তিন তলা এই বাড়িটি গ্রামের এক সমৃদ্ধির উদাহরণ হয়ে দাঁড়িয়ে আছে। এই বাড়িটি আগে এমন ছিলো না। ছিলো ছোট টিন শেডের একটি ঘর। সেই ঘরে শখে আনা দুটি কোয়েল পাখি থেকে সূচনা হয় এক সমৃদ্ধির গল্প। সে সমৃদ্ধিই ছড়িয়ে পড়ে পুরো গ্রামে।
উদ্যোক্তা আনোয়ারা খানম ডলি তার ব্যতিক্রমী চিন্তা আর উদ্যোগে দিনে দিনে গড়ে তুলেছেন বিশাল এই কোয়েল খামার।
বাড়ির নীচ তলায় ইনকিউবেশন ইউনিট। উদ্যোক্তার ভাষায় এখানেই 'বীজ ডিম' থেকে কোয়েলের বাচ্চা উৎপাদন করা হয়।
বাড়ির তিন তলায় চলছে কোয়েল পাখির ব্রুডিং। ডলি আমাদের সেখানে নিয়ে গেলেন।
যতদূর জেনেছি সর্বপ্রথম জাপানী গবেষকরাই কোয়েলকে গৃহপালিত পাখি হিসেবে পোষ মানানোর উপায় উদ্ভাবন করেন। পরবর্তীতে জাপানসহ পৃথিবীর অন্যান্য দেশে কোয়েল হয়ে ওঠে লাভজনক একটি পোলট্রি উপাদান। কোয়েল লালন পালনের খরচ তুলনামূলক অনেক কম।
সহজেই পোষ মানানো যায় বলে বাড়ির যে কোন কোণে বা আঙিনায় কিংবা বাড়ির ছাদে পালন সম্ভব। বাংলাদেশের আবহাওয়াও কোয়েল পালনের জন্য বেশ উপযোগী। উদ্যোক্তা ডলির মতে এদের রোগ বালাইও কম। দীর্ঘদিন ধরে কোয়েল লালন-পালন করায় চিকিৎসা পদ্ধতিও অনেকটা নিজেরা আয়ত্ব করে নিয়েছেন।





মন্তব্য
(০)