজন্য দাম চড়া।
মৎস্যএখনই প্রাণ ভরে ইলিশ মাছ খাওয়ার মৌসুম। বর্ষায় সবার ঘরেই কমবেশি ইলিশের পদ তৈরি হয়। ইলিশ ভাপা, পাতুরি কিংবা পাতলা ঝোল তো প্রায়ই খান, এবার না হয় ইলিশের দো পেঁয়াজা খেয়ে প্রাণ জুড়ান।
মৎস্যবিদেশ থেকে এসে এক বন্ধুকে নিয়ে পোল্ট্রি খামার করেছিলেন ফেনীর দাগনভূঁঞা উপজেলার জগৎপুরের বাসিন্দা শরিফ। বন্যায় তার চারটি পোল্ট্রি খামারে থাকা সাত হাজার মুরগির বাচ্চা ও মুরগির খাবার সবই নষ্ট হয়ে গেছে। কিছু সরিয়ে বাড়ির ছাদে রাখলেও সেখানে তাদের ব্যবস্থাপনা ঠিক না হওয়ায় মারা গেছে অনেক মুরগি। আর কিছু বিক্
মৎস্যএখনই প্রাণ ভরে ইলিশ মাছ খাওয়ার মৌসুম। বর্ষায় সবার ঘরেই কমবেশি ইলিশের পদ তৈরি হয়। ইলিশ ভাপা, পাতুরি কিংবা পাতলা ঝোল তো প্রায়ই খান, এবার না হয় ইলিশের লটপটি খেয়ে প্রাণ জুড়ান।
মৎস্যকলকাতাসহ পশ্চিমবঙ্গের বাজারগুলোতে দেখা নেই ইলিশের। যা দুয়েকটা মিলছে, তারও দাম আকাশছোঁয়া। এর ফলে কমে গেছে বেচাকেনা। তাতে যেমন বিক্রেতারা হতাশ, তেমনি মনখারাপ ক্রেতাদেরও।
মৎস্যদেশের মানুষকে না খাইয়ে ইলিশ বাইরে পাঠানো কোনোমতেই অ্যাপ্রুভ করেন না মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ফরিদা আখতার। তিনি বলেছেন, দেশের মানুষ ইলিশ পাবে না, আর বিদেশে রপ্তানি হবে, এটা হতে পারে না। আগে দেশকে গুরুত্ব দিতে হবে।
মৎস্যবর্ষাকালে ইলিশ খাওয়ার ধুম পড়ে যায় ঘরে ঘরে। যদিও ইলিশের দাম বেশ চড়া, তবুও এই মাছের স্বাদ নিতে একদিনের জন্য হলেও অনেকেই বাজার থেকে বড় মাপের ইলিশ কিনে ঘরে ফেরেন। শুধু ইলিশের সুস্বাদু পদ খাওয়ার জন্য।
মৎস্যমঙ্গলবার (২৩ জুলাই) মধ্যরাতে শেষ হয়েছে সাগরে মাছ ধরার ওপর ৬৫ দিনের নিষেধাজ্ঞা। এরইমধ্যে উপকূলে মাছ শিকার করা জেলেরা মাছ ধরার সামগ্রী নিয়ে সমুদ্রে নেমেছেন। তবে সমুদ্র উত্তাল থাকায় গভীর সমুদ্রের জেলেরা এখনো তীরে বসে আছেন। ৬৫ দিনের অবরোধ শেষ হতে না হতেই বৈরি আবহাওয়ার প্রভাব, তার ওপরে দেশব্যাপী চলমান কা