পরিবেশহাঁড়িচাচা পাখি দেখেছেন কখনো?
একসময় অনেক গাছ-পালা ও ঝোঁপ-ঝাড় ছিল। সেখানে বিভিন্ন পাখির আনাগোনা ছিল। তখন সকাল-সন্ধ্যা পাখিদের কিচির-মিচির শব্দে মুখরিত থাকতো চারিদিক। এখন জনবসতি বাড়ায় ক্রমেই কমছে ঝোঁপ-ঝাড়। এতে পাখিদের বিচরণও কমে যাচ্ছে।
পরিবেশএকসময় অনেক গাছ-পালা ও ঝোঁপ-ঝাড় ছিল। সেখানে বিভিন্ন পাখির আনাগোনা ছিল। তখন সকাল-সন্ধ্যা পাখিদের কিচির-মিচির শব্দে মুখরিত থাকতো চারিদিক। এখন জনবসতি বাড়ায় ক্রমেই কমছে ঝোঁপ-ঝাড়। এতে পাখিদের বিচরণও কমে যাচ্ছে।
পরিবেশপাখিটির নাম 'দেশি চাঁদিঠোঁট'। এর ইংরেজি নাম 'ইন্ডিয়ান সিলভারবিল (Indian Silverbill)'। বৈজ্ঞানিক নাম 'লঙ্কুরা মালাবারিকা' (Lonchura malabarica)। এরা 'ছোট মুনিয়া' নামেও পরিচিত।
মৎস্যবেনজীর আহমেদ সিদ্দিকী
পরিবেশবেনজীর আহমেদ সিদ্দিকী
পরিবেশবেনজীর আহমেদ সিদ্দিকী
মৎস্যবেনজীর আহমেদ সিদ্দিকী
এগ্রোবিজগৃহপালিত পাখির মধ্যে কবুতর অন্যতম একটি। এর মাংস খুবই সুস্বাদু এবং এতে প্রোটিনের পরিমাণও তুলনামূলকভাবে বেশি। অনেকেই শখের বশে কবুতর পালন করে। কেউ কেউ বাণিজ্যিকভাবেও কবুতর পালন শুরু ক
লাইভস্টকপোষা পাখি লালন-পালন, খামার স্থাপন, কেনা-বেচা ও আমদানি-রফতানির ক্ষেত্রে লাইসেন্স নিতে হবে। লাইসেন্স না নিলে সর্বোচ্চ এক বছরের কারাদণ্ড বা সর্বোচ্চ ৫০ হাজার টাকা জরিমানা বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হবেন।
পরিবেশশীতে পরিযায়ী পাখিতে মুখরিত থাকে মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল উপজেলার হাইল হাওরের বাইক্কা বিল। নানা জাত-প্রজাতির রং-বেরঙের পাখির কলকাকলি, খুনসুটি, ওড়াউড়ি ও পানির ভেতর ডুব দেওয়া আর দলবেঁধে সাঁতার কাটার দৃশ্য দেখে তৃপ্ত হন দেশি-বিদেশি পর্যটকরা। তবে এ বছর অন্যান্য বছরে মতো পাখির দেখা নেই। কমেছে পাখির সংখ্যা।
পরিবেশঝালকাঠি সদর উপজেলার উপর দিয়ে বয়ে গেছে সুগন্ধা, বিশখালী, গাবখান ও ধানসিঁড়ি নদী। এ চার নদীর মোহনার পশ্চিমদিকে গাবখান ধানসিঁড়ি ইউনিয়ন, দক্ষিণে পোনাবালিয়া ইউনিয়ন এবং উত্তর-পূর্ব কোণে ঝালকাঠি পৌর এলাকা। শীতকালের অতিথি পাখিরা আশ্রয় নিয়েছে বিশখালী নদীর পশ্চিম পাড়ে গাবখান ধানসিঁড়ি ইউনিয়নের ভাটারাকান্দা ও পো
পরিবেশচিতাবাঘের চেয়েও ৩ গুণ গতিতে ছুটতে পারে যে প্রাণি, তার নাম পেরেগ্রিন শাহিন। এটিই বিশ্বের সবচেয়ে দ্রুতগতির প্রাণি। পেরেগ্রিন শাহিন যখন শিকার করে; তখন মধ্যাকর্ষণ শক্তিকে ব্যবহার করে। এটি ডানা দুটো শরীরের সঙ্গে লেপ্টে ঘণ্টায় ৩০০ কিলোমিটার এবং তারচেয়ে বেশি বেগে উড়ে এসে শিকার ধরে। গতির দিক থেকে এরা চিতাবা
পরিবেশবাঘের মত ডোরাকাটা তার শরীর। নিজেকে লুকিয়ে রাখতে পছন্দ করে। তবে মানুষ, কুকুর, শেয়াল বা কোন কিছুর মুখোমুখি হলে প্রতিপক্ষকে হটানোর জন্য ডোরাকাটা পালক ফুলিয়ে, ডানা ছড়িয়ে, মাথার মুকুট খাড়া করে, বল্লমের মতো ঠোঁট দিয়ে আঘাত করতে ভয়ঙ্কর মূর্তি ধারণ করে। শিকার ধরতে নিঃশব্দে বাঘের মতোই গা ঢাকা দিয়ে ওৎ পেতে থাক
পরিবেশবর্তমানে এরা প্রায়-বিপদগ্রস্ত। বাংলাদেশে সংকটাপন্ন। একসময় প্রচুর দেখা গেলেও বর্তমানে এদের সংখ্যা অনেক কমে গিয়েছে। পাখিরাজ্যে সংকটাপন্ন অবস্থায় আছে। গত ৩০ বছরে দ্রুত কমে এ পাখি এখন সংকটাপন্ন অবস্থায় আছে। বলছিলাম গয়ার পাখির (সাপগলা) কথা।