ইংল্যান্ড ও ওয়েলসের ওয়াই নদী অববাহিকার খামারগুলোতে ফসফরাসের যে উদ্বৃত্ত আছে বলে মডেলে ধরা হতো, বাস্তবে তা নেই—প্রতি ১০টি খামারের ৭টিতে ভারসাম্য শূন্য বা ঋণাত্মক পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছে ফার্মার্স উইকলি।
হেরিফোর্ডশায়ার রুরাল হাবের দুই বছরের ফার্মগেট নিউট্রিয়েন্ট ব্যালান্স প্রোগ্রাম ২৮ হাজার হেক্টরের বেশি জমির ১৪৫টি খামারের প্রকৃত উপকরণ ও উৎপাদন মেপেছে। ফসফরাসের গড় ভারসাম্য হেক্টরে -০.৫ কেজি, কার্যত নিরপেক্ষ; অথচ আগের রেফোকাস মডেলে ফসলের চাহিদার ওপর হেক্টরে ৬.২ কেজি উদ্বৃত্ত ধরা হয়েছিল।
ফলাফল বলছে, শুধু পশুর সংখ্যা কমিয়ে যতটা লাভ ভাবা হয়েছিল, তার চেয়ে পুষ্টি ব্যবস্থাপনা ভালো করায় বেশি সুফল। কিনে আনা পশুখাদ্য বাইরে থেকে পুষ্টি আসার বড় উৎস, আর পশুর ঘনত্ব একা খামারের ভারসাম্যের ভালো সূচক নয়। কর্মসূচির প্রধান ড্যান স্মিথ বলেন, পশু কমাতে বলা হচ্ছে বারবার, কিন্তু তার প্রয়োজনের তেমন প্রমাণ তাঁরা পাননি; প্রমাণ আছে ব্যবস্থাপনা আরেকটু ভালো করার।
নাইট্রোজেনের চিত্র ভিন্ন—হেক্টরে গড়ে প্রায় ৮৩ কেজি উদ্বৃত্ত। স্মিথ ব্যবস্থাপনার ঘাটতির উদাহরণ দেন: কিছু খামার নাইট্রোজেন সংবন্ধনকারী ভেষজ বা শিম জাতীয় ঘাস লাগিয়েও রাইগ্রাসের মতো হারে সার দিচ্ছে। তাঁর মতে, নিজের খামারের পশুখাদ্য বেশি ব্যবহার, কেনা খাদ্য যাচাই আর গোবর-সারের পুষ্টিমান পরীক্ষা করে সার পরিকল্পনায় ধরলে দূষণের ঝুঁকি ও খরচ দুই-ই কমে।
তবে কৃষির পরিবেশগত প্রভাব নেই—এমন নয় বলে জোর দেন স্মিথ। এই ফলাফল এনভায়রনমেন্ট এজেন্সির নতুন ওয়াই নদী বিস্তৃত পানিদূষণ পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনায় যুক্ত হচ্ছে, আর কর্মসূচিটি পুষ্টি ব্যবহার ও খামার ব্যবস্থাপনা নিয়ে আরও কাজের পরিকল্পনা করছে।
ছবি: Philip Halling / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY-SA 2.0)
সূত্র: Farmers Weekly





মন্তব্য
(০)