হৃদয়ে মাটি ও মানুষবন্যা পরিস্থিতি: কৃষি, প্রাণিসম্পদ ও মৎস্যখাতে ক্ষয়ক্ষতি
কৃষি, প্রাণিসম্পদ ও মৎস্যখাতে ক্ষয়ক্ষতি এবং পুনরুদ্ধার পরিকল্পনা
হৃদয়ে মাটি ও মানুষকৃষি, প্রাণিসম্পদ ও মৎস্যখাতে ক্ষয়ক্ষতি এবং পুনরুদ্ধার পরিকল্পনা
ছাদকৃষিঅনেকটা অনিবার্য কারণেই এখন অনেক নাগরিক যুক্ত হচ্ছেন ছাদকৃষিতে। ঢাকা নাখালপাড়ার কোহিনুর আক্তার তেমনি একজন। তিনি ছোটবেলা থেকেই কৃষিকে ভালোবাসেন। ২০১৮ সালে নিজস্ব বাড়ি নির্মাণের পর নিরাপদ শাকসবজি আর ফসল প্রাপ্তির আশায় গড়েছেন ছাদকৃষি। সাত তলার উপরে ২৭০০ বর্গফুট জুড়ে দুই স্তরে উৎপাদন করছেন বিষমুক্ত ফসল।
হৃদয়ে মাটি ও মানুষতিন তলা এই বাড়িটি গ্রামের এক সমৃদ্ধির উদাহরণ হয়ে দাঁড়িয়ে আছে। এই বাড়িটি আগে এমন ছিলো না। ছিলো ছোট টিন শেডের একটি ঘর। সেই ঘরে শখে আনা দুটি কোয়েল পাখি থেকে সূচনা হয় এক সমৃদ্ধির গল্প। সে সমৃদ্ধিই ছড়িয়ে পড়ে পুরো গ্রামে।
হৃদয়ে মাটি ও মানুষশুঁটকি বাজারে সকাল সকাল জমে ওঠেছে অন্যরকম ব্যস্ততা। হাক-ডাক। একদিকে নিলাম চলছে, অন্যদিকে পসরা সাজিয়েছেন বিক্রেতারা। চারদিকে শুঁটকির গন্ধ। কত নাম আর কত জাতের শুঁটকি যেন গুণে শেষ করা যাবে না।
কক্সবাজারআমার শুটিং চলাকালীন, হঠাৎ কক্সবাজারের এক ক্ষুদে ফটোগ্রাফার ফয়সালের সাথে দেখা হয়। সে জানায় যে সে খুব সুন্দর ছবি তুলতে পারে। আমার কৌতূহল বেড়ে যায় এবং আমি তার কাজ দেখতে চাই। ফয়সাল আমাদের সকলকে তার অসাধারণ ফটোগ্রাফি স্কিল দিয়ে অভিভূত করে। চলুন, এই ভিডিওতে দেখে নিই ক্ষুদে ফয়সালের চমকপ্রদ ফটোগ্রাফি এবং তা
ছাদকৃষিদেশের অন্যতম পর্যটন নগরী কক্সবাজার। বিশ্বের বৃহত্তম সমুদ্র সৈকতের পাড়ে অবস্থিত জেলা শহর কক্সবাজারের আয়তন প্রায় ৩২ বর্গকিমি। এই শহরে প্রতিদিন দেশ-বিদেশের হাজার হাজার পর্যটক ভীড় করে সাগর সৈকতের সৌন্দর্য উপভোগ করতে। এতে করে বাণিজ্যিক গরুত্ব বাড়ায় দিনে দিনে এই শহর বড় হচ্ছে। জানা যায়, এখানে ছোট বড় প্রায়
ছাদকৃষিসাম্প্রতিক বছরগুলোতে বাংলাদেশে যে রকমারি ফল উৎপাদন হচ্ছে তার একটা ক্ষুদ্র অংশের চর্চা ছাদকৃষিতেও দেখতে পাই। পেয়ারা, বারোমাসি আম, ড্রাগন, মাল্টা, কমলাসহ রকমারি উচ্চমূল্যের নতুন নতুন ফল উৎপাদন হচ্ছে ছাদকৃষিতে।
ঢাকামোহাম্মপুরে আসফিয়া সাবিনার ছাদকৃষি সম্পূর্ণ ভিডিও-
ঢাকামাত্র ২০০০ বর্গফুটের ছাদ। এখানেই নানা পরিকল্পনা ও কৌশলে মনের মতো করে সাজিয়েছেন জামশেদ আলী ও নিলুফার আলী দম্পতি। কৃষি ও প্রকৃতির প্রতি তাদের টান ছোটবেলা থেকেই। তবে নিজের বাড়ি নির্মাণের পর গত ৯ বছর অনুশীলনটি নিয়মিত করছেন। এখন এটি বৃক্ষশোভিত, প্রাচুর্যময় এক আয়োজন।
কৃষি দিবানিশিসৈয়দপুরের নয়াটোলা পাড়া। এখানে ছোট ও মাঝারি আকারের একাধিক খামার রয়েছে। স্থানীয় কৃষক মকসুদ আলমও অনেকদিন ধরে গাভী প্রতিপালন করছেন। তিনি প্রতিদিন গড়ে ২০ কেজি দুধ সরবরাহ করে থাকেন বাজারে। এত ছোট পরিসরেও গাভীর পাশাপাশি ছাগল, ভেড়া, কবুতর ও মুরগীও পালছেন মকসুদ। সমন্বিত এ উদ্যোগের আয় থেকেই চালাচ্ছেন সংসার।
কৃষি দিবানিশিউপকুলের কৃষির চিত্র দিনে দিনে বদলাতে শুরু করেছে। জলমগ্নতা, জোয়ারভাটার প্লাবন, লবণাক্ততা, অধিক ঝড়বাতাস ও গরম আবহাওয়ায় একসময় বৈচিত্রময় ফল ফসল উৎপাদনে অন্যতম বাঁধা হলেও প্রযুক্তির কল্যাণে এখন অনেকেই নতুন নতুন ফল ফসল আবাদ করছেন। আম চাষে তো রীতিমতো বিস্ময় সৃষ্টি করেছে দক্ষিণাঞ্চলের সাতক্ষীরা। এখানকার আম
হৃদয়ে মাটি ও মানুষ
কৃষকের ঈদ আনন্দ