সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮+০.০%আদা - আমদানিকৃত১৬৭+০.০%আদা - দেশী১৫৪+০.০%আমন চাল - মাঝারি৫৬+০.০%আমন চাল - মোটা৪৮+০.০%আমন চাল - সরু৭২+০.০%আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২+০.০%কাঁচা মরিচ২১৮+০.০%খামারের মুরগী১৬২+০.০%খাসী৯০০+০.০%চিনি (দেশী)১৩২+০.০%ছোলা - গোটা৮৫+০.০%ডিম ফার্ম - লাল৪৭+০.০%পেঁয়াজ - দেশী৬০+০.০%বোরো চাল - মাঝারি৫৫+০.০%বোরো চাল - মোটা৪৭+০.০%বোরো চাল - সরু৬৬+০.০%মাংসঃ– গরু৭২৯+০.০%মুগ ডাল১২২+০.০%রসুন - আমদানিকৃত১৯২+০.০%রসুন - দেশী১৭৩+০.০%সয়াবিন তেল১৬৩+০.০%
হালনাগাদ ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ঢাকা২৮°বৃষ্টির সম্ভাবনাআর্দ্রতা ৮৫%বাতাস ১১ কিমি/ঘবৃষ্টি ০.৪ মিমি

বিরল প্রজাতির গোলাপি ডলফিন

সমুদ্রের জীবন বরাবরই বেশ রঙিন। আর সমুদ্রের প্রাণিকূল বরাবরই সৌন্দর্যের আধার। প্রকৃতির সৌন্দর্য বহুগুণ বাড়িয়ে দেয় প্রাণীগুলো। নাম না জানা কত সুন্দর প্রাণী এবং উদ্ভিদের বাসস্থান সেখানে। সেই সঙ্গে আবার চেনা প্রাণীরও মাঝে মধ্যে দেখা মেলে ভিন্ন রূপ। এর মধ্যে অন্যতম বন্ধুসুলভ দৃষ্টিনন্দন প্রাণী ডলফিন।

ফুল

সমুদ্রের জীবন বরাবরই বেশ রঙিন। আর সমুদ্রের প্রাণিকূল বরাবরই সৌন্দর্যের আধার। প্রকৃতির সৌন্দর্য বহুগুণ বাড়িয়ে দেয় প্রাণীগুলো। নাম না জানা কত সুন্দর প্রাণী এবং উদ্ভিদের বাসস্থান সেখানে। সেই সঙ্গে আবার চেনা প্রাণীরও মাঝে মধ্যে দেখা মেলে ভিন্ন রূপ। এর মধ্যে অন্যতম বন্ধুসুলভ দৃষ্টিনন্দন প্রাণী ডলফিন।

বিশ্বজুড়ে ৪০ প্রজাতির ডলফিনের সন্ধান পাওয়া গেছে। তবে কোনো কোনো তথ্যমতে, ডলফিনের প্রজাতির সংখ্যা এর চেয়েও বেশি। তবে আটটি প্রজাতি খুবই পরিচিত। ইরাবতি ডলফিন, পাখনাহীন পয়পয়েস ডলফিন, গাঙ্গেয় শুশুক, থেবড়া দাঁত ডলফিন, চিত্রা ডলফিন, ঘূর্ণি ডলফিন, বোতল নাক ডলফিন ও গোলাপি ডলফিন।

এর মধ্যে দক্ষিণ আমেরিকার আমাজন অঞ্চলে দেখা মেলে বিরল প্রজাতির গোলাপি ডলফিন। 'আমাজন রিভার ডলফিন' নামেই এদের ডাকা হয়। নদীতে বসবাসকারী ডলফিনের চারটি প্রজাতির মধ্যে গোলাপি ডলফিন আকৃতিতে সবার বড়।

এর বৈজ্ঞানিক নাম 'ইনিয়া জিওফ্রেনসিস'। এছাড়া এরা বোতো, বুফেও নামেও পরিচিত। এদের সবচেয়ে আকর্ষণীয় দিকই হচ্ছে এদের গায়ের বর্ণ। প্রাপ্ত বয়সে এই ডলফিনের শরীরের বর্ণ পুরোপুরি গোলাপি হয়ে ওঠে। গোলাপি বর্ণের জন্য বিখ্যাত এই ডলফিনের রং শুরুতে কিন্তু গোলাপি ছিল না।

আরও পড়ুন: দৃষ্টিনন্দন ছোট্ট পাখি টুনটুনি

জন্মের সময় এদের রং ধূসর থাকে। এরপর বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে শরীরের রং পরিবর্তন হয়ে গোলাপি হয়। উত্তেজিত হলে এদের শরীর উজ্জ্বল গোলাপি রং ধারণ করে।

সুন্দর শরীরের রং ছাড়াও এই ডলফিনের আরেকটি উল্লেখযোগ্য বিষয় এর ওজন ও আকৃতি। আকার আকৃতিতে এরা অন্য অনেক জলজ প্রাণীকে হার মানায়। জন্মের পর ডলফিনের ওজন হয় গড়ে ১ কেজি আর লম্বায় ৩০ ইঞ্চি। তবে প্রাপ্ত বয়সে ওজন গড়ে ৪৫০ পাউন্ডের বেশি এবং লম্বায় ৮-১০ ফুট পর্যন্ত হয়ে থাকে। এছাড়া ১৮০ ডিগ্রি অ্যাঙ্গেলে এরা নিজেদের ঘাড় বাঁকাতে পারে। পাশাপাশি ধনুকের মতো বাঁকাতে পারে নিজের শরীর।

