রাখাল থেকে বাগানমালিক: সখীপুরে ৫০ একরের টক বরইয়ে কোটি টাকার আশা
টাঙ্গাইলের সখীপুরের মোসলেম উদ্দিন আগাম জাতের টক বরই চাষ করে এ মৌসুমে এক কোটি টাকা বিক্রি ও ৩০ লাখ টাকা লাভের আশা করছেন; তাঁর বাগানে স্থায়ী কাজ পেয়েছেন ১৫ জন।
টাঙ্গাইলের সখীপুরের মোসলেম উদ্দিন আগাম জাতের টক বরই চাষ করে এ মৌসুমে এক কোটি টাকা বিক্রি ও ৩০ লাখ টাকা লাভের আশা করছেন; তাঁর বাগানে স্থায়ী কাজ পেয়েছেন ১৫ জন।
পরিবেশ২০২৬ সালের জানুয়ারির শেষে মাগুরা সদর উপজেলায় বালসুন্দরী, আপেল ও কাশ্মিরি জাতের বরই চাষে আগ্রহ বাড়ছে বলে জানিয়েছেন কৃষকরা। অনুকূল আবহাওয়া, উপযোগী মাটি এবং বাজারে ভালো চাহিদার কারণে এ মৌসুমে লাভের আশা করছেন তারা।
ফলতাজা বরইয়ের প্রতি ১০০ গ্রামে ৬৫.৮ থেকে ৭৬ মিলিগ্রাম ভিটামিন সি থাকে, যা এই মৌসুমি ফলকে ভিটামিন সির ভালো উৎস করে। তবে রক্ত পরিশোধন, ডায়াবেটিস বা হাড়ের ঘনত্ব নিয়ে প্রচলিত দাবির পক্ষে নির্ভরযোগ্য প্রমাণ মেলেনি।
ফলপটুয়াখালী সদরের গুয়াবাড়িয়া গ্রামের এক নারী নদীর পাড়ের ২০ শতাংশ পতিত জমিতে প্রায় ২০০টি বরইয়ের কলম লাগিয়েছেন; ২০২৬ সালের জানুয়ারিতে তিনি জাগো নিউজকে জানান, দ্বিতীয় বছর থেকেই বাগানে লাভ হচ্ছে।
ফল২০২৬ সালের জানুয়ারিতে যশোরের শার্শায় প্রায় ১৩৮ হেক্টর জমিতে কুলের চাষ হয়েছে বলে উপজেলা কৃষি অফিস জানায়। উপজেলার বেলতলা বাজার থেকে প্রতিদিন ঢাকাসহ বিভাগীয় শহরে কুল যাচ্ছিল।
মৌ বাক্স বসিয়ে সরিষা, লিচু, কালিজিরা, মিষ্টিকুমড়া থেকে মধু আহরণ করা গেলেও এবার বরই বাগান থেকে মধু সংগ্রহ করে তাক লাগিয়েছেন মৌ খামারি মোসাদ্দেক হোসেন। ২ হাজার গাছের বরই বাগানে ৬০
এগ্রোবিজমাদারীপুরের শিবচরে চার বিঘা জমিতে কাশ্মীরি নুরানি আপেল কুলের বাগান করে ভালো ফলন পেয়েছেন বেলজিয়ামপ্রবাসী লিয়াকত ব্যাপারী; তাঁর হিসাবে প্রতি গাছে ১৫ থেকে ২০ কেজি কুল ধরেছে এবং তিনি পাইকারিতে কেজি ৭০ টাকায় বিক্রি করছেন (২০২০ সালের ফেব্রুয়ারি)।
এগ্রোবিজ২০১৯-২০ মৌসুমে সাতক্ষীরায় ৬৫৪ হেক্টরে কুলের আবাদ বাড়লেও ঘূর্ণিঝড় বুলবুলে মুকুল ঝরে ফলন কমে যায়; জেলায় ৬ হাজার ৭৬০ মেট্রিক টন কুল থেকে আয় হয় ৬ কোটি ৭৬ লাখ টাকা।
কুল চাষে বিঘা প্রতি খরচ হয় ২০ থেকে ২২ হাজার টাকা। প্রতি কেজি কুলের পাইকারি মূল্য ৪০ থেকে ৫০ টাকা। সব খরচ বাদে বিঘা প্রতি ৯০ হাজার থেকে ১ লাখ টাকা পর্যন্ত লাভ করা সম্ভব