উপকুলের কৃষির চিত্র দিনে দিনে বদলাতে শুরু করেছে। জলমগ্নতা, জোয়ারভাটার প্লাবন, লবণাক্ততা, অধিক ঝড়বাতাস ও গরম আবহাওয়ায় একসময় বৈচিত্রময় ফল ফসল উৎপাদনে অন্যতম বাঁধা হলেও প্রযুক্তির কল্যাণে এখন অনেকেই নতুন নতুন ফল ফসল আবাদ করছেন। আম চাষে তো রীতিমতো বিস্ময় সৃষ্টি করেছে দক্ষিণাঞ্চলের সাতক্ষীরা। এখানকার আম এখন ইউরোপের বাজারে রপ্তানীও হচ্ছে। গোটা উপকূলীয় জেলার বসতবাড়ির আঙিনাতেও চাষ হচ্ছে নানাজাতের আম ও পেয়ারা। গতানুগতিক তরমুজ চাষেও এসেছে আধুনিকায়ন। এর পাশাপাশিমাঠ ফসলে ঢুকেছে উন্নত জাতের পেঁপে, কলা, কুল, ড্রাগনসহ বিভিন্ন উচ্চমুল্যের ফসল। এসব বাণিজ্যিক উদ্যোগে অনেকেই গড়ছেন সমন্বিত ফসলের বাগান। পটুয়াখালী জেলার দশমিনা উপজেলার বহরামপুর গ্রামের কৃষক সুলতান সর্দ্দারও তেমনি একজন উদ্যোক্তা।
পটুয়াখালীর ভিন্নধর্মী এক কৃষক সুলতান সর্দার | কৃষি দিবানিশি
উপকুলের কৃষির চিত্র দিনে দিনে বদলাতে শুরু করেছে। জলমগ্নতা, জোয়ারভাটার প্লাবন, লবণাক্ততা, অধিক ঝড়বাতাস ও গরম আবহাওয়ায় একসময় বৈচিত্রময় ফল ফসল উৎপাদনে অন্যতম বাঁধা হলেও প্রযুক্তির কল্যাণে এখন অনেকেই নতুন নতুন ফল ফসল আবাদ করছেন। আম চাষে তো রীতিমতো বিস্ময় সৃষ্টি করেছে দক্ষিণাঞ্চলের সাতক্ষীরা। এখানকার আম
কৃষি দিবানিশি
সম্পর্কিত খবর
কৃষি দিবানিশি৪৫ বিঘা আয়তনের বাণিজ্যিক আম বাগান | কৃষি দিবানিশি
ঠাকুরগাঁও-এ জাহিদ চাকলাদারের বাণিজ্যিক আম বাগান
কৃষি দিবানিশিনারী উদ্যোক্তা তানিয়া পারভীনের কেঁচো সার উৎপাদনে সাফল্য
সময়ের তাগিদেই আমাদের এখন মাটির স্বাস্থ্যের দিকে দৃষ্টি দিতে হবে। কেননা ফসলের উৎপাদন বাড়াতে হলে মাটির প্রাণ বাঁচানোর কোনো বিকল্প নেই। সেই মাটিকে বাঁচানোর অন্যতম উপায় হচ্ছে মাটির জৈব উপাদান ফিরিয়ে আনা। গত দেড় দশক ধরে আমরা দেশের বিভিন্ন প্রান্তে কাজে গিয়ে দেখেছি, ফসলের উৎপাদন বাড়ানোর তাগিদে অনেকেই রাসা
কৃষি দিবানিশিডেইরি শিল্পে সৈয়দপুরের ঘরে ঘরে উন্নয়নের জোয়ার | কৃষি দিবানিশি
সৈয়দপুরের নয়াটোলা পাড়া। এখানে ছোট ও মাঝারি আকারের একাধিক খামার রয়েছে। স্থানীয় কৃষক মকসুদ আলমও অনেকদিন ধরে গাভী প্রতিপালন করছেন। তিনি প্রতিদিন গড়ে ২০ কেজি দুধ সরবরাহ করে থাকেন বাজারে। এত ছোট পরিসরেও গাভীর পাশাপাশি ছাগল, ভেড়া, কবুতর ও মুরগীও পালছেন মকসুদ। সমন্বিত এ উদ্যোগের আয় থেকেই চালাচ্ছেন সংসার।


মন্তব্য
(০)