লাইভস্টকদেশি মুরগির খামারে সফল সাইদুল
আমাদের দেশে একসময় গ্রামের প্রায় প্রতিটি পরিবারে মুরগি পালন করতে দেখা যেত। কিন্তু কালের বিবর্তনে বর্তমানে সেটি তেমন দেখা যায় না।
লাইভস্টকআমাদের দেশে একসময় গ্রামের প্রায় প্রতিটি পরিবারে মুরগি পালন করতে দেখা যেত। কিন্তু কালের বিবর্তনে বর্তমানে সেটি তেমন দেখা যায় না।
লাইভস্টকবরেন্দ্র অঞ্চলে কবুতরের বাসা হিসেবে মাটির হাঁড়ি এখনো টিকে আছে। এক সময় মাটির ঘরের কার্নিশে হাঁড়িতে ঝাঁক বেঁধে কবুতর বসে বাকবাকুম ডাক শোনাত। কালের বিবর্তনে আধুনিকতার ছোঁয়ায় সেই ডাক এখন খুব বেশি শোনা যায় না। তবে ভিন্ন চিত্র দেখা গেছে চাঁপাইনবাবগঞ্জের নাচোলে।
লাইভস্টককালীগঞ্জ উপজেলার নাগরী ইউনিয়নের পানজোরা গ্রামের বাসিন্দা মো. বিপ্লব হোসেন। উপজেলার এশিয়ান হাইওয়ে সড়কের পাশেই দোতলা বাড়ি। এলাকায় তাকে বিপ্লব মাস্টার বলেই ডাকেন সবাই। শিক্ষকতা করেন উপজেলার প্রাচীন বিদ্যাপীঠ সেন্ট নিকোলাস উচ্চ বিদ্যালয়ে।
পরিবেশপাখির বাসার ভাড়া পেলেন রাজশাহীর বাঘা উপজেলার পাঁচ বাগান মালিক। মঙ্গলবার (২৫ মে) বেলা সাড়ে ১১টায় তাদের হাতে তিন লাখ ১৩ হাজার টাকার চেক তুলে দেন উপজেলা চেয়ারম্যান লায়েব উদ্দিন।
পরিবেশমরা নারিকেল গাছের গর্তে বাসা বেধেছিল এক জোড়া টিয়া। ওই বাসায় এক জোড়া ছানাও জন্ম নেয়। কিন্তু বৃহস্পতিবার (৬ মে) সন্ধ্যায় ছানা দুটি চুরি হয়ে যায়। এতে বজ্রপাতে নারিকেল গাছ মরে যাওয়ায় যতটা না কষ্ট পেয়েছিলেন, এবার তার চেয়ে যেন বেশি কষ্ট পেলেন বাড়িওয়ালা কাজী সরোয়ার আলম পিয়ার (৫৮)। তিনি বজ্রাহতের মতো ছটফট ক
লাইভস্টককরোনা মহামারিতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় শিক্ষার্থীরা বাসায় অলস সময় পার করছেন। দীর্ঘ ছুটির এ সময়কে কাজে লাগিয়ে নিজ জেলা নরসিংদীর শিবপুরে কোয়েল পালন করে সফল হয়েছেন সাভারের গণ বিশ্ববিদ্যালয়ের (গবি) ছাত্র মো. সাকিকুল ইসলাম নাদিম। বর্তমানে কোয়েল খামার থেকে প্রতিমাসে তার আয় প্রায় ২০ হাজার টাকা।
লাইভস্টকবালুময় বিস্তীর্ণ মরুভূমি অঞ্চলের প্রাণী উটপাখির ডিম থেকে ইনকিউবেটরের (তাপযন্ত্র) মাধ্যমে চারটি বাচ্চা ফুটিয়ে তাক লাগিয়ে দিয়েছে গাজীপুরে অবস্থিত বঙ্গবন্ধু সাফারি পার্ক কর্তৃপক্ষ। আরও কিছু ডিম ইনকিউবেটরে রাখা আছে। এসব ডিম থেকে একাধিক উটপাখির বাচ্চা ফুটবে বলে আশা করছে পার্ক কর্তৃপক্ষ।
পরিবেশসাজেদুর আবেদীন শান্ত
লাইভস্টকসবুজে ঘেরা, ছায়া সুনিবিড় গ্রাম খাগড়কুড়ি। এখন পাখি গ্রাম হিসেবে পরিচিতি পেয়েছে। একসময় পাখিরা অতিথি হলেও এখন তারা স্থায়ী বাসিন্দা। গত ৮-১০ বছর আগে থেকে পাখিদের বিচরণ শুরু হয়েছে। প্রতিবছর তাদের আসা-যাওয়া থাকলেও এবার তারা বাসা বেঁধে সংসার পেতেছে গাছে। ডিম পেড়ে বাচ্চা দিয়েছে। মনের সুখে নিশ্চিন্তে সংসার ক
পরিবেশএকসময় অনেক গাছ-পালা ও ঝোঁপ-ঝাড় ছিল। সেখানে বিভিন্ন পাখির আনাগোনা ছিল। তখন সকাল-সন্ধ্যা পাখিদের কিচির-মিচির শব্দে মুখরিত থাকতো চারিদিক। এখন জনবসতি বাড়ায় ক্রমেই কমছে ঝোঁপ-ঝাড়। এতে পাখিদের বিচরণও কমে যাচ্ছে।
পরিবেশপাখিটির নাম 'দেশি চাঁদিঠোঁট'। এর ইংরেজি নাম 'ইন্ডিয়ান সিলভারবিল (Indian Silverbill)'। বৈজ্ঞানিক নাম 'লঙ্কুরা মালাবারিকা' (Lonchura malabarica)। এরা 'ছোট মুনিয়া' নামেও পরিচিত।
মৎস্যবেনজীর আহমেদ সিদ্দিকী
পরিবেশবেনজীর আহমেদ সিদ্দিকী