পেঁয়াজ চাষিদের জন্য সুখবর নিয়ে এলেন কৃষি বিজ্ঞানীরা
কৃষি বিজ্ঞানীরা জানান, একবিঘা জমিতে যেখানে পাঁচ থেকে ছয় মণ পেঁয়াজের বাল্ব বা কন্দ লাগে সেখানে কৃষক যদি পেঁয়াজের বীজ পান তাহলে তারা এককেজি বীজে পাঁচ থেকে ছয় হেক্টর জমিতে পে
কৃষি বিজ্ঞানীরা জানান, একবিঘা জমিতে যেখানে পাঁচ থেকে ছয় মণ পেঁয়াজের বাল্ব বা কন্দ লাগে সেখানে কৃষক যদি পেঁয়াজের বীজ পান তাহলে তারা এককেজি বীজে পাঁচ থেকে ছয় হেক্টর জমিতে পে
উৎপাদন খরচের চেয়ে লাভ বেশি হওয়ায় বিগত বছরের তুলনায় কালীগঞ্জ উপজেলায় এবার সবচেয়ে বেশি ভুট্টার আবাদ হয়েছে। তাছাড়া ভুট্টা মানুষের জন্য যেমন পুষ্টিকর তেমনই এটি এখন পোল্ট্রি ও ম
এগ্রোবিজবেগুন একটি মুখরোচক সবজি। ভাজি বা ভর্তা হিসেবে বেগুন খেতে খুবই সুস্বাদু। প্রতিদিনের তরকারিতে বেগুন থাকতেই পারে, তাতে কারো আপত্তি থাকার কথা নয়। তবে ডাব বেগুনের স্বাদ একটু আলাদা। আজ
কৃষি নির্ভর এ দেশের কৃষি পণ্যের অন্যতম ধান। ধানসহ নানা কৃষি পণ্যের চাহিদাও রয়েছে ঢাকা বিভাগের সর্ববৃহৎ জেলা টাঙ্গাইলে। এ জেলার অন্যতম কৃষিপণ্য ধানের চাহিদা পূরণে স্বার্থক ব্যক্তিত
ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট কর্তৃক উদ্ভাবিত ব্রি-৮৭ জাতের চিকন ধান চাষে কম সময়ে ফলন বেশি পাওয়া যাচ্ছে। ফলে যশোরের শার্শায় ব্রি-৮৭ জাতের ধান চাষে কৃষকদের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ দেখা দিয়েছ
এগ্রোবিজলোকসানের বোঝা মাথায় নিয়ে ইরি-বোরো চাষাবাদে ব্যস্ত নওগাঁর চাষিরা। শীতের মৌসুমে কয়েক দফা বৃষ্টি, ঘন কুয়াশা, শীত ও আবহাওয়া বিপর্যয়ে বীজতলা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় দেরিতে শুরু হয়েছে
মধু চাষের সঙ্গে বাংলাদেশের প্রায় সাড়ে চার লাখ কৃষক জড়িত। বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে মধু চাষের কারণেই আজ এত কৃষকের কর্মসংস্থান হয়েছে, যা ১০ বছর আগেও ছিল না। এসব কৃষক বছরে গড়ে ৮০০ থেকে
‘গুটি (আটি) আম এক সময় ফেলে দিতাম। তেমন দাম ছিল না। সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম আটি আমের সমস্ত গাছ কেটে জমিতে অন্য কিছু করব। তা আর করতে হয়নি। এই আমে যে এত মধু আছে, তা আগে জানতাম না। প্রা
শীত আর ঘন কুয়াশা উপেক্ষা করে গাইবান্ধায় শুরু হয়েছে ইরি-বোরো চাষাবাদ। শীতে ইরি-বোরোর চারা নষ্ট হলেও রোপণে ব্যস্ত সময় পার করছেন কৃষকরা।
বছরের পর বছর ধরে এমন ক্ষতির মুখে পড়ে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন কৃষকেরা
‘বোরো বীজের চারা কিনে রোপণ করলে আমার আরও অনেক টাকা খরচ হবে। অথচ বাজারে ধানের দাম অনেক কম পাই’
ব্রিটেনে এক গবেষণা বলছে, দেখতে ভালো লাগছে না এই যুক্তিতে ইউরোপের কৃষক এবং বিক্রেতারা প্রতি বছর পাঁচ কোটি টন খাদ্য বাতিল করে দেয়।
কৃষকের ধান সরকারি গুদামে গেল না! যে লক্ষ্য এবং উদ্দেশ্য নিয়ে সরকার কৃষকদের কাছ থেকে ধান ক্রয় করার কথা তা সফল হয়নি। লটারির মাধ্যমে খাদ্যগুদামে ধান সরবরাহ করায় ভাগ্য খুলেছে দালালদের,