সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮আদা - আমদানিকৃত১৬৭আদা - দেশী১৫৪আমন চাল - মাঝারি৫৬আমন চাল - মোটা৪৮আমন চাল - সরু৭২আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২কাঁচা মরিচ২১৮খামারের মুরগী১৬২খাসী৯০০চিনি (দেশী)১৩২ছোলা - গোটা৮৫ডিম ফার্ম - লাল৪৭পেঁয়াজ - দেশী৬০বোরো চাল - মাঝারি৫৫বোরো চাল - মোটা৪৭বোরো চাল - সরু৬৬মাংসঃ– গরু৭২৯মুগ ডাল১২২রসুন - আমদানিকৃত১৯২রসুন - দেশী১৭৩সয়াবিন তেল১৬৩
হালনাগাদ ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ঢাকা২৮°মূলত পরিষ্কারআর্দ্রতা ৮২%বাতাস কিমি/ঘ

রবিশস্য হিসেবে চিয়া বীজ চাষ করবেন যেভাবে

ক্ষুদ্র দানাকৃতির চিয়া বীজ পুষ্টি ও শক্তির উৎস। চিয়া বীজের বিশেষত্ব হলো এর পুষ্টিমান। চিয়া বীজের পুষ্টিগুণ দানাদার শস্য বা তেলবীজগুলোর মধ্যে সেরা। চিয়া বর্ষজীবী, ঔষধি তৈলবীজ তিল বা তিষির মতো। এক মিটার পর্যন্ত লম্বা হয়। পাতা প্রতিপন্ন, দন্তর। ফুল স্পাইকে সজ্জিত, নীল, বেগুনি বা সাদা রঙের হতে পারে। দুট

শাকসবজি

ক্ষুদ্র দানাকৃতির চিয়া বীজ পুষ্টি ও শক্তির উৎস। চিয়া বীজের বিশেষত্ব হলো এর পুষ্টিমান। চিয়া বীজের পুষ্টিগুণ দানাদার শস্য বা তেলবীজগুলোর মধ্যে সেরা। চিয়া বর্ষজীবী, ঔষধি তৈলবীজ তিল বা তিষির মতো। এক মিটার পর্যন্ত লম্বা হয়। পাতা প্রতিপন্ন, দন্তর। ফুল স্পাইকে সজ্জিত, নীল, বেগুনি বা সাদা রঙের হতে পারে। দুটি বর্ধিত ঠোঁটের মতো ফুল; যা মিন্ট পরিবারের বৈশিষ্ট্য, উচ্চমাত্রায় স্বপরাগী। গোল বা উপবৃত্তাকার বাদামি থেকে ধূসর সাদা বা ধূসর-সাদা রঙের বীজ হয়। চিয়া, দানা শস্য ও হেলথ ফুড হিসেবে প্রথমে আমেরিকায় এবং সেই সাথে সারা দুনিয়ায় গ্রহণযোগ্যতা পায়।

প্রধানত দুটি ভিন্ন ধরনের চিয়া বীজ আছে, একটি কালো চিয়া বীজ এবং অন্যটি সাদা রঙের বীজ। বেগুনি ফুল, উৎপাদনকারী চিয়া গাছগুলো বাদামি বীজ দেয়। এই বাদামি রঙের বীজগুলোকে কালো চিয়া বলা হয়। সাদা ফুল উৎপন্নকারী চিয়া উদ্ভিদ কেবল সাদা বীজ উৎপন্ন করে। সাদা চিয়া বীজ হলো সাদা, ধূসর এবং হলুদ মার্বেলযুক্ত রঙের বীজ।

চিয়া মূলত বীজ এবং চারা উভয় থেকে বংশবিস্তার করে। বীজ থেকে চিয়া উদ্ভিদ বৃদ্ধি করা সবচেয়ে ভালো। চিয়া বীজ ৫-৭ দিনের মধ্যে অঙ্কুরিত হতে শুরু করে।

চিয়া বীজ ফসলের বৃদ্ধির জন্য সর্বনিম্ন ১১ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং সর্বাধিক ৩৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা এবং অনুকূল তাপমাত্রা ১৬-২৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস প্রয়োজন। চিয়া বীজ ২০ ডিগ্রি সেলসিয়াস থেকে ২৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত উষ্ণ তাপমাত্রায় ভালো জন্মে। চিয়া বীজ ফসলের জীবনচক্রের সময়কাল অবস্থানের ওপর নির্ভর করে। বৃদ্ধি উচ্চতা বা অক্ষাংশ দ্বারা প্রভাবিত হয়। অনেক সবজি বীজের মতো চিয়া উদ্ভিদ হলো স্বল্প দিনের ফুল গাছ, যা ১২-১৩ ঘণ্টা ফোটোপেরিওডিক থ্রেশহোল্ডে তার বৃদ্ধি এবং ফলের সময়কাল অক্ষাংশ বা উচ্চতার বৃদ্ধির ওপর নির্ভর করে। উত্তর গোলার্ধে চিয়া অক্টোবরে এবং দক্ষিণ গোলার্ধে এপ্রিল মাসে ফুল আসতে শুরু করে। বিভিন্ন বাস্তুসংস্থানে চিয়া বীজের জীবনচক্রের সময়কাল ১০০-১৫০ দিনের মধ্যে।