এদের প্রধান খাদ্য মাছ। লম্বা ঠোঁট এবং চোয়ালের মধ্যে থাকা ২৮ জোড়া বড় দাঁতের সাহায্যে সহজেই শিকার ধরতে পারে। গোলাপি ডলফিনের মস্তিষ্কের সক্ষমতাও অনেক বেশি। মানুষের তুলনায় এদের মস্তিষ্কের সক্ষমতা প্রায় ৪০ শতাংশ বেশি।

গোলাপি রিভার ডলফিনের গড় আয়ু প্রায় ৩০ বছর। তবে এই প্রজাতির ডলফিনের ৪০ বছর পর্যন্ত জীবিত থাকার দৃষ্টান্ত আছে। আমাজন নদীর এই ডলফিনদের জন্য মানুষই একমাত্র হুমকি। অনেক শিকারি ক্যাটফিশের টোপ ধরে তাদের শিকার করে। দুঃখের বিষয়, অনেকে এদের ধরতে কারেন্ট জাল ব্যবহার করেন।

আরও পড়ুন: প্রজাপতির রঙিন পাখায় ভর করে একদিন

ডলফিন দলবদ্ধ হয়ে থাকার জন্য বিখ্যাত হলেও গোলাপি ডলফিন একা থাকতে পছন্দ করে। দুই থেকে চার সদস্যের ছোট দলেই এরা অভ্যস্ত। তবে বেশি খাদ্য সমৃদ্ধ অঞ্চলে এদের বড় দল দেখা যায়। কৌতূহলী প্রাণী হওয়ায় গোলাপি ডলফিন সহজেই মানুষ কিংবা অন্য প্রজাতির সঙ্গে মিশে যায়।

২০০২ সালে প্রথমবারের মতো ওয়াইল্ড লাইফ কনজারভেশন সোসাইটির একটি জরিপে বাংলাদেশে গোলাপি ডলফিনের অস্তিত্বের কথা জানা যায়। নদী ও পরিবেশ দূষণ ও মানুষের আনাগোনা যেখানে বেশি; সেখান থেকে এরা দূরে থাকে। তারই ফলে বঙ্গোপসাগরের নির্জন জায়গায় এদের মাঝেমধ্যে দেখা যায়।

২০১১ সালে এই স্তন্যপায়ী প্রাণীটির প্রথম বঙ্গোপসাগরে দেখা মেলে। বাংলাদেশে সর্বশেষ গোলাপি ডলফিনের দেখা মিলেছে ২০১৮ সালের মার্চ মাসে। কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতের কলাতলী এবং সুগন্ধা পয়েন্টে স্থানীয়রা দুটি ডলফিন দলের সঙ্গে গোলাপি ডলফিন দেখতে পেয়েছিলেন।

গোলাপি ডলফিন নিয়ে প্রচলিত আছে অনেক পৌরাণিক কাহিনি। একটি কাহিনি প্রচলিত আছে, এই ডলফিন রাতে সুদর্শন পুরুষদের মোহিত করে। অন্য একটি কাহিনি অনুসারে, পানিতে একা সাঁতার কাটতে গেলে এরা সমুদ্রের তলদেশে জাদুর শহরে নিয়ে যায়। অনেক আমাজনীয় মনে-প্রাণে বিশ্বাস করেন, গোলাপি ডলফিন একটি জাদুকরী মাছ। যা মানুষের রূপ ধারণ করতে সক্ষম এবং উপকূলেও চলে আসতে পারে।

তথ্যসূত্র: ন্যাশনাল জিওগ্রাফি ও উইকিপিডিয়া।

জাগো নিউজ ২৪দা এগ্রো নিউজ

ফুল

সম্পর্কিত খবর

ফুল

ঘরের বাতাস পরিষ্কার রাখে যে গাছ: পিস লিলি

কম আলোতেও বেড়ে ওঠা পিস লিলি অন্দরসজ্জায় জনপ্রিয়; নাসার গবেষণা বলছে, এটি ঘরের বাতাস থেকে বেনজিন ও ফরমালডিহাইডের মতো টক্সিন দূর করে।

সমকাল১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
শাকসবজি

রবিশস্য হিসেবে চিয়া বীজ চাষ করবেন যেভাবে

ক্ষুদ্র দানাকৃতির চিয়া বীজ পুষ্টি ও শক্তির উৎস। চিয়া বীজের বিশেষত্ব হলো এর পুষ্টিমান। চিয়া বীজের পুষ্টিগুণ দানাদার শস্য বা তেলবীজগুলোর মধ্যে সেরা। চিয়া বর্ষজীবী, ঔষধি তৈলবীজ তিল বা তিষির মতো। এক মিটার পর্যন্ত লম্বা হয়। পাতা প্রতিপন্ন, দন্তর। ফুল স্পাইকে সজ্জিত, নীল, বেগুনি বা সাদা রঙের হতে পারে। দুট

জাগো নিউজ ২৪১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬৩ মিনিটের পড়া
ফল

গোল নয় তবুও কেন এর নাম ‘গোলগাছ’

গোলগাছ কিংবা গোলপাতা কোনোটিই গোল নয়। তাহলে এই গাছ ও পাতার অঙ্গে-সঙ্গে গোল শব্দটি যুক্ত হলো কীভাবে? সাধারণত বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই ফুল অথবা ফলের নামানুসারে কোনো গাছ বা উদ্ভিদের নাম নির্ধারণ করা হয়। গোলফল যখন ছড়িয়ে থাকে তখন দেখতে ঠিক পরিপাটি গোলগাল কাঁঠাল এবং কেয়া ফলের মতো। মূলত ছড়ায়-ছড়ায় ঝুলতে থাকা চোখ-

জাগো নিউজ ২৪৩১ আগস্ট ২০২৬৪ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

()