শুল্কের খরচ বিশ্বজুড়ে পোশাক সরবরাহ শৃঙ্খলে এমনভাবে ছড়াচ্ছে, যা বস্ত্র কোথা থেকে কেনা হবে এবং শেষ পর্যন্ত তুলার চাহিদা কোথায় তৈরি হবে, তা বদলে দিতে পারে। অল অ্যাগ নিউজকে এ কথা বলেছেন গেরজি আমেরিকাসের বাণিজ্য বিশ্লেষক রবার্ট অ্যান্টোশাক।
অ্যান্টোশাকের ভাষ্য, কাগজে-কলমে মার্কিন আমদানিকারকেরা সীমান্তে শুল্ক দেন, কিন্তু খরচের একটা অংশ ফেরত পেতে ক্রেতারা প্রায়ই বিদেশি সরবরাহকারীর কাছে কারখানা পর্যায়ের দাম কমানোর চাপ দেন। বিদেশি কারখানা শুল্কের একাংশ নিজের ঘাড়ে নিলেও ক্রেতাকে দোকানে বেশি দাম দিতে হতে পারে।
তুলার জন্য গুরুত্বপূর্ণ হলো অর্ডার কোথায় যাচ্ছে। অ্যান্টোশাক বলছেন, পোশাকের অর্ডার ব্যাপকভাবে যুক্তরাষ্ট্রের কারখানায় না ফিরে বাংলাদেশ, ভিয়েতনাম, কম্বোডিয়া ও ইন্দোনেশিয়ার মতো এশীয় সরবরাহকারীদের মধ্যে সরছে। ফলে বস্ত্রের চাহিদা বিদেশেই কেন্দ্রীভূত থাকছে।
তিনি সতর্ক করেন, শুল্কের কারণে কারখানা যে ছাড় দিচ্ছে, তা ভবিষ্যতের দামে স্থায়ী হয়ে যেতে পারে, এমনকি পরে আমদানিকারক শুল্ক ফেরত পেলেও। ছাড় একবার মূল দামের অংশ হয়ে গেলে সরবরাহকারীর পক্ষে তা ফিরিয়ে আনা কঠিন।
মার্কিন তুলাচাষিদের জন্য বড় প্রশ্ন হলো, বস্ত্র উৎপাদন শেষ পর্যন্ত কোথায় থিতু হয়, কারণ সুতা কলের কাজই বিশ্ববাজারে কাঁচা তুলার চাহিদা ঠিক করে। বাংলাদেশের মতো পোশাক রপ্তানিকারক দেশের জন্যও এই পরিবর্তনই ঠিক করছে অর্ডার, আর তার সঙ্গে দামের চাপ, কোথায় গিয়ে পড়বে।
প্রতিবেদনটি করেছেন টনি সেন্ট জেমস।
ছবি: Kimberly Vardeman / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY 2.0)
সূত্র: All Ag News





মন্তব্য
(০)