দেশীয় আবহাওয়ায় চিয়া বীজ রবিশস্য হিসেবে চাষ করা যায়। শীত হলো চিয়া বীজ রোপণ ও বৃদ্ধির আদর্শ সময়। কারণ এটি একটি স্বল্প দিনের ফুল গাছ হিসেবে বিবেচিত হওয়ায় দীর্ঘদিনের ঋতুতে বৃদ্ধি পায় না। বেশি ফলনের জন্য ১৫ নভেম্বরের মধ্যে চাষ করতে হবে। তবে অক্টোবরের শেষ সপ্তাহ এবং জানুয়ারির দ্বিতীয় সপ্তাহেও বোনা যেতে পারে। ফসল ঘরে ওঠাতে ৯০-১০০ দিন সময় লাগে।

ফসলটি সব রকম মাটিতে চাষ করা যায়। হালকা থেকে মাঝারি কাদামাটি বা বেলে থেকে বেলে দোআঁশ মাটি প্রয়োজন। ভালোভাবে নিষ্কাশিত, মাঝারি উর্বর মাটিতে ভালো ফলন দিতে পারে। এটি অ্যাসিড মাটি এবং মাঝারি খরাও প্রতিরোধ করতে পারে। চিয়া বীজ বপন ও চারা স্থাপনের জন্য সম্পূর্ণ আর্দ্র মাটির প্রয়োজন। কিন্তু পরিপক্ব চিয়া উদ্ভিদ বৃদ্ধির সময় ভেজা মাটি সহ্য করতে পারে না।

সাধারণত বিঘাপ্রতি ১০০ গ্রাম বীজের প্রয়োজন হয়। ৩-৪টি চাষ ও মই দিয়ে মাটি ঝুরঝুরা করে জমি প্রস্তুত করে নিতে হবে। মাটি আগাছামুক্ত হওয়া উচিত। চিয়া বীজ খুবই ক্ষুদ্র বীজ। তাই সরাসরি বীজ ছিটিয়ে বপন করার আগে প্রায় পাঁচ কেজি শুকনো বালি বা ছাই বীজের সাথে মিশিয়ে নিতে হবে। তারপর সরিষা বা তিল এবং ডাটাশাক বীজের মতো ৪০-৫০ সেন্টিমিটার সারি থেকে সারিতে বালু বা ছাই মাখা বীজ ক্রমাগত ছেটাতে হবে। এ ছাড়া চারা করে ১৫-২৫ দিন বয়সের চারা ৪০-৫০ সেন্টিমিটার সারি থেকে সারিতে এবং গাছ থেকে গাছ ২০ সেন্টিমিটার দূরত্বে ভেজা মাটিতে লাগানো যায়।

যখন ৬০-৮০% ফুলের মাথা বাদামি এবং হলুদ-ব্রাউন রঙে পরিণত হয়; তখন চিয়া ফসল কাটার জন্য প্রস্তুত হয়। মাটির ওপরে থাকা পুরো চিয়া গাছগুলো কেটে নিয়ে ত্রিপল বা পরিষ্কার মেঝেতে রেখে রোদে শুকাতে হবে। এক-দুই দিন রোদে শুকানোর পরে, বাঁশ বা কাঠের লাঠি দিয়ে আলতো ভাবে আঘাত করলে গাছ থেকে বীজ আলাদা হয়ে যাবে। তারপর বীজ ঝেরে পরিষ্কার করে সংরক্ষণ করতে হবে। চাষের পদ্ধতি ও ভৌগোলিক অঞ্চলভেদে ফলন বিঘাপ্রতি ১৫০ থেকে ২০০ কিলোগ্রাম পর্যন্ত হতে পারে।

জাগো নিউজ ২৪দা এগ্রো নিউজ

শাকসবজি

সম্পর্কিত খবর

শাকসবজি

বাজারে বিষমুক্ত করলার দাম নেই, আগ্রহ হারাচ্ছেন কৃষকরা

জমির আইলের চারপাশে নীল রঙের জালের বেড়া। ভেতরে বাঁশ ও জালের মাচা। মাচার ওপরে সবুজ লতা। নিচে থোকায় থোকায় ঝুলছে তরতাজা করলা। কিন্তু এই করলায় নেই কোনো কীটনাশক বা রাসায়নিক বিষ।

জাগো নিউজ ২৪১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬৫ মিনিটের পড়া
মৎস্য

পদ্মার নাকি গুজরাটের ইলিশ, চিনবেন যেভাবে

বাঙালির পাতে ইলিশের কদরই আলাদা। গরম ভাতের সঙ্গে সরিষা ইলিশ, কাঁচা মরিচ দিয়ে ভাজা কিংবা ঝোল-যে পদই হোক, ইলিশের নাম শুনলেই জিভে পানি আসে। কিন্তু বাজার থেকে চড়া দামে ইলিশ কিনে এনে রান্নার পর যদি সেই চেনা ঘ্রাণ আর স্বাদ না মেলে, তখন আফসোসের শেষ থাকে না।

জাগো নিউজ ২৪১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬৩ মিনিটের পড়া
শাকসবজি

সারে সর্বনাশ

ধানের চারা মাটিতে বসানোর পর কৃষকের সবচেয়ে বড় ভরসা থাকে আকাশের বৃষ্টি আর মাটির উর্বরতার ওপর। কিন্তু সেই ভরসার সঙ্গে যখন সারের বস্তাটি অনিশ্চয়তার প্রতীক হয়ে ওঠে, তখন সংকটটি আর শুধু কৃষকের থাকে না; তা ধীরে ধীরে খাদ্যনিরাপত্তা, বাজার, মূল্যস্ফীতি এবং শেষ পর্যন্ত রাষ্ট্রের সক্ষমতার প্রশ্নে পরিণত হয়। বাংল

জাগো নিউজ ২৪১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬৭ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

()
রবিশস্য হিসেবে চিয়া বীজ চাষ করবেন যেভাবে | দা এগ্রো নিউজ